ব্রিটিশ কাউন্সিল ও ব্রিটিশ হাইকমিশনের উদ্যোগে অ্যালামনাই ইউকে গালা নাইটের আয়োজন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ কাউন্সিলের ঢাকা অফিসে উল্লেখযোগ্য এ অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়। এতে ১৭০ জনেরও বেশি যুক্তরাজ্যের অ্যালামনাই ও বিশিষ্ট ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। আয়োজনে যুক্তরাজ্যের অ্যালামনাইদের সাফল্য এবং বাংলাদেশ-ইউকে অ্যালামনাই নেটওয়ার্কের (বুকান) গ্লোবাল অ্যালামনাই ইউকে প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিবর্তনকে উদযাপন করা হয়।
এই অনুষ্ঠানটি যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের প্রতিফলন, যা অর্জিত হয়েছে শিক্ষাগত ও সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং বৈশ্বিক উন্নয়নে পারস্পরিক প্রতিশ্রুতিবদ্ধতার মাধ্যমে। এই আয়োজনে বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে, বিশেষত ব্যবসা, উদ্ভাবন, সংস্কৃতি ও টেকসই উন্নয়নের মতো বিভিন্ন খাতে যুক্তরাজ্যের অ্যালামনাইদের অবদান তুলে ধরা হয়।
আয়োজনে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক মজবুত করার ক্ষেত্রে অ্যালামনাই নেটওয়ার্কের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরেন ব্রিটিশ হাইকমিশনের মিনিস্টার-কাউন্সিলর (পলিটিক্যাল অ্যান্ড হিউম্যানিটারিয়ান) গ্যাভিন টেঞ্চ। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও যুক্তরাজ্যের প্রখ্যাত অ্যালামনাই প্রফেসর নিয়াজ আহমেদ খান, পিএইচডি।
এ সময় ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর স্টিফেন ফোর্বস বলেন, যুক্তরাজ্যের অ্যালামনাইদের যুক্ত হওয়ার আজকের এই বড় পরিসরের অনুষ্ঠান বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক জোরদার করার ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যের দৃঢ় প্রতিশ্রুতির বহিঃপ্রকাশ। জাতীয় সমৃদ্ধির ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যের অ্যালামনাইদের অসামান্য অবদানকে উদযাপন করতে আজ আমরা এখানে একত্রিত হয়েছি। যোগাযোগ, প্রবৃদ্ধি ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে এই সম্পর্ক আমাদের আন্তঃসংযুক্ত বিশ্বে গঠনমূলক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবে বলে আশাবাদী আমরা।
বিডিপ্রতিদিন/কবিরুল