শিরোনাম
প্রকাশ: ০৭:৫৩, শনিবার, ০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

আর্থিক লেনদেন ও মুমিনের দায়িত্ব

ড. ইকবাল কবীর মোহন
অনলাইন ভার্সন
আর্থিক লেনদেন ও মুমিনের দায়িত্ব

হিসাববিজ্ঞানের ভাষায়, আর্থিক লেনদেন বলতে এমন একটি ব্যাবসায়িক ঘটনাকে বোঝায়, যেটিকে অবশ্যই অর্থের মাপকাঠিতে পরিমাপ করা সম্ভব। এই লেনদেন কর্মকাণ্ড ব্যবসা বা কারবারের কর্মকাণ্ড ও আর্থিক অবস্থার ওপর প্রভাব ফেলে। মূলত অর্থের সঙ্গে সম্পর্ক আছে—এমন লেনদেনকেই আর্থিক লেনদেন বলা হয়। 

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে আর্থিক লেনদেন একটি অপরিহার্য বিষয়।

সারা দিন আমরা কোনো না কোনোভাবে আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে জড়িত আছি। জীবন পরিচালনার জন্য নানা জিনিস ও পণ্য আমাদের সংগ্রহ করতে হয় অথবা কোনো না কোনো সেবা আমাদের গ্রহণ করতে হয়। আর এসবের সঙ্গে অর্থের সম্পর্ক রয়েছে। অর্থের বিনিময়ে আমরা কোনো না কোনো জিনিস ক্রয় করি।

যেমন—খাবারদাবার, পোশাক, ওষুধ ইত্যাদি। আবার অনেক সময় নানা রকম সেবাও গ্রহণ করি। যেমন ঘরের লাইট নষ্ট হয়েছে বা পানির কল খারাপ হয়েছে তা ঠিক করার জন্য মিস্ত্রির সহায়তা নেই। তাকে পারিশ্রমিক দিই।

এখানে সেবার বিনিময়ে অর্থের লেনদেন হয়। আর এসবই আর্থিক লেনদেনের অন্তর্ভুক্ত।
আর্থিক লেনদেন ও মুমিনের পরিচয় : সামাজিক জীব হিসেবে আমাদের একে অন্যের সাহায্য-সহযোগিতা নিয়েই বেঁচে থাকতে হয়। ফলে মানুষের সঙ্গে আমাদের প্রায়ই অনেক ধরনের আর্থিক লেনদেন হয়ে থাকে। সাধারণভাবে এই লেনদেনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, আমানতদারিতা ও সততা হলো অন্যতম একটি মাপকাঠি।

যার লেনদেন স্বচ্ছ তিনিই সমাজে সৎ ও সততার অধিকারী। ইসলামেও লেনদেনকে ধার্মিকতা মাপকাঠি ধরা হয়েছে। একজন মুমিনকে অবশ্যই লেনদেনে সৎ ও স্বচ্ছ থাকতে হবে। সময়মতো লেনদেন সম্পন্ন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে ওয়াদা ঠিক রাখতে হবে। একজন মুমিনের সত্যবাদিতার পরিচয় হচ্ছে তার লেনদেন। একবার এক ব্যক্তি উমর (রা)-এর কাছে একজনের প্রশংসা করে বলল, ‘ওই ব্যক্তি খুব সত্যবাদী।’ তখন উমর (রা.) বললেন, ‘আচ্ছা তুমি কী তার সঙ্গে সফর করেছ? লোকটি জবাবে না বলল। উমর (রা.) আবার বললেন, তুমি কী তার সঙ্গে কোনো লেনদেন করেছ? এবারও লোকটি বলল,  না। এরপর উমর (রা.) জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কী তার কাছে কোনো আমানত রেখেছ? সে এবারও বলল, না।’ তখন উমর (রা.) বললেন, ‘তাহলে ওই লোকটির ব্যাপারে তোমার কোনো ধারণা নেই। মনে হয়, তুমি তাকে মসজিদে রুকু-সিজদা করতে দেখেছ অর্থাৎ শুধু মসজিদের গণ্ডিতে দেখেই যে তাকে ধার্মিক ও সত্যবাদী মনে করেছ এবং তার গুণের প্রশংসা করেছ, এটা ঠিক নয়। প্রকৃত পরিচয় তো জানবে লেনদেনের পর।’ (কানজুল উম্মাল, হাদিস : ২৫৫৭০)

আমরা জীবনের প্রতিটি পরতে পরতে লেনদেন বা মুয়ামালাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত। লেনদেনের মাধ্যমে জীবন যাপন করা কারো পক্ষেই সম্ভব নয়। আর লেনদেন ছাড়া কারো পক্ষে সঠিকভাবে ইবাদত-বন্দেগি করাও অসম্ভব। দ্বিনের ইবাদত-বন্দেগি আমাদের জন্য সীমিত। কিন্তু মুয়ামালাত বা লেনদেনের পরিধি বা সীমা ব্যাপক বিস্তৃত। তাই ইসলামে মুয়ামালাত বা লেনদেনের গুরুত্ব অনেক বেশি। আমরা যেসব ইবাদত করি বা অধিকার বা দায়দায়িত্ব বিষয়ের মোকাবেলা করি, তা দুই ধরনের। এক. আল্লাহর হক, দুই. বান্দার হক। আল্লাহর হক সঠিকভাবে পালনে ব্যর্থ হলে তাঁর কাছে মার্জনা চেয়ে ক্ষমা পেতে পারি। কিন্তু বান্দার  হক বা বান্দার সঙ্গে লেনদেনে ব্যর্থ হলে এই ত্রুটি বা গুনাহ আল্লাহ মাফ করবেন না। তাই বান্দার হক সঠিকভাবে আদায় করা বা লেনদেন ও কায়কারবারে স্বচ্ছ থাকার ব্যাপারে আল্লাহর রাসুল (সা.) সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছেন। তিনি বলেন, ‘যে ব্যক্তি তার কোনো ভাইয়ের সম্মানহানির মাধ্যমে বা অন্য কোনো প্রকারে তার ওপর জুলুম করেছে, সে যেন আজই তার সঙ্গে লেনাদেনা সাফ করে নেয়। ওই দিন আসার পূর্বেই, যেদিন তার কাছে কোনো দিনার-দিরহাম (মানে টাকা-পয়সা) থাকবে না। সেদিন যদি তার কাছে কোনো নেক আমল থাকে তবে তার জুলুম পরিমাণ সেখান থেকে নিয়ে নেওয়া হবে এবং পাওনাদারকে আদায় করে দেওয়া হবে।  আর যদি কোনো নেক আমল না থাকে তাহলে যার ওপর জুলুম করা হয়েছে তার পাপের বোঝা জুলুম অনুযায়ী তার ঘাড়ে চাপানো হবে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ২৪৪৯)

আর্থিক লেনদেনে মুমিনের দায়িত্ব : আর্থিক লেনদেনের বেলায় একজন মুমিনের দায়িত্ব হচ্ছে সে সময়মতো আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন করবে। লেনদেনের সময় ঠিক রাখবে, মানে ওয়াদা রক্ষা করবে, ব্যবসায় করলে ওজনে কম দেবে না, বিক্রির সময় মিথ্যা শপথ কাটবে না, পণ্যের সঠিক গুণ প্রকাশ করবে, প্রতারণা ও ধোঁকাবাজি করবে না, মজুদদারি করবে না ইত্যাদি সব ক্ষেত্রে সততা, স্বচ্ছতা ও আমানতদারিতা রক্ষা করে চলবে। যে ব্যবসায়ী ওজনে কম দেয় তার সম্পর্কে আল্লাহ বলেন, ‘দুর্ভোগ তাদের জন্য যারা ওজনে কম দেয়।’

(সুরা : মুতাফফিফিন, আয়াত : ১)

যারা অন্যায়ভাবে বা প্রতারণামূলকভাবে মানুষের সম্পদ গ্রাস করে তাদের সম্পর্কে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা একে অন্যের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করবে না।’

(সুরা : নিসা, আয়াত : ২৯)

লেনদেন সঠিকভাবে না হলে বা তাতে অস্বচ্ছতা থাকলে মানুষের ইবাদতও কবুল হয় না। আমরা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ইবাদত-বন্দেগি করি, নামাজ পড়ি, রোজা রাখি এবং অন্যান্য ভালো আমল করি। তবে যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে বা অবৈধ পথে সম্পদ উপার্জন করে বা অস্বচ্ছ আর্থিক লেনদেন করে, আল্লাহ তার ইবাদত-বন্দেগি ও দোয়া কবুল করেন না। আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেন, ‘হে আমার রব, হে আমার রব! অথচ তার খাদ্য-পানীয় হারাম, পোশাক-পরিচ্ছদ হারাম, তাহলে কিভাবে তার দোয়া কবুল হবে?’ (তিরমিজি, হাদিস : ২৯৮৯)

আর্থিক লেনদেন বা ঋণ পরিশোধে গড়িমসি করার

পরিণাম : আর্থিক লেনদেন বা ঋণের বেলায় আমাদের অনেকে ঋণ না দেওয়ার প্রবণতা লক্ষ করি। অনেক সময় তা পরিশোধে গড়িমসি করতে দেখা যায়। অনেকের মধ্যে আর্থিক সংগতি থাকা সত্ত্বেও তার মধ্যে গড়িমসি বা টালবাহানার দোষ পরিলক্ষিত হয়। এই গড়িমসি বা টালবাহানা সম্পর্কে ইসলাম সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছে। মহানবী (সা.) বলেন, ‘সচ্ছল ব্যক্তির ঋণ পরিশোধে টালবাহানা বা গড়িমসি করা অন্যায় বা জুলুম।’

(সহিহ বুখারি, হাদিস : ২৪০০)

তিনি অন্যত্র বলেন, ‘যে সচ্ছল ব্যক্তি ঋণ পরিশোধে গড়িমসি করে, তাকে অপমান ও শাস্তি উভয়টিই দেওয়া আমার কাছে হালাল।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ৩৬২৮)

মহানবী (সা.) আরো বলেন, ‘কোনো ব্যক্তি তার হাত দিয়ে যা গ্রহণ করেছে, তা পরিশোধ না করা পর্যন্ত সে দায়ী থাকবে।’ (তিরমিজি, হাদিস : ১২৬৬)

সঠিক সময়ে ঋণ পরিশোধের বিষয়টি এতটাই গুরুত্বপূর্ণ যে তার বিলম্বে ঋণগ্রহীতা ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং কিয়ামতের দিন সে ক্ষতির সম্মুখীন হয়। আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেন, ‘ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির আত্মা লটকে থাকে, যতক্ষণ না তার পক্ষ থেকে কেউ সেই ঋণ পরিশোধ করে দেয়।’

(ইবনে মাজাহ, হাদিস : ২৪১৩)

রাসুল (সা.) অন্যত্র বলেন, ‘যে ব্যক্তি একটি দিনার অথবা দিরহাম ঋণ রেখে মারা যাবে, কিয়ামতের দিন তাকে তার নেকি থেকে সেই ঋণ পরিশোধ করতে হবে। কারণ সেখানে কোনো দিনার বা দিরহাম নেই।’

(ইবসে মাজাহ, হাদিস : ৫৫১৯)

শহীদের বেলায়ও ঋণের ব্যাপারে কোনো মাফ নেই। যেখানে বলা হয়েছে শহীদের সব গুনাহ মাফ করা হবে এবং তারা বিনা বিচারে জান্নাত লাভ করবেন। তার পরও শুধু ঋণের বিষয়টির মাফ নেই। তাই রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘ঋণ পরিশোধের পাপ ছাড়া শহীদদের সব পাপ মাফ করে দেওয়া হবে।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ২৯১২)

ঋণের অর্থ পরিশোধ করার সময় খুশি হয়ে বেশি ফেরত দেওয়ার বিধানও ইসলামে রয়েছে। সাহাবি জাবের (রা.) বলেন, ‘রাসুল (সা.) আমার কাছ থেকে কিছু ঋণ নিয়েছিলেন। পরে যখন তা আমাকে ফেরত দেন, তখন আমার পাওনার চেয়েও বাড়িয়ে দিলেন।’

(আবু দাউদ, হাদিস : ৩৩৪৯)

আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদের সবাইকে লেনদেনের গুরুত্ব এবং তার সঠিক বিধান সম্পর্কে অবহিত হওয়ার তৌফিক দান করুন।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

এই বিভাগের আরও খবর
বেসরকারি হজযাত্রীদের প্রশিক্ষণ ৯ এপ্রিল শুরু
বেসরকারি হজযাত্রীদের প্রশিক্ষণ ৯ এপ্রিল শুরু
চাঁদ দেখা গেছে, কাল ঈদ
চাঁদ দেখা গেছে, কাল ঈদ
চাঁদ দেখা ও প্রমাণিত হওয়ার কিছু বিধান
চাঁদ দেখা ও প্রমাণিত হওয়ার কিছু বিধান
ইবাদতের আবহে মুমিনের ঈদ উদযাপন
ইবাদতের আবহে মুমিনের ঈদ উদযাপন
রাজধানীতে কখন কোথায় ঈদ জামাত
রাজধানীতে কখন কোথায় ঈদ জামাত
চাঁদ দেখা গেছে, সৌদি আরবে ঈদ রবিবার
চাঁদ দেখা গেছে, সৌদি আরবে ঈদ রবিবার
ঈদের তারিখ ঘোষণা করলো অস্ট্রেলিয়া
ঈদের তারিখ ঘোষণা করলো অস্ট্রেলিয়া
আজ চাঁদ উঠলে সৌদি আরবে কাল ঈদ
আজ চাঁদ উঠলে সৌদি আরবে কাল ঈদ
মুুমিন যেভাবে সঠিক সিদ্ধান্ত নেন
মুুমিন যেভাবে সঠিক সিদ্ধান্ত নেন
রমজানের শেষ মুহূর্ত: ফিরে আসার এক সুবর্ণ সুযোগ
রমজানের শেষ মুহূর্ত: ফিরে আসার এক সুবর্ণ সুযোগ
রমজানে মুসলিম-বাঙালি সংস্কৃতি
রমজানে মুসলিম-বাঙালি সংস্কৃতি
দেশকে কোরআনের আলোয় আলোকিত করতে হবে : ধর্ম উপদেষ্টা
দেশকে কোরআনের আলোয় আলোকিত করতে হবে : ধর্ম উপদেষ্টা
সর্বশেষ খবর
বিমসটেক মেরিটাইম ট্রান্সপোর্ট কো-অপারেশন চুক্তি সই
বিমসটেক মেরিটাইম ট্রান্সপোর্ট কো-অপারেশন চুক্তি সই

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

ধলেশ্বরী নদীতে সেনা অভিযান: দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৭
ধলেশ্বরী নদীতে সেনা অভিযান: দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৭

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চাঁদপুরে উন্মুক্ত বিনোদন কেন্দ্র মোলহেডে দর্শনার্থীদের ভিড়
চাঁদপুরে উন্মুক্ত বিনোদন কেন্দ্র মোলহেডে দর্শনার্থীদের ভিড়

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বনশ্রীতে নারী সাংবাদিককে হেনস্তা, গ্রেফতার ৩
বনশ্রীতে নারী সাংবাদিককে হেনস্তা, গ্রেফতার ৩

৩৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ভাঙ্গায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত অন্তত ১০
ভাঙ্গায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত অন্তত ১০

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাষ্টের চেক বিতরণ
কুষ্টিয়ায় সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাষ্টের চেক বিতরণ

৪২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নোয়াখালীতে জমজ ২ বোনকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১
নোয়াখালীতে জমজ ২ বোনকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১

৪৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নিষ্প্রভ মেসি, হারল মায়ামি
নিষ্প্রভ মেসি, হারল মায়ামি

৫৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, পাইলট নিহত
ভারতে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, পাইলট নিহত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চট্টগ্রাম মহানগর শ্রমিকলীগের সাবেক সভাপতি গ্রেফতার
চট্টগ্রাম মহানগর শ্রমিকলীগের সাবেক সভাপতি গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর ও ফলাফলমুখী ‘বিমসটেক’-এর ওপর গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্র উপদেষ্টার
মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর ও ফলাফলমুখী ‘বিমসটেক’-এর ওপর গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিবচরে চালককে কুপিয়ে হত্যা করে ভ্যান ছিনতাই
শিবচরে চালককে কুপিয়ে হত্যা করে ভ্যান ছিনতাই

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তাপপ্রবাহে পুড়ছে ১০ জেলা
তাপপ্রবাহে পুড়ছে ১০ জেলা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সুস্থ হয়ে দেশে ফিরছে মুসা
সুস্থ হয়ে দেশে ফিরছে মুসা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তিসি চাষে পাঁচগুণ আয়!
তিসি চাষে পাঁচগুণ আয়!

২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

টি-টোয়েন্টি বোলারদের নতুন রাজা কিউই পেসার
টি-টোয়েন্টি বোলারদের নতুন রাজা কিউই পেসার

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় জাতিসংঘের ক্লিনিকে বোমা হামলা
গাজায় জাতিসংঘের ক্লিনিকে বোমা হামলা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আতলেতিকোকে বিদায় করে ফাইনালে বার্সা
আতলেতিকোকে বিদায় করে ফাইনালে বার্সা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্চে ইন্টারনেটে ২৯৮ অপতথ্য ছড়িয়েছে: রিউমর স্ক্যানার
মার্চে ইন্টারনেটে ২৯৮ অপতথ্য ছড়িয়েছে: রিউমর স্ক্যানার

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজার ‘বিস্তীর্ণ এলাকা’ দখলে নিতে চায় ইসরায়েল
গাজার ‘বিস্তীর্ণ এলাকা’ দখলে নিতে চায় ইসরায়েল

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে দুর্ঘটনায় নিহত ২
যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে দুর্ঘটনায় নিহত ২

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাড়তে পারে ঢাকার তাপমাত্রা
বাড়তে পারে ঢাকার তাপমাত্রা

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বগুড়ায় স্বাধীনতা কনসার্ট 'সবার আগে বাংলাদেশ'র ভেন্যু পরিদর্শন
বগুড়ায় স্বাধীনতা কনসার্ট 'সবার আগে বাংলাদেশ'র ভেন্যু পরিদর্শন

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে
নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা
গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন
ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

১১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ
সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা
লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার
আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা
গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু
মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব
২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!
১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন
সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস
শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা
ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র
হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের
কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কালুরঘাটে রেল ও সড়ক সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ১৪ মে
কালুরঘাটে রেল ও সড়ক সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ১৪ মে

১৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের
ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যা মামলার খসড়া তদন্ত রিপোর্ট পেয়েছে প্রসিকিউশন
হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যা মামলার খসড়া তদন্ত রিপোর্ট পেয়েছে প্রসিকিউশন

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বব্যাপী অপতথ্য ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী
বিশ্বব্যাপী অপতথ্য ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে

সম্পাদকীয়

চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই
চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সর্বত্র ভোটের আলোচনা
সর্বত্র ভোটের আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া
সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়
উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়

পেছনের পৃষ্ঠা

ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত
ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত

প্রথম পৃষ্ঠা

ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড
ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড

মাঠে ময়দানে

কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন
কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন

পেছনের পৃষ্ঠা

শাকিবের প্রশংসায় বুবলী
শাকিবের প্রশংসায় বুবলী

শোবিজ

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই

সম্পাদকীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল
ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল

প্রথম পৃষ্ঠা

৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের
৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের

প্রথম পৃষ্ঠা

রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা
রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা

নগর জীবন

ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়
ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়

প্রথম পৃষ্ঠা

গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে
গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে
বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা
চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব
মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব

দেশগ্রাম

বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ
বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ

দেশগ্রাম

মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন
মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন

প্রথম পৃষ্ঠা

আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা
আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা

রকমারি নগর পরিক্রমা

দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪
দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪

পেছনের পৃষ্ঠা

কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ

সম্পাদকীয়

দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার
দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার

দেশগ্রাম

ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ
ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট
ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট

পেছনের পৃষ্ঠা

নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন
নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন

পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন
নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন

প্রথম পৃষ্ঠা