স্বৈরাচার হাসিনা সরকারের পতনের পর সারা দেশের ন্যায় বিশ্বনাথ থানাসহ একাধিক স্থাপনায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এসময় থানা থেকে লুট হয় ৬টি আগ্নেয়াস্ত্র ও দুই শতাধিক গোলাবারুদ। এর মধ্যে পর্যায়ক্রমে উদ্ধার হয় শতাধিক গোলাবারুদ ও ৫টি আগ্নেয়াস্ত্র। কিন্তু লুটে নেয়া একটি শর্টগান, ৫ রাউন্ড চায়না রাইফেল ও ৭০ রাউন্ড র্শটগানের গুলি আজও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। এদিকে ঘটনার ৫ মাস পর দুই থেকে আড়াই হাজার অজ্ঞাতদের নামে মামলা নেয় পুলিশ।
জানা যায়, গেল বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার হাসিনার দেশত্যাগের পর সারা দেশের ন্যায় বিশ্বনাথে থানায়ও হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। পোশাক ছেড়ে পালিয়ে আত্মরক্ষা করেন পুলিশ সদস্যরা। বন্ধ হয়ে যায় পুলিশি কার্যক্রম। স্টেশনে ফিরতে সাহস পাননি পুলিশ সদস্যরা। প্রথম দিকে থানা সুরক্ষায় মোতায়েন করা হয় আনসার সদস্যদের। পরে সেনাবাহিনীর উপস্থিতিতে ধীরে ধাীরে স্বাভাবিক হয় থানার কার্যক্রম।
থানা পুলিশের তৎকালীন ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা জয়ন্ত সরকারের ভাষ্যমতে, ‘হামলাকালে লুটে নেয়া হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি নাইন এমএম পিস্তল, একটি চায়না রাইফেল, তিনটি র্শটগান, একটি গ্যাস গান ও ২০০-২৫০ রাউন্ড গোলাবারুদ। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবার পর থানার পুকুর থেকে একটি চায়না রাইফেল, সেনাবাহিনীর সহায়তায় একটি পিস্তল, গ্যাস গান, দুটি শর্টগান, শতাধিক গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়। কিন্ত কোনও হদিস পাওয়া যায়নি ৫রাউন্ড চায়না রাইফেল, ৭০ রাউন্ড শর্টগানের গুলি ও একটি শর্টগানের।
এ বিষয়ে কথা হলে বিশ্বনাথ পুলিশ স্টেশনের নবাগত অফিসার ইনচার্জ এনামুল হক চৌধুরী বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, থানার কাগুজে তথ্যনুয়ায়ী ২টি র্শটগান লুট হয়েছিল। এর মধ্যে একটি উদ্ধার হয়েছে। অপর একটি শর্টগান, ৫ রাউন্ড চায়না রাইফেল ও ৭০ রাউন্ড শর্টগানের গুলি এখনও উদ্ধার করা যায়নি। উদ্ধারে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ