রাঙামাটিতে জমে উঠেছে তরমুজের হাট। বুধবার (৫ মার্চ) ছিল সাপ্তাহিক হাটের দিন। তাই দূর পাহাড় থেকে তরমুজ চাষি ও ব্যবসায়ীরা তরমুজ সংগ্রহ করে বসিয়েছেন হাট। পবিত্র রমজান মাস হওয়ায় তরমুজের চাহিদা ব্যাপক। পাহাড়ের রসালো মিষ্টি তরমুজ হাতে পেয়ে খুসি রোজাদাররাও।
রাঙামাটি শহর ঘুড়ে দেখা গেছে, সড়কে সড়কে বসেছে তরমুজের হাট। দামে কম আর মানেও ভালো। তাই চাহিদাও ব্যাপক। এতে যেমন লাভবান বিক্রেতারা, তেমনি খুশি ক্রেতারাও।
তরমুজ ব্যবসায়ী নূর উদ্দীন বলেন, ৫০০ তরমুজ এক ঘণ্টায় বিক্রি হয়ে গেছে। মানুষের চাহিদা আছে তরমুজের প্রতি। কিন্তু পরিবহণ খরচ বেশি থাকায় পাহাড় থেকে তরমুজ বাজারে আসতে পারছিনা।
তরমুজ ক্রেতা মাহামুদা বলেন, রমজানে তরমুজটা খুব প্রয়োজন ছিল। কারণ সারাদিন রোজা রেখে সবাই পানি ফল খেতে পছন্দ করে।
অন্যদিকে, রাঙামাটিতে বুধবার হাটের দিন হওয়ায় শহরের বনরূপা সমতাঘাট, তবলছড়ি, রিজার্ভ বাজারে তরমুজের সয়লাব হয়ে গেছে। কেউ কেউ স্থানীয় বাজারের চাহিদা মিটিয়ে তরমুজ বাজারজাত করছে ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে।
কৃষি বিভাগ বলছে, উপযুক্ত আবহাওয়া আর উন্নত চাষাবাদের কারণে রাঙামাটিতে তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে। এছাড়া আগাম চাষাবাদের কারণে রমজানে মিলছে তরমুজ। এতে লাভবান হচ্ছে চাষি ও ব্যবসায়ীরা।
এবার রাঙামাটির ১০টি উপজেলা কাপ্তাই, কাউখালী, রাজস্থলী, বিলাইছড়ি, লংগদু, বরকল, জুরাছড়ি, বিলাইছড়ি, নানিয়ারচর ও বাঘাইছড়ি উপজেলায় তরমুজের ব্যাপক চাষাবাদ হয়েছে। জলেভাসা জমি। শীতের সবজি বাগানের পাশপাশি তরমুজের আবাদ হয়েছে।
রাঙামাটি তরমুজ ব্যবসায়ী মো. হাসান বলেন, সর্বনিম্ন ২৫০ টাকা থেকে শুরু করে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে পাহাড়ের তরমুজ। চাহিদা আছে। তবে তরমুজ মানেও ভালো, রসারো আর মিষ্টি।
বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ