শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৫

বাংলাদেশের আরাকান নীতি কেমন হওয়া উচিত?

প্রফেসর এস কে তৌফিক এম হক, প্রফেসর এম এ রশীদ, ড. খান শরীফুজ্জামান
প্রিন্ট ভার্সন
বাংলাদেশের আরাকান নীতি কেমন হওয়া উচিত?

কথিত আছে প্রতিবেশী বদলানো যায় না। কিন্তু কথাটি সব সময় ঠিক নয়। কারণ প্রতিবেশীর বাড়ি যদি বিক্রি হয়ে যায় বা অন্য কেউ জোর করে দখল করে নেয়, তাহলে তো প্রতিবেশী পরিবর্তন হয়ে যায়। প্রতিবেশীর চরিত্র বা শক্তি বদলালে তার আচরণও বদলে যেতে পারে। এমন পরিবর্তিত পরিস্থিতি যদি দেশের ক্ষেত্রেও ঘটে, সে ক্ষেত্রে নতুন প্রতিবেশীর সঙ্গে সম্পর্ক কেমন হবে? সে আমার জন্য কতটা নিরাপত্তাঝুঁকির কারণ হতে পারে এবং তার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আর্থিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিত সে বিষয়ে যদি কোনো রাষ্ট্র সুদূরপ্রসারী চিন্তাভাবনা না করে এগোয়, তাহলে সেই প্রতিবেশীর কাছ থেকে সুবিধা ও ভালো ব্যবহার পাওয়া কঠিন হয়ে যায়। যে অবস্থার মুখোমুখি আজ বাংলাদেশ। ভুলনীতির কারণে আরাকান আর্মি আমাদের বন্ধু না হয়ে আজ হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে অথচ সাম্প্রতিক ইতিহাসেও মুসলিম-অধ্যুষিত রাখাইন বা আরাকান ছিল বাংলাদেশের অংশ। ভাষা ও সংস্কৃতির দিক থেকে তাদের সঙ্গে বাংলাদেশিদের কিছু মিল আছে। এখানকার ৪৫ লাখ জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক ছিল মুসলিম। আর এই মুসলিম-অধ্যুষিত রাজ্যটি স্বাধীনতা লাভ করলে বাংলাদেশের সঙ্গে তাদের সুসম্পর্ক থাকারই কথা ছিল; কিন্তু হয়েছে তার বিপরীত; বিগত সরকারের ভুল রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক পদক্ষেপের কারণে। মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর এক ভুলে আরাকান যুক্ত হয় মিয়ানমারের সঙ্গে আর দ্বিতীয় বড় ভুলটা হলো বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে। এই স্বাধীনতাকামী আরাকান আর্মি গত ৯ মাসে মিয়ানমার জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অসাধারণ কৃতিত্ব দেখিয়ে রাখাইন প্রদেশের সিংহ ভাগ এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়েছে। তারা দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জনের পাশাপাশি Arakan People's Revolution Government গঠন করেছে। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক কিছু কৌশলগত ও কূটনৈতিক ব্যর্থতার কারণে এখন আরাকান আর্মির সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা চ্যালেঞ্জের বিষয় হয়ে পড়েছে।

চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় স্বার্থ যুক্ত রয়েছে ভূরাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই আরাকান বা রাখাইনে। ৮০ শতাংশ চীনের মালিকানায় একটি গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মিত হয়েছে রাখাইনে। এ বন্দর থেকে চীনের কুনমিং পর্যন্ত দুটি পাইপলাইনের একটি দিয়ে পেট্রোলিয়াম এবং অন্যটি দিয়ে গ্যাস নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে চীনের জ্বালানি সরবরাহের প্রধান প্রণালি মালাক্কা কোনো কারণে বন্ধ হয়ে গেলে সেটিকে বাইপাস করে রাখাইনের এই গভীর সমুদ্রবন্দর দিয়ে পণ্যসামগ্রী দেশটি নিয়ে আসতে পারবে। এই সমুদ্রবন্দরের মাধ্যমে চীন বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরে প্রবেশের একটি দ্বারও তৈরি করেছে।

আমেরিকা ও তার মিত্ররাষ্ট্রগুলো যে ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলগত নীতি প্রকাশ করেছে, তাতে বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগর খুবই গুরুত্বপূর্ণ। রাখাইনের বিভিন্ন জায়গায় কিছু অর্থনৈতিক অঞ্চল রয়েছে, যার মালিকানা মূলত চীন ও রাশিয়ার। আবার চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের আওতায় যে ছয়টি অর্থনৈতিক করিডর স্থাপন করা হবে, তার মধ্যে দুটি নৌভিত্তিক। এর একটি চীন-মিয়ানমার করিডর নামে পরিচিত। আমেরিকা এ অঞ্চলে তাদের প্রভাববলয় সৃষ্টির চেষ্টা করছে। রাশিয়াও এই প্রতিযোগিতায় রয়েছে। মিয়ানমারের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক রেখে নিজেদের জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করছে দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও সিঙ্গাপুর। আমেরিকা ইতোমধ্যে আরাকান অ্যাক্ট প্রবর্তন করেছে। এই আইনের মাধ্যমে মিয়ানমার, বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের বিভিন্ন জাতি-গোষ্ঠীকে তারা সহায়তা করতে পারে। এই অঞ্চলে আমেরিকা বনাম চীনের কৌশলগত প্রতিযোগিতার প্রভাব দিন দিন বাড়ছে।

রাখাইনের সিতওয়েতে চীনের তৈরি করা গভীর সমুদ্রবন্দর এবং অর্থনৈতিক অঞ্চলও এখন কিছুটা নিরাপত্তাহীনতার মুখে পড়েছে। শিলিগুড়ি করিডরের বিকল্প হিসেবে ভারত যে কালাদান প্রকল্প গ্রহণ করেছিল, তা এখন চীন-সমর্থিত আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে। এতে করে রাখাইনে ভারত ও চীনের ভূরাজনৈতিক দ্বন্দ্বও নতুন রূপ ধারণ করতে যাচ্ছে। চীন মিয়ানমারের জান্তা সরকারের সঙ্গে সরাসরি সমর্থন দিয়ে আসছে, আবার একই সঙ্গে বিভিন্ন বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সঙ্গেও যোগাযোগ রক্ষা করে চলছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদেশগুলো সামনের দিনগুলোতে ইউক্রেন এবং মধ্যপ্রাচ্য থেকে তাদের দৃষ্টি ঘুরিয়ে এনে ইন্দো-প্যাসিফিক এরিয়াতে নিবদ্ধ করবে বলে মনে হয়। এ জন্য তারা চাইছে চীনকে চারদিক থেকে ঘিরে ধরতে। এ কারণে তারা আরাকান আর্মিকে রাখাইনে সহযোগিতা দিতে আগ্রহী হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে মিয়ানমারের জান্তাকে দুর্বল করার জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রজেক্ট এবং গণতন্ত্রপন্থিদের সহায়তা করা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ নীতি বলে মনে হচ্ছে। আর যুক্তরাষ্ট্রের এসব কৌশল বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে তারা ভবিষ্যতে বাংলাদেশ সরকার ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহযোগিতা কামনা করতে পারে। আবার আরাকান আর্মির সঙ্গেও তারা যোগাযোগ রক্ষা করতে আগ্রহী বলে মনে হচ্ছে।

আরাকান আর্মি ২০২২ সালে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সম্পর্কের প্রস্তাব দিয়েছিল কিন্তু এ সুযোগ তৎকালীন বাংলাদেশ সরকার হাতছাড়া করে। আরাকান আর্মি বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং তারা রোহিঙ্গারা তাদের নিজভূমি রাখাইনে ফেরত যাওয়ার ব্যাপারেও ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করেছিল। ‘ধর্ম বিবেচ্য নয়, জন্মসূত্রেই রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের নাগরিক’- ২০২২-এর জানুয়ারিতে এ মন্তব্য করেন রাখাইনের বৌদ্ধ সম্প্রদায় নিয়ন্ত্রিত সশস্ত্র সংগঠন আরাকান আর্মি প্রধান জেনারেল তোয়াই ম্রা নাইং (Major General Twan Mrat Naing)। অনলাইনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘প্রদেশটির অধিকাংশ এলাকাই এখন তাদের নিয়ন্ত্রণে। মুসলিম-বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মধ্যে এখন দ্বন্দ্ব নেই। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে যেকোনো সহযোগিতায় আরাকান আর্মি প্রস্তুত।’ এমন সুযোগ হাতে পেয়েও হাত ছাড়া করেছে বিগত সরকার! এখন প্রশ্ন হলো, কার স্বার্থে এমন আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো, ভারত না চীন? পরবর্তী সময়ে ২০২৪ সালে মিয়ানমার জান্তার পরাজিত একটি অংশের কিছু সেনা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় কিন্তু বাংলাদেশ সরকার তাদেরও বিনা শর্তে মিয়ানমার সরকারের কাছে ফিরিয়ে দেয়, যার ফলে আরাকান আর্মি আবারও বাংলাদেশবিদ্বেষী হয়ে ওঠে।

মিয়ানমারের বর্তমান সংঘাতময় পরিস্থিতি বিশেষ করে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যুতে প্রচলিত দ্বিপক্ষীয় আলোচনা বা শুধু চীনের মধ্যস্থতা কোনো সুফল বয়ে আনবে বলে মনে হয় না। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা ও রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে শুধু দ্বিপক্ষীয় সমঝোতা প্রচেষ্টা ও চীনের ওপর নির্ভরতা এখন পর্যন্ত কোনো কাজে দেয়নি। ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট (এনইউজি) ও আরাকান আর্মি তথা তাদের রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ ও সম্পর্ক তৈরি করতে হবে বাংলাদেশকে। বাংলাদেশের সঙ্গে আরাকানের সীমান্তের পুরোটাই এখন আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে। তাদের সঙ্গে যোগাযোগ ছাড়া এই দুই অঞ্চলের মধ্যে চলমান কোনো বিষয়েই বাংলাদেশ কোনো অর্জন করতে পারবে না। ধরুন বাংলাদেশ যদি ইয়াবা বা অস্ত্র চোরাচালানের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও কোনো সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে চায় তবে আরাকান আর্মির সহযোগিতা লাগবে। আর রোহিঙ্গা পুনর্বাসন বিষয়ে কোনো অগ্রগতিই এ মুহূর্তে তাদের সহযোগিতা ছাড়া সম্ভব হবে না। প্রশ্ন উঠতে পারে, এ ধরনের একটি নন-স্টেট অ্যাক্টর (অরাষ্ট্রীয় গোষ্ঠী)-এর সঙ্গে রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ কীভাবে যোগাযোগ রাখবে? এ বিষয়ে নানা পথ ও পদ্ধতি বিভিন্ন রাষ্ট্র ব্যবহার করে থাকে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কাতারের মাধ্যমে তালেবানদের সঙ্গে দীর্ঘদিন যোগাযোগ রক্ষা করেছে। ভারত ও চীন ইতোমধ্যে আরাকান আর্মির প্রতিনিধিদলকে নিয়ে দিল্লি ও কুনমিং (চায়নার ইউনান প্রদেশের রাজধানী) এ বৈঠক করেছে। বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত এমন কোনো উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানা যায়নি। এ মুহূর্তে আরাকান আর্মি বাংলাদেশের কাছ থেকে এ ধরনের যোগাযোগ ও বৈঠক আশা করে। এই ধরনের বৈঠকের পাশাপাশি মিয়ানমারের সামরিক জান্তার সঙ্গেও সম্পর্ক চালিয়ে যেতে হবে বাংলাদেশকে। এ ধরনের গৃহযুদ্ধে জড়িত রাষ্ট্রের প্রতিবেশী হিসেবে আমাদের সব পক্ষের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখাই এই মুহূর্তে দরকারি। অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের করণীয় পদক্ষেপগুলো দ্রুততার সঙ্গে বাস্তবায়ন করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত বাংলাদেশ সরকার, সেনাবাহিনী, রাজনৈতিক দলকে বুঝতে হবে, বাংলাদেশের জনগণ কোনো পরাশক্তি বা আঞ্চলিক শক্তির দাবার চালের ঘুঁটি হতে চায় না, তাই সে হোক আমেরিকা, চীন বা ভারত। দ্বিতীয়ত অবশ্যই আমাদের নিরাপত্তা, জাতীয় স্বার্থ, ইতিহাস ও সংস্কৃতিকে মাথায় রেখে আমাদের পররাষ্ট্র সম্পর্ক ও কূটনীতিকে নির্ধারণ করতে হবে। সে ক্ষেত্রে মিয়ানমার সরকার ও আরাকান আর্মি এই দুপক্ষের সঙ্গে বোঝাপড়া করে আমাদের স্বার্থ ও নিরাপত্তা হাসিল করতে হবে। তৃতীয়ত নির্যাতিত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে তাদের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়াকে বাংলাদেশ সরকারের একটি আদর্শিক ও নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে পালন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সরকার এ বিষয়ে যত সময়ক্ষেপণ করবে ততই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।

একই সঙ্গে মিয়ানমার ও আরাকানের সঙ্গে বাণিজ্যিক বিষয়েও বাংলাদেশকে এখনই নতুন করে ভাবতে হবে। ভবিষ্যতে মিয়ানমার সরকার ও রাখাইন বাংলাদেশের এক বিকল্প সাপ্লাই চেইন (Supply Chain) হয়ে উঠতে পারে। আরাকান আর্মি যে কোনো সময় রাখাইন রাজ্য এবং নিজেদের অধিকৃত অঞ্চলে স্বায়ত্তশাসন অথবা স্বাধীন দেশের ঘোষণাও দিতে পারে। এমন কিছু হলে আরাকানের একমাত্র প্রতিবেশী রাষ্ট্র হবে বাংলাদেশ। তাই জটিল এক ভূরাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি বাংলাদেশ। আরাকানকে নিয়ে বাংলাদেশের সিদ্ধান্তহীনতা ও দোদুল্যমানতা আমাদের জাতীয় স্বার্থের ক্ষতির কারণ হয়ে উঠেছে। আরাকানবিষয়ক একটি নতুন নীতিমালা প্রণয়ন এই মুহূর্তে অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য অত্যন্ত জরুরি হিসেবে বিবেচিত হওয়া দরকার।

♦ লেখক : এস কে তৌফিক এম হক, পরিচালক এসআইপিজি, এনএসইউ

এম এ রশীদ, সিনিয়র ফেলো, এসআইপিজি, এনএসইউ খান শরীফুজ্জামান, শিক্ষক, সরকার ও রাজনীতি বিভাগ, শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি

 

এই বিভাগের আরও খবর
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক
ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পবিত্র ঈদুল ফিতর
ঈদুল ফিতরে করণীয়
ঈদুল ফিতরে করণীয়
সত্যিকার ঈদ আসুক জীবনে
সত্যিকার ঈদ আসুক জীবনে
রোহিঙ্গাদের আগামী ঈদ প্রসঙ্গ
রোহিঙ্গাদের আগামী ঈদ প্রসঙ্গ
বিএনপি-জামায়াত কি ভুল পথে হাঁটছে
বিএনপি-জামায়াত কি ভুল পথে হাঁটছে
সর্বশেষ খবর
বায়ুদূষণে আজ ১৫তম ঢাকা
বায়ুদূষণে আজ ১৫তম ঢাকা

এই মাত্র | নগর জীবন

ইসরায়েলি হামলায় আরও ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত
ইসরায়েলি হামলায় আরও ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত

১৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

৩০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা

৪৮ মিনিট আগে | জাতীয়

ছেলের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে মায়ের মৃত্যু
ছেলের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে মায়ের মৃত্যু

৫৪ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

বাড়তি ভাড়া আদায়, পরিবহনকে অর্ধলাখ টাকা জরিমানা
বাড়তি ভাড়া আদায়, পরিবহনকে অর্ধলাখ টাকা জরিমানা

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতে আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ২১
ভারতে আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ২১

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে আজ ব্যাংকক যাবেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে আজ ব্যাংকক যাবেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি কমলো ৪.৪১ শতাংশ
৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি কমলো ৪.৪১ শতাংশ

৫ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

৬ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিখোঁজ প্রতিবন্ধীর লাশ মিললো ডোবায়
নিখোঁজ প্রতিবন্ধীর লাশ মিললো ডোবায়

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টুঙ্গিপাড়ায় মাহেন্দ্র-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২
টুঙ্গিপাড়ায় মাহেন্দ্র-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জমি নিয়ে বিরোধে বোনের হাতে প্রাণ হারালো ভাই
জমি নিয়ে বিরোধে বোনের হাতে প্রাণ হারালো ভাই

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চাঁদপুরে দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার
চাঁদপুরে দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের তৃতীয় দিনে দেড় লাখ দর্শনার্থীতে মুখর চিড়িয়াখানা
ঈদের তৃতীয় দিনে দেড় লাখ দর্শনার্থীতে মুখর চিড়িয়াখানা

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে তরুণ নিখোঁজ
মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে তরুণ নিখোঁজ

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের দিন ঘুরতে বেরিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেফতার
ঈদের দিন ঘুরতে বেরিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেফতার

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!
১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কোস্টারিকার নোবেলজয়ী সাবেক প্রেসিডেন্টের মার্কিন ভিসা বাতিল
কোস্টারিকার নোবেলজয়ী সাবেক প্রেসিডেন্টের মার্কিন ভিসা বাতিল

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাউবি উপাচার্যের নাম ও ছবি ব্যবহার করে প্রতারণা, থানায় জিডি
বাউবি উপাচার্যের নাম ও ছবি ব্যবহার করে প্রতারণা, থানায় জিডি

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের আনন্দকে বাড়াতে যমুনার চরে ঘুড়ি উৎসব অনুষ্ঠিত
ঈদের আনন্দকে বাড়াতে যমুনার চরে ঘুড়ি উৎসব অনুষ্ঠিত

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজধানীতে দুই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ২
রাজধানীতে দুই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ২

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কুয়াকাটায় পর্যটকদের ভিড়
কুয়াকাটায় পর্যটকদের ভিড়

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস
শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাসমান স্কুলের উদ্ভাবক রেজোয়ান পেলেন ‘ইয়েল বিশ্ব ফেলোশিপ’
ভাসমান স্কুলের উদ্ভাবক রেজোয়ান পেলেন ‘ইয়েল বিশ্ব ফেলোশিপ’

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে
নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা
গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন
ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ
সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা
লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা
গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার
আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

৬ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

‘নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে ন্যূনতম যে সংস্কার প্রয়োজন তা করতে হবে’
‘নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে ন্যূনতম যে সংস্কার প্রয়োজন তা করতে হবে’

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু
মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে আরও রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, বাড়ছে উত্তেজনা
মধ্যপ্রাচ্যে আরও রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, বাড়ছে উত্তেজনা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব
২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন
সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!
১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস
শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মার্কিন প্রস্তাব মানতে নারাজ রাশিয়া
ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মার্কিন প্রস্তাব মানতে নারাজ রাশিয়া

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা
ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র
হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের
কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা
বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চট্টগ্রামে ৬ মাসে বন্ধ ৫২ কারখানা, কাজের আদেশ কমেছে ২৫ শতাংশ
চট্টগ্রামে ৬ মাসে বন্ধ ৫২ কারখানা, কাজের আদেশ কমেছে ২৫ শতাংশ

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হাসপাতালে, আছেন নিবিড় পর্যবেক্ষণে
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হাসপাতালে, আছেন নিবিড় পর্যবেক্ষণে

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিলেটে মধ্যরাতে বিএনপি-যুবদল সংঘর্ষ, আহত ১৫
সিলেটে মধ্যরাতে বিএনপি-যুবদল সংঘর্ষ, আহত ১৫

২২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের
ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্তে বিমসটেক সদস্যদের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ
বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্তে বিমসটেক সদস্যদের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে

সম্পাদকীয়

চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই
চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা

সর্বত্র ভোটের আলোচনা
সর্বত্র ভোটের আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া
সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত
ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত

প্রথম পৃষ্ঠা

উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়
উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়

পেছনের পৃষ্ঠা

ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড
ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড

মাঠে ময়দানে

শাকিবের প্রশংসায় বুবলী
শাকিবের প্রশংসায় বুবলী

শোবিজ

৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের
৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের

প্রথম পৃষ্ঠা

রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা
রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা

নগর জীবন

ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল
ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল

প্রথম পৃষ্ঠা

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই

সম্পাদকীয়

ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়
ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়

প্রথম পৃষ্ঠা

কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন
কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন

পেছনের পৃষ্ঠা

গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে
গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে
বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা
চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব
মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব

দেশগ্রাম

মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন
মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন

প্রথম পৃষ্ঠা

বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ
বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ

দেশগ্রাম

আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা
আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা

রকমারি নগর পরিক্রমা

ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ
ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪
দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪

পেছনের পৃষ্ঠা

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট
ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন
নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন
নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন

পূর্ব-পশ্চিম

দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার
দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার

দেশগ্রাম

ঈদে প্রাণ ফিরেছে পর্যটনে
ঈদে প্রাণ ফিরেছে পর্যটনে

নগর জীবন