শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০০:২১, সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

প্রকৃতির নির্মম প্রতিশোধ! ঘর ভাঙার সংস্কৃতি

গোলাম মাওলা রনি
প্রিন্ট ভার্সন
প্রকৃতির নির্মম প্রতিশোধ! ঘর ভাঙার সংস্কৃতি

আমার প্রাথমিক অপরাধ ছিল- রাতের ভোটের প্রধান কারিগর সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার নূরুল হুদাকে নিয়ে একটি কলাম লেখা। নূ হুদার পঞ্চ সালের পাঁচালি শিরোনামে সহযোগী একটি জাতীয় দৈনিকে নিবন্ধ লেখার কারণে নূরুল হুদা আমার ওপর ভীষণ  খেপে যান। আমি অবশ্য সেই নিবন্ধে তার সম্পর্কে তেমন মন্দ কিছু বলিনি। বরং তিনি যে একজন ভালো মানুষ ছিলেন এবং আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় পান্ডারূপে ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে দলের পক্ষে তৃণমূলে গিয়ে কাজ করেছেন সেটাই উল্লেখ করেছিলাম। আমি বলেছিলাম যে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় তিনি আমার বাড়িতে মেহমান হয়েছিলেন এবং শেখ হাসিনার নির্দেশে আমার নির্বাচনে যথাসম্ভব সাহায্য-সহযোগিতার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করেছিলেন। সুতরাং তার সঙ্গে আমার একটি পারিবারিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল।

উল্লিখিত অবস্থায় তার কাছ থেকে ন্যায়বিচার, মানবিক আচরণ এবং সহযোগিতা পাওয়ার হক আমার ছিল। কিন্তু তিনি সেটা না করে শেখ হাসিনাকে রাতের ভোটের লোভ দেখিয়ে অথবা শেখ হাসিনার রাতের ভোটের প্রধান কারিগর অর্থাৎ চিফ ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে ইতিহাসের কলঙ্কময় একটি নির্বাচন আয়োজন করার পূর্বশর্ত হিসেবে আমার নির্বাচনি এলাকায় নিজের ভাগিনার নামে একটি মনোনয়ন বাগিয়ে নেন। শুধু তা-ই নয়, পুরো নির্বাচনের সময় তিনি তার প্রশাসনিক ক্ষমতা ব্যবহার করে আমার এবং আমার পরিবারের জীবন জাহান্নামে পরিণত করে দেন। ফলে নির্বাচন করার পরিবর্তে প্রাণে বেঁচে থাকার জন্য একমাত্র আল্লাহ ছাড়া আকুতি জানানোর জন্য আমার অন্য কোনো উপায় ছিল না।

নূরুল হুদাকে বাদ দিয়ে যখন হাবিবুল আউয়ালকে শেখ হাসিনা নিয়োগ দিলেন তখন আমি নূ হুদার পঞ্চ সালের পাঁচালি নামে একটি নিবন্ধ লিখেছিলাম। নিবন্ধ পাঠ করে নূরুল হুদার মাথা সম্ভবত গরম হয়ে গিয়েছিল অক্লান্ত পরিশ্রমএবং তার ভাগিনা অর্থাৎ রাতের ভোটের তথাকথিত সংসদ সদস্যের পেটের আবর্জনা মাথায় উঠে গিয়েছিল। তারা আমার গ্রামের বাড়িটি টার্গেট করে ওটাকে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার যে পরিকল্পনা করেছিলেন সেখানে পটুয়াখালী জেলার তৎকালীন ডিসি কামাল আহমেদ, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল কাইয়ুম এবং গলাচিপা উপজেলার ইউএনও আশিষ কুমার যেভাবে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন তার সঙ্গে চেঙ্গিস-হালাকুর ধ্বংসযজ্ঞের কী মিল ছিল তা সেদিনের ঘটনা বর্ণনা করলেই সম্মানিত পাঠক বুঝতে পারবেন।

২০২২ সালের ১৯ জুলাই সকালবেলা কোনো রকম পূর্বঘোষণা ছাড়াই জেলা প্রশাসন উপজেলা প্রশাসন কয়েকটি বুলডোজার নিয়ে আমার বাড়ির সামনে হাজির হয়। বাড়ি ভাঙার জন্য কয়েক শ হাতুড়ি বাহিনীকে ভাড়া করে আনা হয়। লুটপাটের জন্য আনা হয় আরও ২০-২৫ জন। ১৯৬০ সালের দখলিস্বত্ব, তিন পুরুষের বসতভিটায় নির্মিত ভবনে সংরক্ষিত বহু স্মৃতিময় আসবাব, টাকাপয়সা, সোনার গহনা, দলিলপত্র কোনো কিছু সরানোর জন্য সময় না দিয়ে যখন বুলডোজার চালানো হয় এবং একই সঙ্গে হাতুড়ি বাহিনী ও লুটেরারা তাণ্ডব শুরু করে তখন সেখানে বসবাসরত আমার ৭৫ বছর বয়সি অসুস্থ মা, ভাই, ভ্রাতৃবধূ ও দুটি শিশুকন্যা কোনোমতে প্রাণ নিয়ে দৌড়ে রাস্তায় নেমে হাজার হাজার মানুষের সামনে গগনবিদারী আহাজারি শুরু করে।

ঘটনার দিন আমি ছিলাম ঢাকায়। টেলিফোনে মায়ের কান্না শুনে আমার মাথায় বজ্রপাত শুরু হলো। আমার সাত বছর বয়সি ভাতিজি অর্ধ উন্মাদের মতো দৌড়াতে শুরু করল এবং ঘটনার আকস্মিকতায় মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলল। বাড়ির সামনে একটি ফার্মেসির দোকান চালাত আমার ছোট ভাই সরোয়ার। কোনো দিন রাজনীতি নিয়ে মাথা ঘামায়নি। সবকিছু হারিয়ে সে-ও অঝোরে কান্না শুরু করল, আমার স্ত্রী ১৯৮৬ সালে বধূরূপে ওই বাড়িতে এসেছিল। সে-ও হাউমাউ করে কান্না করে আমাকে কিংকর্তব্যবিমূঢ় বানিয়ে ফেলল। আমরা সাত ভাই, আমি ছাড়া অন্য কেউ আমার পরিচয়, আমার রাজনীতির মুখাপেক্ষী নয়। তারা সবাই চাকরিবাকরি, ব্যবসাবাণিজ্য করে খায় এবং কালেভদ্রে উৎসব-আয়োজনে গ্রামের পৈতৃক বাড়িতে বছরে দুই-তিনবার বেড়াতে যায়। আমার রাজনীতির কারণে তাদের সম্পত্তি নষ্ট বিশেষ করে আমার বৃদ্ধ মায়ের কান্না- তাদের যারপরনাই বেদনাহত করল। সবাই আমার স্ত্রীকে ফোন করে যেভাবে আহাজারি করল তার ফলে দুনিয়া মুহূর্তের মধ্যে আমার কাছে জাহান্নামে পরিণত হলো।

আমার মাকে আমি কোনো দিন কাঁদতে দেখিনি। হাসিখুশি, সহজসরল জীবনে অভ্যস্ত মা আমাদের ভাইদেরও কোনো দিন মারধর করেননি। আব্বার সঙ্গে কোনো দিন ঝগড়া করেননি। মায়ের চরিত্রের সঙ্গে বড় সন্তান হিসেবে আমার যেসব মিল রয়েছে সেগুলোর মধ্যে সহজে ভেঙে না পড়া, কান্নাকাটি না করা এবং কারও সঙ্গে দ্বন্দ্বফ্যাসাদে না জড়ানোর অভ্যাস অস্থিমজ্জায় মিশে থাকার কারণে ২০২২ সালের ১৯ জুলাই আমি কাঁদতে পারলাম না। কিন্তু আমি যেভাবে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়লাম, আমার বুকের মধ্যে যেভাবে হাহাকার শুরু হলো এবং হাত-পা অবশ হয়ে গেল তাতে করে মনে হলো- ইস! যদি চিৎকার করে একটু কাঁদতে পারতাম।

আমার আব্বা যথেষ্ট সচ্ছল ছিলেন। আমরাও আল্লাহর মেহেরবানিতে সবাই ভালো আছি। বাড়ির আর্থিক মূল্যের চেয়ে বহু গুণ অর্থ বহুবার ব্যবসায় লোকসান হয়েছে। রাজনীতিতে অনেক অর্থ ব্যয় করেছি। জাকাত-ফেতরা, দানখয়রাতেও আল্লাহ আমাকে অনেক সুযোগ দিয়েছেন। কাজেই বাড়ির আর্থিক মূল্য আমাদের কাউকে আহত করেনি। কিন্তু প্রকাশ্য দিবালোকে আমাদের তিন পুরুষের স্মৃতিবিজড়িত বাড়িটি যারা গুঁড়িয়ে দিয়েছেন, তারা যদি আমাদের হৃদয়ের হাহাকার, চোখের অশ্রু এবং সামাজিক অপমান ছাড়াও হঠাৎ আশ্রয়হীনতার অসহায় অনুভব বুঝতে পারতেন তবে সারা দুনিয়ার বিনিময়েও ওই কুকর্ম করতেন না।

আমাদের একটি বসতভিটার জন্য আমরা কেঁদেছি এবং এখনো কাঁদছি। আমাদের এই কান্না কেয়ামত পর্যন্ত চলতে থাকবে এবং রোজ হাশরে আমরা সপরিবারে আল্লাহর দরবারে নালিশ জানাব। দুনিয়াতে আমাদের আকুতি ক্ষণে ক্ষণে আমাদের আহত করে। আমাদের দৈনন্দিন সুখশান্তি ব্যাহত হয়। বাড়ির কথা স্মরণে এলে যে দীর্ঘশ্বাস বের হয়ে আসে তা পৃথিবীর আলোবাতাস ভেদ করে হয়তো আল্লাহর আরশে চলে যায়। আমি জানি না, সাবেক নির্বাচন কমিশনার নূরুল হুদা কোথায় আছেন, কেমন আছেন। তার ভাগিনা অথবা সেই ডিসি কামালের বর্তমান হালহকিকত কী? তবে তারা যে হালতেই থাকুন না কেন, আমরা সবাই তাদের চেয়ে ভালো আছি।

আমি নিয়তিতে বিশ্বাস করা মানুষ। আমি বিশ্বাস করি, মানুষ যদি নিজ হাতে প্রতিশোধ না নিয়ে মহান আল্লাহর ওপর বিচারের ভার দেন তবে দুনিয়ার ভারসাম্য প্রাকৃতিকভাবে সুসংহত থাকে। যদিও প্রতিশোধ গ্রহণের হক রয়েছে, তবু মানুষ সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও প্রতিশোধ না নিয়ে বিচারের ভার আল্লাহর হাতে ছেড়ে দিলে আসমান থেকে তখন ফয়সালা আসে যা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের অন্তরে শান্তির পরশ বুলিয়ে দেয় এবং তার উদারতা, আল্লাহভীতি এবং আল্লাহর প্রতি নির্ভরতার কারণে স্বয়ং আল্লাহ তাঁর মজলুম বান্দার জন্য উত্তম উকিল হিসেবে দুনিয়া ও আখিরাতে তার সফল কর্মের জিম্মাদার হয়ে যান।

উল্লিখিত বিশ্বাসের কারণে পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আমি প্রতিশোধপরায়ণ হইনি। আমার কর্মী-সমর্থক, আত্মীয়পরিজনকে অনুরোধ করেছি, কোনো অবস্থাতেই আমার প্রতি যারা জুলুম করেছে, তাদের বাড়িঘরে যেন সামান্য আঘাত করা না হয়। মামলা-মোকদ্দমা, হুমকিধমকির মতো কর্ম যেন আমার প্রতি অত্যাচার করা লোকজনের ওপর না হয়, তার জন্য সর্বোচ্চ ধৈর্য নিয়ে নিজেদের সংযত রেখেছি। আর এসব করার কারণে আমার অন্তরের শান্তি-নির্ভীক চলাফেরা, রিজিকে বরকত এবং পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে মানসম্মান ও মর্যাদা বৃদ্ধিতে কীভাবে নিয়ামক হিসেবে কাজ করছে, তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না।

আজকের এই দিনে আমার জীবনের একটি বিয়োগান্তক ঘটনা আপনাদের কাছে বর্ণনা করার মূল উদ্দেশ্য হলো, সারা দেশে ভাঙচুরের নামে যা হচ্ছে, তা কোনো অবস্থাতেই সমর্থনযোগ্য নয়। এসব কর্মে সমস্যা বাড়বে। শান্তি বিঘ্নিত হবে। সামাজিক শৃঙ্খলা ভেঙে পড়বে এবং হানাহানি-মারামারি, বাড়িতে বাড়িতে গৃহযুদ্ধে রূপ নেবে। যারা ভাঙচুরের উল্লাস নৃত্য করছেন তাদের পরিণতিও অতীতে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটানো দুর্বৃত্তদের মতো হবে। প্রতিটি ভাঙচুরের পেছনে যেমন জিঘাংসা, প্রতিশোধপরায়ণতা, লুটপাট, ডাকাতি, দখলবাজি এবং লোভলালসা থাকে তদ্রƒপ প্রতিটি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি পরিবারের একটি হাহাকার, আর্তচিৎকার এবং আহাজারি থাকে। বিশেষ করে কেউ যদি কারও দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে অথবা আল্লাহপ্রদত্ত ক্ষমতা, পদপদবির বড়াই করে মানুষের ইজ্জত-আবরু, বসবাসের স্থান অথবা কর্মসংস্থান ধ্বংসের জন্য উন্মাদনা শুরু করে তখন স্বয়ং আল্লাহ মজলুমের পক্ষে দাঁড়িয়ে যান, যদিও মজলুম হয়তো এককালে জালেম ছিল এবং তার জুলুমের ফলে নয়া জুলুম অনিবার্য হয়ে পড়েছে তবু নয়া জুলুমকারীরা দুনিয়া ও আখিরাতে আল্লাহর অভিশাপ থেকে রক্ষা পায় না।

প্রকৃতির আইন অনুযায়ী জালিমের পতনই মজলুমদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। দ্বিতীয়ত, মজলুমকে যদি ক্ষমতা দেওয়া হয় তবে তা জালিমের জন্য সবচেয়ে বড় লজ্জা-অপমান-মনঃকষ্ট ও শাস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু ক্ষমতা লাভের পর মজলুম যদি জালিমের মতো আচরণ শুরু করে তবে প্রকৃতির আইন নয়া জালিমের বিরুদ্ধে এবং সাবেক জালিম তথা নয়া মজলুমের পক্ষে চলে যায়। মানবজাতির হাজার হাজার বছরের ইতিহাসে প্রকৃতির উল্লিখিত আইন কোনো রকম ব্যত্যয় ছাড়া অক্ষরে অক্ষরে জমিনের বুকে মাইলফলক তৈরি করে রেখেছে। কিন্তু আফসোস আমরা ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিইনি।

লেখক : সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক

এই বিভাগের আরও খবর
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক
ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পবিত্র ঈদুল ফিতর
ঈদুল ফিতরে করণীয়
ঈদুল ফিতরে করণীয়
সত্যিকার ঈদ আসুক জীবনে
সত্যিকার ঈদ আসুক জীবনে
রোহিঙ্গাদের আগামী ঈদ প্রসঙ্গ
রোহিঙ্গাদের আগামী ঈদ প্রসঙ্গ
বিএনপি-জামায়াত কি ভুল পথে হাঁটছে
বিএনপি-জামায়াত কি ভুল পথে হাঁটছে
সর্বশেষ খবর
গাজার ‘বিস্তীর্ণ এলাকা’ দখলে নিতে চায় ইসরায়েল
গাজার ‘বিস্তীর্ণ এলাকা’ দখলে নিতে চায় ইসরায়েল

এই মাত্র | পূর্ব-পশ্চিম

যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে দুর্ঘটনায় নিহত ২
যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে দুর্ঘটনায় নিহত ২

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

১৬ মিনিট আগে | রাজনীতি

বাড়তে পারে ঢাকার তাপমাত্রা
বাড়তে পারে ঢাকার তাপমাত্রা

১৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

২০ মিনিট আগে | জাতীয়

বগুড়ায় স্বাধীনতা কনসার্ট 'সবার আগে বাংলাদেশ'র ভেন্যু পরিদর্শন
বগুড়ায় স্বাধীনতা কনসার্ট 'সবার আগে বাংলাদেশ'র ভেন্যু পরিদর্শন

২০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

৩৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

৪৯ মিনিট আগে | জাতীয়

বায়ুদূষণে আজ ১৫তম ঢাকা
বায়ুদূষণে আজ ১৫তম ঢাকা

৫০ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলি হামলায় আরও ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত
ইসরায়েলি হামলায় আরও ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছেলের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে মায়ের মৃত্যু
ছেলের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে মায়ের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

বাড়তি ভাড়া আদায়, পরিবহনকে অর্ধলাখ টাকা জরিমানা
বাড়তি ভাড়া আদায়, পরিবহনকে অর্ধলাখ টাকা জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতে আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ২১
ভারতে আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ২১

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে আজ ব্যাংকক যাবেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে আজ ব্যাংকক যাবেন প্রধান উপদেষ্টা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি কমলো ৪.৪১ শতাংশ
৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি কমলো ৪.৪১ শতাংশ

৬ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

৭ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিখোঁজ প্রতিবন্ধীর লাশ মিললো ডোবায়
নিখোঁজ প্রতিবন্ধীর লাশ মিললো ডোবায়

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টুঙ্গিপাড়ায় মাহেন্দ্র-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২
টুঙ্গিপাড়ায় মাহেন্দ্র-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জমি নিয়ে বিরোধে বোনের হাতে প্রাণ হারালো ভাই
জমি নিয়ে বিরোধে বোনের হাতে প্রাণ হারালো ভাই

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চাঁদপুরে দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার
চাঁদপুরে দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের তৃতীয় দিনে দেড় লাখ দর্শনার্থীতে মুখর চিড়িয়াখানা
ঈদের তৃতীয় দিনে দেড় লাখ দর্শনার্থীতে মুখর চিড়িয়াখানা

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে তরুণ নিখোঁজ
মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে তরুণ নিখোঁজ

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের দিন ঘুরতে বেরিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেফতার
ঈদের দিন ঘুরতে বেরিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেফতার

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে
নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা
গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন
ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ
সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা
লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

৭ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার
আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা
গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু
মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে ন্যূনতম যে সংস্কার প্রয়োজন তা করতে হবে’
‘নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে ন্যূনতম যে সংস্কার প্রয়োজন তা করতে হবে’

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মধ্যপ্রাচ্যে আরও রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, বাড়ছে উত্তেজনা
মধ্যপ্রাচ্যে আরও রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, বাড়ছে উত্তেজনা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব
২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন
সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!
১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস
শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা
ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মার্কিন প্রস্তাব মানতে নারাজ রাশিয়া
ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মার্কিন প্রস্তাব মানতে নারাজ রাশিয়া

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র
হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের
কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা
বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চট্টগ্রামে ৬ মাসে বন্ধ ৫২ কারখানা, কাজের আদেশ কমেছে ২৫ শতাংশ
চট্টগ্রামে ৬ মাসে বন্ধ ৫২ কারখানা, কাজের আদেশ কমেছে ২৫ শতাংশ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিলেটে মধ্যরাতে বিএনপি-যুবদল সংঘর্ষ, আহত ১৫
সিলেটে মধ্যরাতে বিএনপি-যুবদল সংঘর্ষ, আহত ১৫

২৩ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হাসপাতালে, আছেন নিবিড় পর্যবেক্ষণে
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হাসপাতালে, আছেন নিবিড় পর্যবেক্ষণে

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের
ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে

সম্পাদকীয়

চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই
চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা

সর্বত্র ভোটের আলোচনা
সর্বত্র ভোটের আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া
সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়
উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়

পেছনের পৃষ্ঠা

ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত
ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত

প্রথম পৃষ্ঠা

ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড
ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড

মাঠে ময়দানে

শাকিবের প্রশংসায় বুবলী
শাকিবের প্রশংসায় বুবলী

শোবিজ

৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের
৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল
ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল

প্রথম পৃষ্ঠা

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই

সম্পাদকীয়

রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা
রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা

নগর জীবন

ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়
ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়

প্রথম পৃষ্ঠা

কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন
কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন

পেছনের পৃষ্ঠা

গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে
গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে
বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা
চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব
মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব

দেশগ্রাম

মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন
মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন

প্রথম পৃষ্ঠা

বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ
বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ

দেশগ্রাম

দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪
দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪

পেছনের পৃষ্ঠা

ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ
ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা
আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা

রকমারি নগর পরিক্রমা

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট
ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন
নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন
নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন

পূর্ব-পশ্চিম

দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার
দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার

দেশগ্রাম

ঈদে প্রাণ ফিরেছে পর্যটনে
ঈদে প্রাণ ফিরেছে পর্যটনে

নগর জীবন