চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থীরা। এ সময় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারী সন্ত্রাসীদের খুঁজে বের করে শাস্তির দাবি জানান।
রবিবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া মোড় এলাকা থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বটতলায় যেয়ে শেষ হয়।
এ সময় ‘আমার ভাই আহত কেন, ইন্টেরিম জবাব চাই’, ‘সন্ত্রাসীদের কালো হাত, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও', ‘ফ্যাসিস্টদের কালো হাত, ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও’,‘চবিতে হামলা কেন, ইন্টেরিম জবাব চাই’, ‘সন্ত্রাসীদের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না' ইত্যাদি স্লোগান দেন তারা।
শিক্ষার্থী ইয়াশিরুল কবির সৌরভ বলেন, চবিতে যে নৃশংস হামলা আমরা দেখলাম সেটি মূলত বাংলাদেশের সামগ্রিক অবস্থারই প্রতিচ্ছবি। আমরা অবিলম্বে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনার জোর দাবি জানাই।
সাবেক সহ-সমন্বয়ক গোলাম রব্বানী বলেন, চবিতে একটা তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাত ১২ টার পর থেকে ভোর ৪ টার পর্যন্ত দফায় দফায় এলাকাবাসী সন্ত্রাসী হামলা করল। একে আহত করেছে প্রায় ৭০ জনের মত(সমকাল)।সেনাবাহিনী মোতায়েন করে পরিস্থিতি কোনোরকম নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে।আবার আজকেও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে কুপিয়ে কুপিয়ে হামলা হলো।সেই বেলা ১১ টা থেকে পর্যায়ক্রমে চবি শিক্ষার্থীদের দেখলেই দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা করেছে এলাকার সন্ত্রাসীরা।কিন্তু কোন আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি নেই।তাদের কোন সহযোগিতা নেই। তাদের নূন্যতম কোনো ভূমিকাও নেই।সহ-উপাচার্য কামাল উদ্দীন স্যার সহ আজকে আবারও ২০ জন আহত(সমকাল) হইলো।এর দায়ভার অবশ্যই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে নিতে হবে।এবং দ্রুততম সময়ে সন্ত্রাসীদের আইনের আওয়াতায় এনে দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয় ও ক্ষেত্রগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
সাবেক সমন্বয়ক এস এম সুইট বলেন, চবিতে শিক্ষক শিক্ষার্থীদের উপর স্থানীয়রা দফায় দফায় হামলা করেছে। ঘটনা গতকাল রাত থেকে শুরু হলেও প্রশাসন তেমন কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। পরবর্তীতে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত হামলা চালায়। শিক্ষার্থীদের উপর এমন হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। আমরা হুঁশিয়ারি করে জানাতে চাই, আপনারা জনগণের নিরাপত্তা না দিতে পারলে চেয়ার ছেড়ে দিন।
বিডি প্রতিদিন/নাজমুল