ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলায় মিলেনিয়াম সিটি, শতরূপা হাউজিং ও মধু সিটিতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। এসব হাউজিংয়ে জলাশয়, কৃষিজমি ও বন্যাপ্রবাহ অঞ্চল ভরাট করে ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এ স্থানে ছয়টি ভবন, মিটারসহ খালি বিদ্যুৎ খুঁটি অপসারণ করেন সংস্থাটির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. কামরুল ইসলাম। গতকাল গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কেরানীগঞ্জের মিলেনিয়াম সিটি, শতরূপা হাউজিং ও মধু সিটি কর্তৃক টোটাইল ও ঘাটারচর মৌজাস্থিত বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনায় (২০২২-২০৩৫) জলস্রোত এলাকা হিসেবে চিহ্নিত। একইসঙ্গে জলাশয়, কৃষিজমি, বন্যাপ্রবাহ অঞ্চল (জলকেন্দ্রিক পার্ক) যা টোটাইল বিল নামে পরিচিত। এ এলাকার কৃষিজমি ও জলাধার রক্ষার স্বার্থে পরিবেশবাদী সংগঠন বেলা কর্তৃক মহামান্য হাই কোর্ট ডিভিশনে রিট পিটিশন দায়ের করে। যার আলোকে মহামান্য হাই কোর্ট ডিভিশন গত বছরের ২৮ জানুয়ারি ওই হাউজিংয়ের সব কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞার রায় দেন।
হাই কোর্টের রায় বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. কামরুল ইসলাম উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে ছয়টি ভবন ও একটি লোহার ব্রিজ ভেঙে ফেলা হয়। এ ছাড়া ৬০-৭০টি তারবিহীন খালি বিদ্যুৎ খুঁটি অপসারণ এবং ছয়টি মিটার জব্দ করা হয়। একইসঙ্গে একটি ড্রেজার মেশিন ও একটি বুস্টার মেশিন ভেঙে দেওয়া হয়। বিভিন্ন প্লটের সীমানাপ্রাচীর ভেঙে দেওয়া হয়েছে।
এ অভিযানে প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মো. আশরাফুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে আরও উপস্থিত ছিলেন অঞ্চল-৫ পরিচালক মো. হামিদুল ইসলাম, উপ-নগর পরিকল্পনাবিদ নবায়ন খীসা, মুস্তাফিজুর রহমান, রওনক জাহান, অথরাইজ্ড অফিসার মো. মেহেদী হাসান খানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।