শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

বখতিয়ার খলজির পথে বারবার হেঁটেছে বাংলাদেশ

মো. আবুসালেহ সেকেন্দার
প্রিন্ট ভার্সন
বখতিয়ার খলজির পথে বারবার হেঁটেছে বাংলাদেশ

ইতিহাসের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হচ্ছে মানুষ ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয় না। ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি একইভাবে না ঘটলেও তার অন্তর্নিহিত কারণ ও শিক্ষা একই থাকে। তাই ইতিহাস বারবার ফিরে ফিরে আসে। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তির কথা সবার আগে সামনে আসবে। শেখ মুজিব থেকে শেখ হাসিনা- ইতিহাস যেন একই পথে হেঁটেছে। শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতাপূর্ব জনপ্রিয়তার পারদ স্বাধীন বাংলাদেশে নড়বড়ে হয়ে যায়।  তিনি তাঁর শাসনামলের শেষ দিকে অনেকটা জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। কেন, কার বা কাদের কারণে তিনি জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিলেন, সেই ইতিহাস থেকে শিক্ষা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা নিয়েছেন বলে মনে হয়নি। তাদের অনেকের কার্যক্রম দেখে বখতিয়ার খলজির পথে বারবার হেঁটেছে বাংলাদেশ মনে হয় ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত পুনরায় সরকার গঠনের পূর্ব পর্যন্ত দিনগুলোর চিত্রও তারা ১৯৯৬ সালে এবং ২০০৮ সালে ক্ষমতা গ্রহণ করার পর বেমালুম ভুলে যায়। ১৯৯৬ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত সময়ে তাদের শাসনকালের ইতিহাস ঘাঁটলে সেই কথার সত্যতা পাওয়া যাবে। যার পরিণতিতে ২০০১ সালে তাদের আবারও ক্ষমতা হারাতে হয়।

সৃষ্টিকর্তা আবারও আওয়ামী লীগের প্রতি মুখ তুলে চেয়েছিলেন ২০০৮ সালে। সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় বসে। কিন্তু সেই ক্ষমতা গ্রহণের পর তারা গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে চরমভাবে ব্যর্থ হয়। সীমিত পরিসরের গণতান্ত্রিক ধারায় আওয়ামী লীগের গাড়ি আটকে যায়। সেই আটকানোর পরিণতি কতটা ভয়াবহ পতন ডেকে আনতে পারে, তা সারা বিশে^র মানুষ দেখেছে গত বছরের জুলাই-আগস্টে। ছাত্র-জনতার তীব্র আন্দোলনে আওয়ামী লীগের সাজানো বাগান তছনছ হয়ে গেছে। তারা  ছিটকে পড়ে ক্ষমতার বাইরে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতাসংগ্রামে নেতৃত্বদানকারী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা আজ গণহত্যায় বিচারের মুখোমুখি। অতি আত্মবিশ^াস ও আত্মন্ডঅহংকার আওয়ামী লীগের এই পরিণতির জন্য দায়ী।

শুধু আওয়ামী লীগের ক্ষেত্রে এই কথা প্রযোজ্য নয়। বাংলাদেশের অপরাপর রাজনৈতিক দলের খানা তল্লাশি করলেও একই পরিণতির শিক্ষা পাওয়া যায়। ক্ষমতার বাইরে থাকলে তাদের অনেকের এক রূপ, আর ক্ষমতায় গেলে তাদের অনেকের ভিন্ন রূপ চোখে পড়ে। ক্ষমতা যেন তাদের অন্ধ করে দেয়। তখন অনেকেই ধরাকে সরা জ্ঞান করেন না। ফলে তার পরিণতিতে পতন ঘটে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলের কর্মী-সমর্থকদের অনেকেই ক্ষমতার পট পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে তাদের অতীতকে ভুলে যান। তাদের বয়ান তারা পাল্টে ফেলেন।

যদিও তারা মুহাম্মদ বখতিয়ার আল খলজি থেকে শিক্ষা নিতে পারতেন। ১২০৪ সালে বখতিয়ার খলজি বাংলার তৎকালীন শাসক রাজা লক্ষ্মণ সেনের শাসিত নদীয়ায় বিজয়ী বেশে প্রবেশ করেন। এর মাত্র দুই বছর পর অর্থাৎ ১২০৬ সালে তাঁকে ইতিহাস সেরা পরাজয়ের মুখোমুখি হতে হয়। ১২০৪ সালে নদীয়া বিজয়ের কারণে বখতিয়ার খলজির সঙ্গে থাকা সৈন্যরা ও তাঁর পরিবারের চোখে তিনি নায়ক ছিলেন। কিন্তু মাত্র দুই বছরের মধ্যে তাঁর তিব্বত অভিযান ব্যর্থ হলে তিনি তাঁদের কাছে খলনায়কে পরিণত হন। ঐতিহাসিক মিনহাজ উদ্দিন সিরাজ তাঁর ‘তবকাত নাসিরি’ গ্রন্থে লিখেছেন : তিব্বত অভিযান থেকে পরাজিত হয়ে দেওকোটে ফেরত আসার পর বখতিয়ার খলজি অত্যধিক মানসিক যন্ত্রণায় রোগাক্রান্ত হয়ে পড়েন। তিব্বত অভিযানে নিহত সৈন্যদের স্ত্রী ও সন্তানদের সঙ্গে দেখা হলে তিনি লজ্জায় ঘোড়ায় চড়া থেকে বিরত থাকতেন।

মিনহাজের উপর্যুক্ত দাবি থেকে মনে হতে পারে যে বখতিয়ার খলজি তিব্বত অভিযানে নিহত সৈন্যদের স্ত্রী ও সন্তানদের প্রতি সম্মানার্থে ঘোড়ায় চড়তেন না। কিন্তু প্রকৃত কারণ ছিল ভিন্ন। তাঁর পক্ষে প্রকৃতপক্ষে ঘোড়ায় চড়া সম্ভব হতো না। মিনহাজের লেখা থেকেই তা স্পষ্ট হয়। মিনহাজের মতে, যখনই বখতিয়ার খলজি ঘোড়ায় চড়তেন তখনই তিব্বত অভিযানে নিহত সৈন্যদের স্ত্রী-সন্তানরা ঘর ও রাস্তায় থাকা সব লোক যাদের অধিকাংশ নারী ও শিশু তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ করতেন। বখতিয়ার খলজিকে অভিশাপ দিতেন এবং গালিগালাজ করতেন। বাধ্য হয়ে তিনি ঘোড়ায় চড়তে পারতেন না। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে চলে যায় যে একসময় তিনি ঘর থেকেই আর বের হতেন না।

১২০৪ সালে যে বখতিয়ার খলজি নায়ক বেশে নদীয়া প্রবেশ করেন সেই বখতিয়ার খলজির অমন পরিণতির কারণ ছিল নদীয়া বিজয় তাঁকে উচ্চাভিলাষী করে তুলেছিল। পরাক্রমশীল লক্ষ্মণ সেনের বিরুদ্ধে মাত্র ১৭-১৮ জন সৈন্য নিয়ে বিশাল জয় পাওয়ায় তিনি আত্ম-অহংকার আত্মগরিমায় ভুগছিলেন। অতি আত্মবিশ^াসে তিনি তিব্বত অভিযানে যান এবং ওই অভিযানে তাঁর পুরো সেনাবাহিনী ধ্বংস হয়ে যায়। শতাধিক সৈন্য নিয়ে তিনি দেওকোটে ফিরে আসেন।

তিব্বতে অভিযানের আগে যে ধরনের গোয়েন্দা তথ্য দরকার ছিল তা বখতিয়ার খলজির কাছে ছিল না। তাঁর তিব্বত অভিযানের পুরো সামরিক রণনীতি ও রণকৌশল বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে যে তিনি তিব্বত সম্পর্কে খুব বেশি জানতেন না। ফলে প্রকৃতি ও জনপ্রতিরোধে পড়ে তাঁর পরাজয় ঘটে। আর তাঁর চূড়ান্ত পরাজয় কামরূপে নিশ্চিত হয়। তাঁর দুইজন আমিরের অন্তঃকলহের কারণে তিব্বতের পর কামরূপেও তাঁর পরাজয় ঘটে।

মিনহাজের বিবরণ থেকে জানা যায়, বখতিয়ার খলজি তিব্বত অভিযান থেকে ফেরত আসার পথ শত্রুমুক্ত রাখতে কৌশলগত সামরিক দিক দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিল হাকো সেতু পাহারায় দুজন আমিরকে প্রচুর সৈন্যসহ নিযুক্ত করেন। ওই আমিরের মধ্যে একজন ছিলেন তুর্কি দাস। অন্যজন ছিলেন খলজি আমির। বখতিয়ার খলজি তিব্বতের দিকে অগ্রসর হওয়ার পর ওই তুর্কি ও খলজি আমির নিজেদের মধ্যে বিবাদে জড়িয়ে পড়েন। ওই বিবাদ এমন পর্যায়ে পৌঁছে যায়, শেষ পর্যন্ত তা সামরিক সংঘাতে গড়ায়। ওই সংঘাতের ফলে তাঁরা গুরুত্বপূর্ণ সিল হাকো সেতু ও সেতুসংলগ্ন রাস্তার পাহারা ছেড়ে চলে যান। ওই সুযোগে কামরূপের রাজা পৃথু সেতুটি ধ্বংস করে দেন। ফলে তিব্বত অভিযান থেকে ব্যর্থ হয়ে ফিরে আসার পথে খলজির পক্ষে নির্বিঘ্নে দেওকোটে ফেরত আসা সম্ভব হয়নি। তিনি কামরূপের রাজা কর্তৃক আক্রান্ত হন। ওই আক্রমণের ফলে তাঁর পুরো সেনাবাহিনী ধ্বংস হয়ে যায়। কামরূপের রাজা পৃথুর হঠাৎ আক্রমণে শতাধিক সৈন্যসহ বখতিয়ার খলজি প্রাণরক্ষা করতে সক্ষম হন। ১০ হাজার সৈন্য নিয়ে তিনি তিব্বত অভিযানে যান। কিন্তু দেওকোটে ফিরে আসেন শতাধিক সৈন্যসহ। বাকিরা তিব্বত ও কামরূপে প্রাণ হারান।

১২০৪ সালের নদীয় বিজয়ের নায়ক বখতিয়ার খলজি মাত্র দুই বছরের মধ্যে ১২০৬ সালে খলনায়কে পরিণত হন। তাঁর ওই নায়ক থেকে খলনায়কে পরিণত হওয়ার ঘটনার মধ্যে রাজনীতিবিদদের জন্য ঐতিহাসিক শিক্ষা রয়েছে। কিন্তু ইতিহাসের ঘটনার পরম্পরা বলে বাংলাদেশের রাজনীতিবিদরা কখনো বখতিয়ার খলজির খলনায়কে পরিণত হওয়ার ঘটনা থেকে শিক্ষা নেননি। তাই বাংলাদেশের রাজনীতিতে ইতিহাসের শিক্ষার বারবার পুনরাবৃত্তি ঘটেছে।  একদা যিনি নায়ক হিসেবে জনতা কর্তৃক নন্দিত হয়েছেন, পরবর্তীকালে তিনিই আবার জনতার কাছে খলনায়কে পরিণত হয়ে নিন্দিত হয়েছেন। অপ্রিয় হলেও বাংলাদেশের ইতিহাস ঘাঁটলে উপর্যুক্ত কথার সত্যতা যেন বারবার যুগে যুগে ফিরে ফিরে এসেছে।

♦ লেখক : সহকারী অধ্যাপক, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

[email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক
ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পবিত্র ঈদুল ফিতর
ঈদুল ফিতরে করণীয়
ঈদুল ফিতরে করণীয়
সত্যিকার ঈদ আসুক জীবনে
সত্যিকার ঈদ আসুক জীবনে
রোহিঙ্গাদের আগামী ঈদ প্রসঙ্গ
রোহিঙ্গাদের আগামী ঈদ প্রসঙ্গ
বিএনপি-জামায়াত কি ভুল পথে হাঁটছে
বিএনপি-জামায়াত কি ভুল পথে হাঁটছে
সর্বশেষ খবর
গাজার ‘বিস্তীর্ণ এলাকা’ দখলে নিতে চায় ইসরায়েল
গাজার ‘বিস্তীর্ণ এলাকা’ দখলে নিতে চায় ইসরায়েল

এই মাত্র | পূর্ব-পশ্চিম

যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে দুর্ঘটনায় নিহত ২
যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে দুর্ঘটনায় নিহত ২

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

১৬ মিনিট আগে | রাজনীতি

বাড়তে পারে ঢাকার তাপমাত্রা
বাড়তে পারে ঢাকার তাপমাত্রা

১৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

২০ মিনিট আগে | জাতীয়

বগুড়ায় স্বাধীনতা কনসার্ট 'সবার আগে বাংলাদেশ'র ভেন্যু পরিদর্শন
বগুড়ায় স্বাধীনতা কনসার্ট 'সবার আগে বাংলাদেশ'র ভেন্যু পরিদর্শন

২০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

৩৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

৪৯ মিনিট আগে | জাতীয়

বায়ুদূষণে আজ ১৫তম ঢাকা
বায়ুদূষণে আজ ১৫তম ঢাকা

৫০ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলি হামলায় আরও ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত
ইসরায়েলি হামলায় আরও ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছেলের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে মায়ের মৃত্যু
ছেলের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে মায়ের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

বাড়তি ভাড়া আদায়, পরিবহনকে অর্ধলাখ টাকা জরিমানা
বাড়তি ভাড়া আদায়, পরিবহনকে অর্ধলাখ টাকা জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতে আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ২১
ভারতে আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ২১

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে আজ ব্যাংকক যাবেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে আজ ব্যাংকক যাবেন প্রধান উপদেষ্টা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি কমলো ৪.৪১ শতাংশ
৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি কমলো ৪.৪১ শতাংশ

৬ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

৭ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিখোঁজ প্রতিবন্ধীর লাশ মিললো ডোবায়
নিখোঁজ প্রতিবন্ধীর লাশ মিললো ডোবায়

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টুঙ্গিপাড়ায় মাহেন্দ্র-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২
টুঙ্গিপাড়ায় মাহেন্দ্র-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জমি নিয়ে বিরোধে বোনের হাতে প্রাণ হারালো ভাই
জমি নিয়ে বিরোধে বোনের হাতে প্রাণ হারালো ভাই

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চাঁদপুরে দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার
চাঁদপুরে দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের তৃতীয় দিনে দেড় লাখ দর্শনার্থীতে মুখর চিড়িয়াখানা
ঈদের তৃতীয় দিনে দেড় লাখ দর্শনার্থীতে মুখর চিড়িয়াখানা

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে তরুণ নিখোঁজ
মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে তরুণ নিখোঁজ

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের দিন ঘুরতে বেরিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেফতার
ঈদের দিন ঘুরতে বেরিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেফতার

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে
নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা
গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন
ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ
সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা
লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

৭ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার
আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা
গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু
মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে ন্যূনতম যে সংস্কার প্রয়োজন তা করতে হবে’
‘নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে ন্যূনতম যে সংস্কার প্রয়োজন তা করতে হবে’

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মধ্যপ্রাচ্যে আরও রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, বাড়ছে উত্তেজনা
মধ্যপ্রাচ্যে আরও রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, বাড়ছে উত্তেজনা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব
২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন
সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!
১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস
শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা
ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মার্কিন প্রস্তাব মানতে নারাজ রাশিয়া
ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মার্কিন প্রস্তাব মানতে নারাজ রাশিয়া

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র
হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের
কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা
বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চট্টগ্রামে ৬ মাসে বন্ধ ৫২ কারখানা, কাজের আদেশ কমেছে ২৫ শতাংশ
চট্টগ্রামে ৬ মাসে বন্ধ ৫২ কারখানা, কাজের আদেশ কমেছে ২৫ শতাংশ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিলেটে মধ্যরাতে বিএনপি-যুবদল সংঘর্ষ, আহত ১৫
সিলেটে মধ্যরাতে বিএনপি-যুবদল সংঘর্ষ, আহত ১৫

২৩ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হাসপাতালে, আছেন নিবিড় পর্যবেক্ষণে
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হাসপাতালে, আছেন নিবিড় পর্যবেক্ষণে

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের
ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে

সম্পাদকীয়

চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই
চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা

সর্বত্র ভোটের আলোচনা
সর্বত্র ভোটের আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া
সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়
উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়

পেছনের পৃষ্ঠা

ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত
ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত

প্রথম পৃষ্ঠা

ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড
ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড

মাঠে ময়দানে

শাকিবের প্রশংসায় বুবলী
শাকিবের প্রশংসায় বুবলী

শোবিজ

৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের
৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল
ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল

প্রথম পৃষ্ঠা

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই

সম্পাদকীয়

রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা
রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা

নগর জীবন

ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়
ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়

প্রথম পৃষ্ঠা

কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন
কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন

পেছনের পৃষ্ঠা

গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে
গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে
বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা
চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব
মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব

দেশগ্রাম

মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন
মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন

প্রথম পৃষ্ঠা

বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ
বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ

দেশগ্রাম

দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪
দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪

পেছনের পৃষ্ঠা

ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ
ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা
আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা

রকমারি নগর পরিক্রমা

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট
ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন
নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন
নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন

পূর্ব-পশ্চিম

দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার
দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার

দেশগ্রাম

ঈদে প্রাণ ফিরেছে পর্যটনে
ঈদে প্রাণ ফিরেছে পর্যটনে

নগর জীবন