বীজ নয়, স্বপ্নের সোনা বুনছেন তারা। স্থানীয় কৃষকদের ভাষায় সাদা সোনা। এ সাদা সোনা হচ্ছে সুখসাগর পিঁয়াজের বীজ। পিঁয়াজের বীজে যে ফুল ধরে তা দেখতে ধূসর সাদা বলেই স্থানীয় কৃষকদের ভাষায় এর নাম সাদা সোনা। আর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ সাদা সোনাকে ঘিরে ১ হাজার কৃষক স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। কৃষি বিভাগ ও বীজ প্রত্যয়ন অফিসের মাধ্যমে কৃষকরা সার্বিক সহযোগিতা পেলে পিঁয়াজ বীজের চাষ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে দাবি কৃষকদের।
২০০০ সালের দিকে কৃষকরা প্রথম সুখসাগর পিঁয়াজের বীজ উৎপাদন শুরু করেন। এরপর কয়েক বছরের মধ্যে এখানকার কৃষকরা সুখসাগর বীজ উৎপাদনে স্বাবলম্বী হয়ে ওঠেন। কয়েক বছরের মধ্যে তারা এ বীজ চাষে সুখের মুখ দেখতে শুরু করেন। এরপর থেকে হাজার হাজার কৃষক সুখসাগর চাষ করে সুখের সাগরে ভাসছেন।
কৃষক আবদুল আওয়াল বলেন, ১ বিঘা জমিতে ১০ থেকে ১২ মণ গুটি পিঁয়াজ লাগাতে হয়। এরপর সেচ-সারসহ অন্যান্য খরচ হয় প্রায় ৮০-৯০ হাজার টাকা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে বিঘাতে প্রায় ১২০ থেকে ১৫০ কেজি বীজ উৎপাদন হবে। প্রতি কেজি বীজের মূল্য গত মৌসুমে ছিল ৫ হাজার টাকা। এবার মূল্য আরও বেশি হবে বলে আশা করছি।
কৃষক সামসুজ্জামান বলেন, সর্বনিম্ন দেড় হাজার টাকার ওপরে থাকলে কৃষকের খরচ ওঠে আসে। তাই এ বীজ লাগিয়ে কোনো কৃষক পথে বসেন না। বরং অন্যান্য ফসলের চেয়ে বেশি লাভের মুখ দেখেন কৃষক।