-► এক ভদ্রমহিলা ভীষণ রেগেমেগে খেলনার দোকানে ঢুকলেন। সঙ্গে নিয়ে আসা খেলনাটা ফেরত দিয়ে বললেন, আমার টাকা ফেরত দিন! ফেরত নেন এই খেলনা।
বিক্রেতা বললেন, কেন, কী হয়েছে? এটা তো খুবই ভালো খেলনা।
ভদ্রমহিলা বললেন, এটা ভাঙে না কিন্তু এ খেলনা দিয়ে বাড়ি দিয়ে আমার ছেলে বাড়ির অন্য সব খেলনা ভেঙে ফেলেছে।
-► স্টেডিয়ামে খেলা চলছে। এর মধ্যে দেয়াল বেয়ে ওপরে ওঠার চেষ্টা করছে দুই দর্শক। দেখেই রেগেমেগে ছুটে গেলেন একটি দলের ম্যানেজার। অনিয়ম একদম সহ্য করতে পারেন না তিনি। সটান গিয়ে কলার চেপে ধরলেন দুজনের। তারপর টানতে টানতে আবার এনে বসালেন গ্যালারিতে, ‘এখানেই বসে থাকো। খেলা শেষ হতে এখনো পুরো বিশ মিনিট বাকি!’
-► মা : আজ স্কুলে কী করলে খোকা।
খোকা : ‘যেমন খুশি তেমন লিখো’ খেললাম।
মা : কিন্তু আজ না তোমার গণিত পরীক্ষা হওয়ার কথা?
খোকা : ওটার কথাই তো বলছি!
-► এক ভদ্রলোক তার ছেলেমেয়েদের নিয়ে চিড়িয়াখানায় গেছে বেড়াতে। বেড়াতে বেড়াতে এক কর্মকর্তার দেখা পেয়ে বলল, ‘আচ্ছা ভাই, খবর পেলাম এক গন্ডার নাকি ৭টা বাচ্চা দিয়েছে। সেই খাঁচাটা কোন দিকে?’ কর্মকর্তা ভদ্রলোকের দিকে তাকিয়ে থেকে উত্তর দিল, ‘ভাই, আপনি কিছুক্ষণ এখানে দাঁড়ান। গন্ডারই আপনাকে দেখতে আসছে।’
-► প্রবীণ লেখক : তোমার হাতের লেখা বড্ড খারাপ, গল্পটা পড়তে পারিনি ভাই। টাইপ করে দিলেই পারতে।
তরুণ লেখক : টাইপ করতে জানলে কি আর গল্প লিখে সময় নষ্ট করতাম।
-► প্রথম ব্যক্তি : তুমি কেন গাড়িটি চুরি করেছিলে?
দ্বিতীয় ব্যক্তি : আমি দেখেছিলাম গাড়িটি একটি কবরখানার বাইরে দাঁড় করানো। তাই ভেবেছিলাম গাড়ির মালিকের আর এটা হয়তো দরকার নেই।
-► শিক্ষক : লেখো, ৫৫।
ছাত্র : লিখতে পারি না, স্যার।
শিক্ষক : একটা ৫-এর পাশে আরেকটা ৫ লেখো।
ছাত্র : একটা তো লিখলাম, স্যার, আরেকটা কোন পাশে লিখব?
সংগ্রহ : জহিরুল ইসলাম, মদন, নেত্রকোনা