শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

ভয় থেকে মুক্তি কবে ও কোন পথে

ফাইজুস সালেহীন
প্রিন্ট ভার্সন
ভয় থেকে মুক্তি কবে ও কোন পথে

চারপাশে ঘৃণা ও বিদ্বেষের চাষবাস হচ্ছে অবাধে। গ্রাম ও শহরে সাধারণ মানুষ ভীতসন্ত্রস্ত, কখন কোন কথা বলে বিপদে পড়তে হয়, তার কোনো ঠিক নেই। মানুষের সমাজে ঘৃণা-বিদ্বেষ নতুন নয়। ইতিহাসের ভাঁজে ভাঁজে এই বিষ ছিল। একশ্রেণির মানুষ শাস্ত্রের নামে, রাজনীতির নামে, ধর্মের নামে বিষবাষ্প অন্তরে বহন করেছে এবং বিষিয়েছে বাতাস। সবলের ওপর দুর্বলের জুলুম, কালোর ওপর সাদার শ্রেষ্ঠত্ব, ব্রাহ্মণ্যবাদ, নারী ও শিশুপীড়ন- এগুলো তো ছিলই কাল ও কালান্তরে। আবার এই মানুষই প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে অন্যায়ের বিরুদ্ধে এবং জয়যুক্ত হয়েছিল কিছুকালের জন্য হলেও। আবার পরিস্থিতি যেই কে সেই হয়ে গেছে।

ভয় থেকে মুক্তি কবে ও কোন পথেআইয়ামে জাহেলিয়ার যুগাবসানে আল্লাহর রসুল হজরত মুহাম্মদ (সা.) সত্যের বাণী নিয়ে আসেন। তিনি ত্যাগ, ক্ষমা ও ঔদার্যের পথে মানুষকে আহ্বান করেন শান্তির ধর্ম ইসলামের ছায়াতলে। বিদায় হজের ভাষণে তিনি ঘোষণা করেন, সাদাকালোর কোনো প্রভেদ নেই। পবিত্র কোরআনেও সমাজে অশান্তি সৃষ্টি না করতে তাগিদ দেওয়া হয়েছে। একাধিক আয়াতে সতর্ক করা হয়েছে। কিন্তু মহানবী (সা.)-এর উম্মত হওয়া সত্ত্বেও আমাদের মধ্যে, আমাদের সমাজে আমরা এমন অনেকে আছি, যারা মুখে যে জীবনবিধানের কথা বলি, কার্যক্ষেত্রে করি তার উল্টো। ধর্মের কথা বলে অধর্ম করি, গণতন্ত্রের কথা বলে অগণতন্ত্রের পথ প্রশস্ত করি, বাক ও ব্যক্তির স্বাধীনতার কথা বলে দুটোই হরণ করি। নিজের ভিতরে লুকিয়ে থাকা দুর্মতির কাছে সুমতিকে সমর্পণ করে দিই অবলীলায়।

জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সাধারণ মানুষের মনে যে আশা জেগেছিল গত ছয় মাসে তার অনেকটাই যে মলিন হয়ে এসেছে, তা অস্বীকার করা কঠিন হয়ে পড়েছে। দেশের বিরাজমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো নয়। জুলাই ও আগস্টের দেয়াললিখনগুলো পাঠ করলেও সেই সময়ের জনপ্রত্যাশার ধরনটা বেশ বুঝতে পারা যায়। একটি দেয়াললিখন দেখলাম, কাঁচা হাতে ছেলেরা লিখেছেন, ‘ভালো মানুষ, ভালো দেশ, স্বর্গভূমি বাংলাদেশ’। তার পাশেই লেখা রয়েছে, ‘আসুন নিজেদের সংস্কার করি’। দেয়ালে দেয়ালে যে ছেলেমেয়েরা এসব বাণী লিখে রেখেছেন, তাদের বেশির ভাগই এখন আর রাজপথে নেই, ওরা মবেও নেই। তারা সরল বিশ্বাসে উত্তাল দিনগুলোতে ভয়কে জয় করে এসব সুবচন দেয়ালে উৎকীর্ণ করেছিলেন।

জানি না, সরকারিভাবে দেয়ালচিত্রের যে অ্যালবাম বানানো হয়েছে, সেখানে এই স্বপ্নগুলোও ছাপা হয়েছে কিনা। হয়ে থাকলে বর্তমান ও অনাগত দিনের নীতিনির্ধারকদের এগুলো বারবার পাঠ করা উচিত। দুনিয়া কাঁপানো জুলাই সংগ্রামের দিনগুলোতে দেয়ালে দেয়ালে অত্যাচারী শাসক ও তার সহযোগীদের বহু বিচিত্র কার্টুন আঁকা হয়েছে, সুন্দর সুন্দর ক্যাপশন লেখা হয়েছে। ইতিহাস সংরক্ষণের জন্য সেগুলোর গুরুত্ব অনস্বীকার্য। কিন্তু বিচ্ছিন্ন-বিক্ষিপ্তভাবে যে আশার বচন আঁকা হয়েছিল প্রাচীরগাত্রে সেগুলো নিজেদের মনের দেয়ালে অমোচনীয় কালি দিয়ে লিখে রাখা দরকার।

ভালো মানুষের সমাজকে আমাদের বানিয়ে দেবে, আমরা নিজেরা যদি তা না বানাই! গত সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দেশের বরেন্য শিল্পী ইমিরেটাস অধ্যাপক রফিকুন নবীকে চারুকলায় অনুষ্ঠানের মঞ্চে উঠতে দেওয়া হয়নি। লজ্জিত, অপমাণিত শিল্পী অনুষ্ঠানস্থলে না গিয়ে ফিরে এসেছেন। রনবী নামে সমধিক পরিচিত এই শিল্পীকে মঞ্চে তুলতে নিষেধ করে নাকি বার্তা পাঠিয়েছিলেন ঢাকা বিশবিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য।

তিনি ছিলেন ওই অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি। কিন্তু এই বর্ষীয়ান ও স্বনামধন্য শিল্পীকে ডেকে নিয়ে অসম্মান করা হলো কেন? আর সহ-উপাচার্য নিজেও তো একজন শিক্ষক, তিনি আরেকজন সিনিয়র শিক্ষককে অসম্মান করলেন কেমন করে? রফিকুন নবীর সঙ্গে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের পুত্র প্রকৌশলী ময়নুল আবেদীনও ওই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেননি। যত দূর জানি, শিল্পী রফিকুন নবী চারুকলা ইনস্টিটিউটের প্রথম ব্যাচের কৃতী শিক্ষার্থী ছিলেন। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে নিজের প্রতিষ্ঠানেই তাঁকে অসম্মানিত হতে হলো। এর পেছনে স্পষ্টতই রয়েছে আল মাহমুদের ভাষায় বিশবিদ্যালয়ের কোনো না কোনো ‘প-িত’ শ্রেণি। আজ কী হচ্ছে শিক্ষাঙ্গনের সদরে ও অন্দরে? রাজনীতির নামে, অপছন্দের সংস্কৃতি রুখে দেওয়ার বাহানায় কী চলছে শহর ও গ্রাম জনপদে। বিবিসির খবর; লালন উৎসব হতে দেওয়া হয়নি, নাট্য সপ্তাহ পালন করতে দেওয়া হয়নি, বসন্ত উৎসব হতে দেওয়া হয়নি, ঘুড়ি উৎসবেও বাধা এসেছে। এমনকি একটি গ্রামে হিজড়া-হকারদের প্রবেশ ও বাদ্যযন্ত্র বাজানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। অমর একুশের বইমেলাও রেহাই পায়নি মবোক্র্যাসির কবল থেকে।

৫ আগস্টের অব্যবহিত পরের দিনগুলোতে দেশের বিভিন্ন স্কুল ও কলেজে ছেলেমেয়েরা যখন শিক্ষক ও শিক্ষিকাদের কারও কারও গলায় জুতার মালা পরিয়ে দিতে শুরু করল, যখন বাড়িঘর পোড়ানো শুরু হলো, যখন ক্যাম্পাসে মানসিক প্রতিবন্ধী তরুণকে চোর সাজিয়ে মেরে তক্তা বানিয়ে হত্যা করা হলো, আমরা তখন সোহাগ করে এসবের নাম দিলাম, মব জাস্টিস। মব অর্থই যেখানে উচ্ছৃঙ্খল জনতা, সেখানে জাস্টিস আসে কেমন করে! এখন বলা হচ্ছে ‘মব করা’ আর এই কলামে বলা হলো, মবোক্র্যাসি। ডেমোক্র্যাসিকে আঁতে মেরে দেওয়ার জন্য মবোক্র্যাসির মতো অব্যর্থ বিষের বড়ি আর হয় না। এর পেছনে খারাপ লোক ও বাজে পলিটিক্সের হাত থাকা বিচিত্র নয়।

এদিকে দেশের বিভিন্ন জায়গায়; মাঠপর্যায়ের প্রশাসন ও মাঠের রাজনীতি মুখোমুখি দাঁড়িয়ে যাচ্ছে। একটি উপজেলার খবর : ইউএনওর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা মানববন্ধন করেছেন। এর আগে স্থানীয় রাজনীতির একাংশ থেকে উপজেলা ঘেরাওয়ের কর্মসূচি দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগ; ইউএনও দুর্নীতিবাজ। নেতাদের তিনি অ্যাভয়েড করেন। পক্ষান্তরে ইউএনওর বক্তব্য; সিস্টেম করে বিনা টেন্ডারে বালুমহাল দেননি বলে ঘেরাওয়ের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। পরস্পরবিরোধী এই অভিযোগের দুটোই হয়তো সত্য অথবা অর্ধসত্য কিংবা সত্য নয়। তবে শেষের সত্য হলো, ওই ইউএনও বদলি হয়ে গেছেন। এ রকম আরও দুটো খবরের শিরোনাম পাঠ করা যাক। ১. অবশেষে কুষ্টিয়ার সেই ইউএও বদলি, ২. মোংলার ইউএনও বদলি। বদলিযোগ্য চাকরি; বদলি হতেই পারেন। কিন্তু এই বদলিগুলো হয়েছে স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে বিরোধের জেরে। খুবই তাৎপর্যপূর্ণ।

এই সংবাদ সন্দেশগুলো ক্যাম্পাসের হালফিল গরম নিঃশ্বাসে এরই মধ্যে বাসি হয়ে গেছে। বাংলাদেশ প্রতিদিনে প্রকাশিত এ-সংক্রান্ত খবরের শিরোনাম, ‘দফায় দফায় সংঘর্ষ’। একদিকে ছাত্রদল। আরেকদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। ছাত্রশিবিরও আছে। কুয়েটে পার্শ্ববর্তী গ্রাম থেকে জনসাধারণও নাকি ক্যাম্পাস সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছিলেন। সশস্ত্র মহড়াও দৃশ্যের বাইরে ছিল না। পরিস্থিতিদৃষ্টে আল মাহমুদের সেই কবিতার কয়েকটি লাইন পড়তে বড় ইচ্ছা হচ্ছে। তাহলে পড়া যাক; এরশাদ আমলে ক্যাম্পাস যখন রক্তাক্ত প্রান্তরে পরিণত হয়েছিল, যখন ছাত্ররাজনীতির নামে বিশবিদ্যালয়ে রক্তের হোলিখেলা চলছিল, তখন কবি মোনাজাত করেন,

‘তবু হে পরোয়ারদিগার

জানতে সাধ জাগে,

ঢাকা বিশবিদ্যালয় কি ডাকাতদের গ্রাম?’

এই কবিতা প্রকাশিত হলে সুশীলদের অনেকেই কবির নিন্দা করেছিলেন। কবিকে প্রতিক্রিয়াশীল আখ্যা দেওয়া হয়েছিল। কারণ উচিত কথা সবার পেটে হজম হয় না।

বিরাজমান ক্যাম্পাস পরিস্থিতিতে উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলের ফেসবুক পেজে আরাফাতুল ইসলাম নামের একজনের একটা স্ট্যাটাস পড়লাম। স্ট্যাটাসের অংশবিশেষ; ‘বর্তমানে পুলিশ প্রশাসন বিভক্ত। কোনো রাজনৈতিক দলের একক দৌরাত্ম্য নেই আপাতত, ডেডিকেটেড মারমুখী কর্মীর সংখ্যা কাছাকাছি পরিমাণের, সব মিলিয়ে ছাত্রদল-ছাত্রশিবির যদি মুখোমুখি হয়, নিশ্চিতভাবে বলা যায় কোনো পক্ষই সহজে পেছাবে না। উভয়ই নিজের অস্তিত্বের জ্ঞান করে মারামারি করবে। হয়তো ছাত্ররাজনীতির ইতিহাসে স্মরণকালের সর্বোচ্চ হতাহত ও লাশ দেখতে হবে এবার।’

যা হোক; এখন ছাত্ররা যে সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছেন, তার থিম সেøাগান হচ্ছে, ‘ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে।’ জনান্তিকে প্রশ্ন; ছাত্ররাজনীতির বিপক্ষে দাঁড়িয়ে যারা ক্যাম্পাসে সংঘাতে জড়ালেন, তারাও রাজনীতি করছেন না কি? নাকি এই পাল্টাপাল্টি মিছিল-সেøাগান ও সংঘাতের অর্ধেকটা রাজনৈতিক আর অর্ধেকটা অরাজনৈতিক? ইন্টারেস্টিং!

জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া যেসব সরল কিশোর-কিশোরী, তরুণ ও তরুণী বুকভরা আশা নিয়ে দেয়ালে লিখেছিলেন, ভালো মানুষ, ভালো দেশ, স্বর্গভূমি বাংলাদেশ, তারা আজ কী ভাবছেন? যখন ময়দানে পুলিশ ছিল না, তখন যে ছেলেমেয়েরা রাজপথে ট্রাফিকের ভূমিকায় নেমে গিয়েছিলেন, তাদের মনের অবস্থার কিছুটা প্রতিফলন রয়েছে উপরিল্লিখিত ফেসবুক বয়ানের মধ্যে।

অন্তর্বর্তী সরকার, বিভিন্ন সংস্কার কমিটির সদস্য, রাজনৈতিক দলগুলোর বড় একটা অংশ সংস্কারের ওপর সবিশেষ গুরুত্বারোপ করে চলেছে। সংবিধান সংস্কার কমিশন ধর্মনিরপেক্ষতার বদলে বহুত্ববাদ যুক্ত করার সুপারিশ করেছে। কার্যত বহু মত, বহু পথের সম্মিলন ছাড়া গণতন্ত্র অচল। কিন্তু শহর, গ্রাম ও ক্যাম্পাসে এখন যা চলছে, তার কোনোটার মধ্যে কি বহুত্ববাদী নীতির লেশমাত্র আছে? আজ সাধারণ মানুষ কথা বলতে ভয় পাচ্ছে, কোনো কোনো নাম উচ্চারণ করতে ভীতসন্ত্রস্তবোধ করেন। এমন তো হওয়ার কথা ছিল না। যুক্তরাষ্ট্রের ৩২তম প্রেসিডেন্ট ফ্রাংকলিন ডি. রুজভেল্টের ফোর ফ্রিডম তত্ত্বের কথা মনে পড়ে। তিনি স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের জন্য যে চারটি মৌলিক অধিকারের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছিলেন তার অন্যতম হলো, ভয় থেকে মুক্তি। ভয়ের সমাজে গণতন্ত্র বাঁচতে পারে না।

ভয় থেকে মুক্তি আমাদের মিলবে কবে, কোন শর্তে, কোন পথে?

♦ লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক 

e-mail: [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক
ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পবিত্র ঈদুল ফিতর
ঈদুল ফিতরে করণীয়
ঈদুল ফিতরে করণীয়
সত্যিকার ঈদ আসুক জীবনে
সত্যিকার ঈদ আসুক জীবনে
রোহিঙ্গাদের আগামী ঈদ প্রসঙ্গ
রোহিঙ্গাদের আগামী ঈদ প্রসঙ্গ
বিএনপি-জামায়াত কি ভুল পথে হাঁটছে
বিএনপি-জামায়াত কি ভুল পথে হাঁটছে
সর্বশেষ খবর
মার্চে ইন্টারনেটে ২৯৮ অপতথ্য ছড়িয়েছে: রিউমর স্ক্যানার
মার্চে ইন্টারনেটে ২৯৮ অপতথ্য ছড়িয়েছে: রিউমর স্ক্যানার

এই মাত্র | জাতীয়

গাজার ‘বিস্তীর্ণ এলাকা’ দখলে নিতে চায় ইসরায়েল
গাজার ‘বিস্তীর্ণ এলাকা’ দখলে নিতে চায় ইসরায়েল

৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে দুর্ঘটনায় নিহত ২
যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে দুর্ঘটনায় নিহত ২

২০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

২২ মিনিট আগে | রাজনীতি

বাড়তে পারে ঢাকার তাপমাত্রা
বাড়তে পারে ঢাকার তাপমাত্রা

২৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

২৬ মিনিট আগে | জাতীয়

বগুড়ায় স্বাধীনতা কনসার্ট 'সবার আগে বাংলাদেশ'র ভেন্যু পরিদর্শন
বগুড়ায় স্বাধীনতা কনসার্ট 'সবার আগে বাংলাদেশ'র ভেন্যু পরিদর্শন

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

৪১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

৫৫ মিনিট আগে | জাতীয়

বায়ুদূষণে আজ ১৫তম ঢাকা
বায়ুদূষণে আজ ১৫তম ঢাকা

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলি হামলায় আরও ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত
ইসরায়েলি হামলায় আরও ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছেলের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে মায়ের মৃত্যু
ছেলের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে মায়ের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

বাড়তি ভাড়া আদায়, পরিবহনকে অর্ধলাখ টাকা জরিমানা
বাড়তি ভাড়া আদায়, পরিবহনকে অর্ধলাখ টাকা জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতে আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ২১
ভারতে আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ২১

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে আজ ব্যাংকক যাবেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে আজ ব্যাংকক যাবেন প্রধান উপদেষ্টা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি কমলো ৪.৪১ শতাংশ
৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি কমলো ৪.৪১ শতাংশ

৬ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

৭ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিখোঁজ প্রতিবন্ধীর লাশ মিললো ডোবায়
নিখোঁজ প্রতিবন্ধীর লাশ মিললো ডোবায়

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টুঙ্গিপাড়ায় মাহেন্দ্র-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২
টুঙ্গিপাড়ায় মাহেন্দ্র-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জমি নিয়ে বিরোধে বোনের হাতে প্রাণ হারালো ভাই
জমি নিয়ে বিরোধে বোনের হাতে প্রাণ হারালো ভাই

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চাঁদপুরে দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার
চাঁদপুরে দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের তৃতীয় দিনে দেড় লাখ দর্শনার্থীতে মুখর চিড়িয়াখানা
ঈদের তৃতীয় দিনে দেড় লাখ দর্শনার্থীতে মুখর চিড়িয়াখানা

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে তরুণ নিখোঁজ
মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে তরুণ নিখোঁজ

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের দিন ঘুরতে বেরিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেফতার
ঈদের দিন ঘুরতে বেরিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেফতার

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে
নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা
গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন
ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ
সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা
লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

৭ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার
আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা
গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু
মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে ন্যূনতম যে সংস্কার প্রয়োজন তা করতে হবে’
‘নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে ন্যূনতম যে সংস্কার প্রয়োজন তা করতে হবে’

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মধ্যপ্রাচ্যে আরও রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, বাড়ছে উত্তেজনা
মধ্যপ্রাচ্যে আরও রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, বাড়ছে উত্তেজনা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব
২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন
সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!
১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস
শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা
ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মার্কিন প্রস্তাব মানতে নারাজ রাশিয়া
ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মার্কিন প্রস্তাব মানতে নারাজ রাশিয়া

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র
হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের
কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা
বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চট্টগ্রামে ৬ মাসে বন্ধ ৫২ কারখানা, কাজের আদেশ কমেছে ২৫ শতাংশ
চট্টগ্রামে ৬ মাসে বন্ধ ৫২ কারখানা, কাজের আদেশ কমেছে ২৫ শতাংশ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিলেটে মধ্যরাতে বিএনপি-যুবদল সংঘর্ষ, আহত ১৫
সিলেটে মধ্যরাতে বিএনপি-যুবদল সংঘর্ষ, আহত ১৫

২৩ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হাসপাতালে, আছেন নিবিড় পর্যবেক্ষণে
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হাসপাতালে, আছেন নিবিড় পর্যবেক্ষণে

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের
ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে

সম্পাদকীয়

চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই
চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা

সর্বত্র ভোটের আলোচনা
সর্বত্র ভোটের আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া
সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়
উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়

পেছনের পৃষ্ঠা

ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত
ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত

প্রথম পৃষ্ঠা

ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড
ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড

মাঠে ময়দানে

শাকিবের প্রশংসায় বুবলী
শাকিবের প্রশংসায় বুবলী

শোবিজ

৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের
৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল
ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল

প্রথম পৃষ্ঠা

রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা
রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা

নগর জীবন

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই

সম্পাদকীয়

ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়
ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়

প্রথম পৃষ্ঠা

কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন
কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন

পেছনের পৃষ্ঠা

গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে
গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা
চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে
বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব
মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব

দেশগ্রাম

মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন
মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন

প্রথম পৃষ্ঠা

বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ
বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ

দেশগ্রাম

দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪
দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪

পেছনের পৃষ্ঠা

ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ
ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা
আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা

রকমারি নগর পরিক্রমা

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট
ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন
নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন
নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন

পূর্ব-পশ্চিম

দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার
দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার

দেশগ্রাম

ঈদে প্রাণ ফিরেছে পর্যটনে
ঈদে প্রাণ ফিরেছে পর্যটনে

নগর জীবন