ঝলমলে ক্যারিয়ারে নতুন এক কীর্তি গড়েছেন কাইরন পোলার্ড। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে ১৪ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের তারকা অলরাউন্ডার।
পোলার্ডের নামের পাশে আছে তিনশর বেশি টি-টোয়েন্টি উইকেটও। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টির ইতিহাসে ১৪ হাজার রান ও ৩০০ উইকেটের ডাবলের কীর্তি গড়া প্রথম ক্রিকেটার তিনি। ২০ ওভারের সংস্করণে ৩০০ উইকেট নিয়েছেন, এমন ক্রিকেটারদের মধ্যে ১০ হাজার রানও করতে পারেননি আর কেউ।
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) এই রেকর্ড গড়েন পোলার্ড। ১৪ হাজারের ক্লাবে পা রাখতে ১৯ রান প্রয়োজন ছিল তার। বারবাডোস রয়্যালসের বিপক্ষে ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের সফল রান তাড়ায় ৯ বলে ১ ছক্কা ও ২ চারে ঠিক ১৯ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি।
পোলার্ডের ছোট্ট ক্যামিও ইনিংস এবং কলিন মানরো ও নিকোলাস পুরানের ফিফটিতে বারবাডোজের ১৭৮ রান অনায়াসে তাড়া করে ফেলে ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্স। ১৩ বল বাকি থাকতে ৭ উইকেটের জয় তুলে নেয় তারা।
১৪ হাজার রান করতে পোলার্ডের লাগল ৭১২ ম্যাচ ও ৬৩৩ ইনিংস। তার নামের পাশে রয়েছে একটি সেঞ্চুরি ও ৬৪টি ফিফটি। ৪৫৫ ইনিংসে ১৪ হাজার ৫৬২ রান করে টি-টোয়েন্টির সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ক্রিস গেইল।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ও আইপিএল ছেড়ে এখন অন্যান্য ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগগুলোয় খেলছেন পোলার্ড। তবে এখন খুব একটা বোলিং করতে দেখা যায় না তাকে। চলতি সিপিএলেই যেমন এখন অবধি পাঁচ ম্যাচ খেলে একটি ডেলিভারিও করেননি ৩৮ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার।
টি-টোয়েন্টিতে এখন পর্যন্ত ৪২৫ ইনিংসে ৩৩২ উইকেট নিয়েছেন পোলার্ড। সর্বোচ্চ ১৫ রান খরচায় ৪ উইকেট। পেস বোলিংয়ে আটবার ম্যাচে ৪ উইকেটের স্বাদ পেয়েছেন তিনি। তার বোলিং গড় ২৫.১৮।
এই সংস্করণে উইকেট শিকারির তালিকায় সবার উপরে রশিদ খান। আফগানিস্তানের তারকা লেগ স্পিনার এখন পর্যন্ত ৪৮৪ ইনিংসে ধরেছেন ৬৬১ শিকার। পোলার্ডের বেশিরভাগ রান ও উইকেট ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে ১০১ ম্যাচ খেলে ১ হাজার ৫৬৯ রান করেন তিনি। জাতীয় দলের জার্সিতে এই সংস্করণে তার প্রাপ্তি ৪২ উইকেট।
বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ