দ্রুত এবং সহজ করার ফলে ২০২৪ সালের ৯ সেপ্টেম্বর থেকে ১১ লাখের বেশি ব্যক্তি করদাতা অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দিয়েছেন। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য মতে, যা বছরের মোট জমা দেওয়া রিটার্নের চার ভাগের এক ভাগ। এনবিআরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত করদাতারা ই-রিটার্ন পোর্টাল ব্যবহার করে ৯৫ কোটি ৯০ টাকার কর পরিশোধ করেছেন। এই বছর অনলাইনে ২০ লাখের বেশি কর রিটার্ন জমা হবে বলে আশা করছেন কর কর্মকর্তারা। সরকারি তথ্য অনুসারে, প্রায় ১৬ লাখ করদাতা কর রিটার্ন দাখিলের জন্য ই-রিটার্ন পোর্টালে নিবন্ধিত হয়েছেন। এ বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান বলেন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ এবং জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের মতো উন্নত পোর্টালগুলোর মাধ্যমে অনলাইনে রিটার্ন জমার ব্যবস্থাটি সুষ্ঠুভাবে চলছে। তিনি আরও বলেন, আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় সিস্টেমে কোনো সমস্যার বিষয়ে আমরা এখন পর্যন্ত কোনো বড় অভিযোগ পাইনি। জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) যাচাইকরণের মতো কিছু ক্ষেত্রে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) অ্যাক্সেস পাওয়ার ক্ষেত্রে সম্ভাব্য যে কোনো বাধা এড়াতে ই-মেইল যাচাইকরণ চালু করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ), বাংলাদেশ টেলিকম রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি), আইবিএএস++ এবং সঞ্চয়পত্র এনবিআরের অধীনে অনলাইন ট্যাক্স রিটার্ন দাখিলের সঙ্গে যুক্ত। কিছু কর কর্মকর্তা বলেছেন, বিক্ষিপ্তভাবে সংযোগ স্থাপনের পরিবর্তে মসৃণ অ্যাক্সেস এবং তথ্য বিনিময়ের জন্য একটি জাতীয় বা কেন্দ্রীয় পোর্টাল প্রয়োজন। দক্ষ আন্তঃকার্যক্ষমতা সিস্টেমটিকে দ্রুততর করতে পারে যাতে আরও বেশি করদাতা অনলাইনে ট্যাক্স রিটার্ন জমা দিতে পারেন। ব্যক্তিগত করদাতাদের ট্যাক্স রিটার্ন দাখিলের সময় চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি শেষ হওয়ার কথা। বর্তমানে করদাতা ১ কোটিরও বেশি টিআইএনধারীর (করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর) মধ্য থেকে আয়কর রিটার্ন দাখিল করেন অনেক কম। ২০২৪ সালের ৮ সেপ্টেম্বর, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ব্যক্তিগত করদাতাদের ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সুবিধার্থে একটি আপগ্রেডেড অনলাইন ট্যাক্স রিটার্ন সিস্টেম পুনরায় চালু করে। ব্যক্তিগত করদাতাদের রিটার্ন জমা দেওয়া, কর সনদ অর্জন এবং কর রিটার্ন সনদ গ্রহণের জন্য ই-ফাইলিং প্ল্যাটফরম,www.etaxnbr.gov.bd চালু করেছে এনবিআর।