পটুয়াখালীর দুমকিতে কলেজছাত্রীকে তুলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় দুমকি থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশ মামলার অন্যতম আসামি সাকিব মুন্সীকে গ্রেফতার করেছে।
ভিকটিম কলেজছাত্রীকে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ওই কলেজ শিক্ষার্থী নিজ বাড়ি থেকে নানা বাড়ী যাওয়ার পথে একই গ্রামের মামুন মুন্সির বখাটে ছেলে সাকিব মুন্সী (১৯), সোহাগ মুন্সির ছেলে সিফাত মুন্সী (২০) ও মালেক মুন্সীর ছেলে ইমরান মুন্সী (১৯) জোরপূর্বক তাকে তুলে নিয়ে পার্শ্ববর্তী জলিল মুন্সীর নির্জন বাগানে পালাক্রমে ধর্ষণ করে এবং মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করে রাখে। ভিকটিমের ডাক চিৎকার দিলেও নির্জন এলাকা হওয়ায় কারও সাড়া পায়নি। এই ঘটনা কাউকে বললে ভিডিও ক্লীপ ও ছবি নেটে ছেড়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে তারা চলে যায়।
এ ঘটনায় ভিকটিম ওই কলেজ শিক্ষার্থী বাদী হয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দুমকি থানায় ধর্ষণ, নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করে। পুলিশ মামলা দায়েরের পর পরই প্রধান আসামি সাকিব মুন্সিকে গ্রেফতার করে। ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।
জানা গেছে, ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং আসামি সাকিব মুন্সীকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অপর আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।
বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ