জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) বুলিং ও র্যাগিংয়ের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির ঘোষণা দিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম। তিনি বলেন, আমরা চাই না আবরার কিংবা অবন্তিকার মতো সম্ভাবনাময়ী শিক্ষার্থীরা আমাদের মাঝ থেকে হারিয়ে যাক। র্যাগিংয়ের ঘটনা ঘটলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপ নেবে।
বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে র্যাগিং ও বুলিং প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২২-২৩ ও ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শ্রেণি প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে বুলিং ও র্যাগিং যেন কোনোভাবেই স্থান না পায়, এর জন্য সকল শিক্ষার্থীকে সচেতন হতে হবে। ইতিমধ্যে র্যাগিং ও বুলিংয়ের কারণে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে। র্যাগিং ও বুলিংয়ের বিষয়ে প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধে বেশি মনোযোগ দিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, র্যাগিং-বুলিং প্রতিরোধে বিশেষ গবেষণা প্রকল্প হলে অনুমোদন দেওয়া হবে। ২০তম ব্যাচ আসার আগেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে র্যাগিং ও বুলিংয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ চাই। আমাদের লক্ষ্য একটি সহনশীল, নিরাপদ ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে প্রতিটি শিক্ষার্থী নিজের মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে এগিয়ে যেতে পারে।
সেমিনারে ছাত্র-কল্যাণ দপ্তরের পরিচালক কে এ এম রিফাত হোসেনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সাবিনা শরমীন। এ ছাড়া প্রক্টর তাজাম্মুল হক ও র্যাগিং ও বুলিং প্রতিরোধ কমিটির আহ্বায়ক মুহাম্মদ আকরামুজ্জামানসহ বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষক, ছাত্র উপদেষ্টাসহ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
বিডি প্রতিদিন/এমআই