শিরোনাম
প্রকাশ: ১১:০৫, মঙ্গলবার, ০৪ মার্চ, ২০২৫

নানা আলোচনার জন্ম দিয়ে এনসিপির যাত্রা শুরু

মাহবুব আলম
অনলাইন ভার্সন
নানা আলোচনার জন্ম দিয়ে এনসিপির যাত্রা শুরু

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়ে গণ-অভ্যুত্থানের নেতৃত্বদানকারী ছাত্রদের নবগঠিত দল জাতীয় নাগরিক পার্টি, ইংরেজিতে ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি, সংক্ষেপে এনসিপির যাত্রা শুরু হয়েছে। বিতর্কের কারণ সেকেন্ড রিপাবলিক গঠন ও ইনকিলাব জিন্দাবাদ স্লোগান। এ ছাড়া দলটি কিংস পার্টি হচ্ছে কি না, এ নিয়ে শুরু থেকেই বিতর্ক বা প্রশ্ন আছে। এই বিতর্ক আরো উসকে দিয়েছে নবগঠিত দলের প্রতি উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের আবেগ ও উচ্ছ্বাস। তা ছাড়া উপদেষ্টা পরিষদে ছাত্রদের তিন প্রতিনিধির একজন পদত্যাগ করলেও দুজন উপদেষ্টা পরিষদে রয়েই গেছেন। অবশ্য তাঁরা বলেছেন, তাঁরা কোনো রাজনৈতিক দলে যোগ দেবেন না।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার শেরেবাংলানগরে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনের প্রশস্ত সড়কে অনুষ্ঠিত এক বিশাল সমাবেশে এনসিপি গঠনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়ার পরপরই এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘সেকেন্ড রিপাবলিক প্রতিষ্ঠায় গণপরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সংবিধান রচনা করা হবে।’ এই বক্তব্য ও ঘোষণার পরপরই রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক শুরু হয়। বিতর্কের সূত্রপাত করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, ‘সেকেন্ড রিপাবলিক, গণপরিষদ নির্বাচন কেন হবে? আমাদের বর্তমান রিপাবলিক কি অসুস্থ হয়ে গেছে? সেকেন্ড রিপাবলিক, গণপরিষদ নির্বাচনের মধ্যে অন্য উদ্দেশ্য আছে। রাষ্ট্রব্যবস্থাকে অকার্যকর ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।’ এটি বলেই সালাহউদ্দিন ক্ষান্ত হননি।

তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি এক মাসের আলটিমেটাম দিয়ে বলেছেন, নির্বাচনের দাবিতে সব দলকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপি আন্দোলনের ডাক দেবে। রীতিমতো হুমকি।
শুধু সালাহউদ্দিনই নন, অন্যান্য দলের নেতারাও ছাত্রদের দল গঠনকে স্বাগত জানালেও তাদের ঘোষণাকে প্রত্যাখ্যান করে দ্রুত নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, ‘ছাত্রনেতাদের গভীর চিন্তার মনে হয়েছিল, এখন মনে হচ্ছে এরা অ্যাংরি ইয়াংম্যান।’ রীতিমতো কটাক্ষ। গণ অধিকার পরিষদের নুরুল হক নুরও সেকেন্ড রিপাবলিকের দাবিকে উড়িয়ে দিয়ে এ বিষয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন রীতিমতো সংবাদ সম্মেলন করে। তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের দুই ছাত্র উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি করে সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

দেশের সব রাজনৈতিক দল বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবিতে সোচ্চার। এমনকি খোদ প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলো কম সংস্কার চাইলে ডিসেম্বরে আর একটু বেশি সংস্কার চাইলে আগামী বছরের জুনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব সংশোধিত বক্তব্য দিয়ে বলেন, ডিসেম্বর থেকে আগামী মার্চের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেছেন, নির্বাচন কমিশন ডিসেম্বরে নির্বাচন হবে—এটি ধরে নিয়েই নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। ঠিক এই সময় বর্তমান সংবিধান বাতিল করে গণপরিষদ নির্বাচন ও সেকেন্ড রিপাবলিক গঠনের দাবি ও প্রতিষ্ঠা রাজনীতির অঙ্গনকে অস্থির করে একেবারে সব কিছু ওলটপালট করে দিতে পারে বলে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

ওলটপালট এই কারণে যে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য তিনি সব দলের সঙ্গে এরই মধ্যে এক দফা সংলাপ করেছেন। শিগগিরই আরো সংলাপ করে ঐকমত্যের ভিত্তিতে নির্বাচনের রোডম্যাপ দেবেন। কিন্তু এনসিপির সেকেন্ড রিপাবলিকের জন্য গণপরিষদ নির্বাচনের দাবি জাতীয় ঐকমত্যে রীতিমতো জল ঢেলে দিল। অবশ্য ছাত্রদের এই দাবি নতুন কিছু নয়। জুলাই অভ্যুত্থানের পরপরই ছাত্ররা বর্তমান সংবিধান বাতিল করে নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের দাবি করে আসছে। এই লক্ষ্য নিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র প্রস্তুত করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তার ঘোষণা দেওয়ার কথা বলে। কিন্তু বিএনপির আপত্তির মুখে অন্তর্বর্তী সরকার ছাত্রদের ঘোষণা দেওয়া থেকে বিরত রেখে সরকার নিজেই জুলাই বিপ্লবের ঘোষণা দেবে বলে জানায়। কিন্তু আজও সেই ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

এই অবস্থার মধ্যে ছাত্রদের নবগঠিত দল এনসিপি সুস্পষ্ট করে বলেছে, কেবল একটি সরকারের পতন ঘটিয়ে আরেকটি সরকার বসানোর জন্য জুলাই গণ-অভ্যুত্থান হয়নি। বরং ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা বিলোপের মাধ্যমে অগ্রাধিকারভিত্তিক রাষ্ট্র পুনর্গঠন করার জন্য নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের আকাঙ্ক্ষা থেকে সাড়া দিয়েছে জনগণ। সেই আকাঙ্ক্ষার রূপ দেওয়ার কথা আমরা বলছি ছয় মাস ধরে। সে লক্ষ্যেই জুলাই ঘোষণাপত্রের কথা বলছি।

এনসিপির নেতারা এ বিষয়ে আরো বলেছেন, ২২ অক্টোবর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমাবেশে ঘোষণা দেওয়া হয় মুজিববাদী সংবিধানের কবর রচনা হয়েছে। তাই নতুন সংবিধান রচনার জন্য গণপরিষদ নির্বাচন জরুরি ও অবশ্য কর্তব্য। জুলাই বিপ্লবের স্পিরিটকে ধরে রাখা ও জন-আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্যও এটি হবে অতি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ।

এই অবস্থায় নিশ্চিতভাবে ডিসেম্বরের প্রস্তাবিত নির্বাচন অনিশ্চিত হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে। কারণ জাতীয় নির্বাচনের প্রশ্নে ঐকমত্যের সম্ভাবনা কার্যত ক্ষীণ থেকে ক্ষীণতর হয়ে আসছে। এই অবস্থায় অন্তর্বর্তী সরকার ইচ্ছা করলেও জাতীয় নির্বাচনের আয়োজন করতে পারবে না। সে ক্ষেত্রে নতুন করে নতুন প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংলাপ করতে হবে। এবং সেই সংলাপ থেকে রাতারাতি কোনো ফলাফল বেরিয়ে আসবে এমন কোনো লক্ষণ এখনো স্পষ্ট নয়।

বরং পরিস্থিতি আরো জটিল ও কঠিন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে এনসিপির উদ্বোধনী মঞ্চ থেকে নাহিদ ইসলামের সেকেন্ড রিপাবলিক কোনো অধরা স্বপ্ন নয় বক্তব্যে। এই অবস্থায় নতুন সংবিধান ও দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্র প্রশ্নের সমাধান এখন অনেকটাই জরুরি ও আবশ্যিক বিষয়ে পরিণত হতে পারে। কারণ এই ছাত্রদের নেতৃত্বেই জুলাই অভ্যুত্থান হয়েছে। এই অভ্যুত্থান দেশব্যাপী যে নতুন শক্তির অভ্যুদয় ঘটিয়েছে, তা অনস্বীকার্য। সর্বোপরি চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ছাত্রদের রাজনীতিবিমুখ অবস্থার অবসান হয়েছে। ছাত্ররা এখন রাজনীতির প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠছে। নিঃসন্দেহে এটি জুলাই অভ্যুত্থানের একটি বড় সাফল্য। এই অবস্থায় রাষ্ট্র সংস্কার ও নতুন বন্দোবস্তের দাবি উপেক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে। সে ক্ষেত্রে অন্য রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে নবগঠিত দলের সংঘাতও অনিবার্য হয়ে উঠবে। আর তা যদি হয়, তাহলে ডিসেম্বর বা মার্চের প্রস্তাবিত জাতীয় নির্বাচন নিশ্চিতভাবেই অনিশ্চিত হবে।

সেকেন্ড রিপাবলিক অর্থাত্ দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্র ছাড়াও ইনকিলাব জিন্দাবাদ স্লোগান নিয়েও বিতর্ক দেখা দিয়েছে। ইনকিলাব জিন্দাবাদ মূলত কমিউনিস্টদের স্লোগান। ভারত ও পাকিস্তানের কমিউনিস্টরা এই স্লোগান দেয়। ইনকিলাব অর্থ বিপ্লব। আর জিন্দাবাদ মানে দীর্ঘজীবী হোক।

১৯২১ সালে একজন মুসলিম পণ্ডিত মাওলানা হাসরাত সোহানি এই স্লোগানের জন্ম দেন। তিনি ছিলেন ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের একজন বিশিষ্ট নেতা ও ভারতবর্ষে কমিউনিস্ট পার্টির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর আবিষ্কৃত এই স্লোগান ২০২৪-এর জুলাই অভ্যুত্থানে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় হয়। তাই খুব স্বাভাবিকভাবেই এনসিপির শেরেবাংলানগরের সমাবেশে এই স্লোগান উচ্চারিত হয়েছে। এই স্লোগানকে জনপ্রিয় করার ক্ষেত্রে পিনাকি ভট্টাচার্যের যথেষ্ট অবদান আছে। কিন্তু প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, এটি তো কমিউনিস্টদের স্লোগান। অবশ্য এ কথাও সত্য, ভারতবর্ষের স্বাধীনতাসংগ্রামে হিন্দু-মুসলমান, কংগ্রেস, অকংগ্রেসসহ সব স্বাধীনতাসংগ্রামীর স্লোগান ছিল ইনকিলাব জিন্দাবাদ। তা ছাড়া এনসিপিকে কোনো কোনো মহল ডানপন্থী, দক্ষিণপন্থী দল বলে চিহ্নিত করার চেষ্টা করলেও কার্যত এটি একটি মধ্যপন্থী দল হিসেবেই আত্মপ্রকাশ করেছে। এই দলে ডান, বাম, ইসলামপন্থী সব মত ও পথের ছাত্রদের সম্মিলন ঘটেছে। এ বিষয়ে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এনসিপির ১৭১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটিতে মধ্য, ডান, বাম, শিবির, কওমি, আদিবাসী ও ১৫ নারী স্থান পেয়েছেন। অর্থাত্ নারীর ক্ষমতায়নের প্রশ্নটি বিশেষভাবে বিবেচিত হয়েছে ছাত্রদের নবগঠিত দলে, যে দলের লক্ষ্য বিপ্লব। তাইতো স্লোগান হিসেবে নিয়েছে ইনকিলাব জিন্দাবাদ- বিপ্লব দীর্ঘজীবী হোক।

তরুণদের নিয়ে তারুণ্যনির্ভর এই দল শেষ পর্যন্ত কী করে, তা দেখার বিষয়। অতীতে তারুণ্যনির্ভর দল জাসদের পরিণতি দেশবাসী দেখেছে। এ ক্ষেত্রে কী হবে, তা সময়ই বলে দেবে।

লেখক : সাংবাদিক-কলামিস্ট।

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ

এই বিভাগের আরও খবর
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
তামাক নীতিমালা : সংকটে ভোক্তা অধিকার
তামাক নীতিমালা : সংকটে ভোক্তা অধিকার
তুম উধার হাম ইধার
তুম উধার হাম ইধার
সবার উপর একাত্তর, আমাদের স্বাধীনতা
সবার উপর একাত্তর, আমাদের স্বাধীনতা
অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক অনভিপ্রেত
অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক অনভিপ্রেত
দৃষ্টি এখন প্রধান উপদেষ্টার চীন সফরের দিকে
দৃষ্টি এখন প্রধান উপদেষ্টার চীন সফরের দিকে
চাপে চ্যাপটা শিল্পে খাঁড়ার ঘা
চাপে চ্যাপটা শিল্পে খাঁড়ার ঘা
সর্বশেষ খবর
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা

১৭ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

ছেলের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে মায়ের মৃত্যু
ছেলের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে মায়ের মৃত্যু

৬ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

বাড়তি ভাড়া আদায়, পরিবহনকে অর্ধলাখ টাকা জরিমানা
বাড়তি ভাড়া আদায়, পরিবহনকে অর্ধলাখ টাকা জরিমানা

১১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

২২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতে আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ২১
ভারতে আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ২১

৩৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

৪৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে আজ ব্যাংকক যাবেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে আজ ব্যাংকক যাবেন প্রধান উপদেষ্টা

৫৩ মিনিট আগে | জাতীয়

৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি কমলো ৪.৪১ শতাংশ
৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি কমলো ৪.৪১ শতাংশ

৫ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

৬ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিখোঁজ প্রতিবন্ধীর লাশ মিললো ডোবায়
নিখোঁজ প্রতিবন্ধীর লাশ মিললো ডোবায়

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টুঙ্গিপাড়ায় মাহেন্দ্র-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২
টুঙ্গিপাড়ায় মাহেন্দ্র-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জমি নিয়ে বিরোধে বোনের হাতে প্রাণ হারালো ভাই
জমি নিয়ে বিরোধে বোনের হাতে প্রাণ হারালো ভাই

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চাঁদপুরে দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার
চাঁদপুরে দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের তৃতীয় দিনে দেড় লাখ দর্শনার্থীতে মুখর চিড়িয়াখানা
ঈদের তৃতীয় দিনে দেড় লাখ দর্শনার্থীতে মুখর চিড়িয়াখানা

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে তরুণ নিখোঁজ
মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে তরুণ নিখোঁজ

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের দিন ঘুরতে বেরিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেফতার
ঈদের দিন ঘুরতে বেরিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেফতার

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!
১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কোস্টারিকার নোবেলজয়ী সাবেক প্রেসিডেন্টের মার্কিন ভিসা বাতিল
কোস্টারিকার নোবেলজয়ী সাবেক প্রেসিডেন্টের মার্কিন ভিসা বাতিল

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাউবি উপাচার্যের নাম ও ছবি ব্যবহার করে প্রতারণা, থানায় জিডি
বাউবি উপাচার্যের নাম ও ছবি ব্যবহার করে প্রতারণা, থানায় জিডি

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের আনন্দকে বাড়াতে যমুনার চরে ঘুড়ি উৎসব অনুষ্ঠিত
ঈদের আনন্দকে বাড়াতে যমুনার চরে ঘুড়ি উৎসব অনুষ্ঠিত

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজধানীতে দুই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ২
রাজধানীতে দুই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ২

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কুয়াকাটায় পর্যটকদের ভিড়
কুয়াকাটায় পর্যটকদের ভিড়

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস
শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাসমান স্কুলের উদ্ভাবক রেজোয়ান পেলেন ‘ইয়েল বিশ্ব ফেলোশিপ’
ভাসমান স্কুলের উদ্ভাবক রেজোয়ান পেলেন ‘ইয়েল বিশ্ব ফেলোশিপ’

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আশাশুনিতে নদীর ভাঙনরোধ ও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন
আশাশুনিতে নদীর ভাঙনরোধ ও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যে কারণে পরমব্রত’র সঙ্গে কৌশানীর অভিনয়ে আপত্তি ছিল বনির
যে কারণে পরমব্রত’র সঙ্গে কৌশানীর অভিনয়ে আপত্তি ছিল বনির

১১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

কালুরঘাটে রেল ও সড়ক সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ১৪ মে
কালুরঘাটে রেল ও সড়ক সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ১৪ মে

১২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে
নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
কফিতে মশগুল ব্রিটেনে পলাতক সাবেক মন্ত্রীরা!
কফিতে মশগুল ব্রিটেনে পলাতক সাবেক মন্ত্রীরা!

২৩ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে
নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা
গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন
ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ
সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা
লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা
গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার
আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে ন্যূনতম যে সংস্কার প্রয়োজন তা করতে হবে’
‘নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে ন্যূনতম যে সংস্কার প্রয়োজন তা করতে হবে’

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু
মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে আরও রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, বাড়ছে উত্তেজনা
মধ্যপ্রাচ্যে আরও রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, বাড়ছে উত্তেজনা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব
২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

৬ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন
সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!
১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মার্কিন প্রস্তাব মানতে নারাজ রাশিয়া
ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মার্কিন প্রস্তাব মানতে নারাজ রাশিয়া

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা
ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস
শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র
হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের
কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা
বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চট্টগ্রামে ৬ মাসে বন্ধ ৫২ কারখানা, কাজের আদেশ কমেছে ২৫ শতাংশ
চট্টগ্রামে ৬ মাসে বন্ধ ৫২ কারখানা, কাজের আদেশ কমেছে ২৫ শতাংশ

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হাসপাতালে, আছেন নিবিড় পর্যবেক্ষণে
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হাসপাতালে, আছেন নিবিড় পর্যবেক্ষণে

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিলেটে মধ্যরাতে বিএনপি-যুবদল সংঘর্ষ, আহত ১৫
সিলেটে মধ্যরাতে বিএনপি-যুবদল সংঘর্ষ, আহত ১৫

২২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্তে বিমসটেক সদস্যদের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ
বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্তে বিমসটেক সদস্যদের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের
ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রিন্ট সর্বাধিক
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে

সম্পাদকীয়

চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই
চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা

সর্বত্র ভোটের আলোচনা
সর্বত্র ভোটের আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া
সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত
ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত

প্রথম পৃষ্ঠা

উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়
উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়

পেছনের পৃষ্ঠা

শাকিবের প্রশংসায় বুবলী
শাকিবের প্রশংসায় বুবলী

শোবিজ

৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের
৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের

প্রথম পৃষ্ঠা

রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা
রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা

নগর জীবন

ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড
ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড

মাঠে ময়দানে

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই

সম্পাদকীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল
ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়
ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়

প্রথম পৃষ্ঠা

গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে
গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে

প্রথম পৃষ্ঠা

কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন
কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে
বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব
মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব

দেশগ্রাম

চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা
চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন
মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন

প্রথম পৃষ্ঠা

বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ
বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ

দেশগ্রাম

আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা
আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা

রকমারি নগর পরিক্রমা

ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ
ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪
দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪

পেছনের পৃষ্ঠা

ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট
ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট

পেছনের পৃষ্ঠা

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন
নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন
নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন

পূর্ব-পশ্চিম

দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার
দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার

দেশগ্রাম

ঈদে প্রাণ ফিরেছে পর্যটনে
ঈদে প্রাণ ফিরেছে পর্যটনে

নগর জীবন