শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ১৯ মার্চ, ২০২৫ আপডেট: ০১:৫৯, বুধবার, ১৯ মার্চ, ২০২৫

সীমান্তের আতঙ্ক আতাউল্লাহ

সাখাওয়াত কাওসার, ঢাকা ও মুহাম্মদ সেলিম, চট্টগ্রাম
প্রিন্ট ভার্সন
সীমান্তের আতঙ্ক আতাউল্লাহ

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর আতঙ্কের নাম আরসা (আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি) প্রধান আতাউল্লাহ। পুরো নাম আতাউল্লাহ ওরফে আবু আমর জুনুনি। শুধু মিয়ানমার নয়, বাংলাদেশের সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকার শীর্ষে এই দুর্ধর্ষ রোহিঙ্গা।

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু কোনারপাড়া এলাকায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) এক কর্মকর্তা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদনে উঠে আসা ৪৯ জন দুর্ধর্ষ আসামির মধ্যে অন্যতম ছিলেন এই আতাউল্লাহ।

জানা গেছে, মিয়ানমার ভিত্তিক বিদ্রোহী সংগঠন হারাকাহ আল ইয়াকিন। পরে সংগঠনটি পরিচিতি পায় আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি বা আরসা নামে। বিদ্রোহী এ সংগঠনটির প্রধান আতাউল্লাহ। তিনি রোহিঙ্গাদের কাছে আলোচিত-সমালোচিত। ২০১৭ সালে তার বিতর্কিত সিদ্ধান্তের কারণে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর শুরু হয় দমন নিপীড়ন। লাখ লাখ রোহিঙ্গাকে পালিয়ে আসতে হয় বাংলাদেশে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর (অব.) এমদাদুল ইসলাম বলেন, রোহিঙ্গাদের নিয়ে কফি আনান কমিশনের প্রতিবেদন দেওয়ার আগ মুহূর্তে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট আতাউল্লাহর নেতৃত্বে মিয়ানমারের পুলিশ চেকপোস্ট হামলা করে আরসা। এ ঘটনার পর মিয়ানমার সেনাবাহিনী সাধারণ রোহিঙ্গাদের ওপর গণহারে নিপীড়ন শুরু করে। ওই হামলার কারণেই লাখ লাখ রোহিঙ্গা আরাকান থেকে বিতাড়িত হয়। তখন থেকে আতাউল্লাহ সাধারণ রোহিঙ্গাদের মাঝে বিতর্কিত চরিত্রে পরিণত। অথচ কফি আনানের ওই প্রতিবেদন রোহিঙ্গাদের অনুকূলেই ছিল। সাধারণ রোহিঙ্গারা মনে করে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সঙ্গে আতাউল্লাহর রয়েছে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ। রোহিঙ্গাদের বর্তমান দুরবস্থার জন্য তাকেই দায়ী করা হয়।

আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপ তাদের এক রিপোর্টে বলেছে- আরসা মূলত গড়ে উঠেছে সৌদি আরবে চলে যাওয়া রোহিঙ্গাদের দ্বারা। মক্কায় থাকে এমন ২০ জন নেতৃস্থানীয় রোহিঙ্গা এই সংগঠনটি গড়ে তোলেন। বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং ভারতে এদের যোগাযোগ রয়েছে।

জানা যায়, আরসা নেতা আতাউল্লাহ ওরফে আবু আম্মার ওরফে আবু ওমর নামে পরিচিত হলেও তার সাংগঠনিক নাম আবু আমর জুনুনি। আতাউল্লাহর বাবা জন্মসূত্রে মিয়ানমারের নাগরিক, মংডুর বাসিন্দা। আশির দশকে তার বাবা রাখাইন থেকে পাকিস্তানের করাচিতে চলে যান। সেখানেই জন্ম হয় আতাউল্লাহর। তবে তিনি বেড়ে উঠেছেন সৌদি আরবের মক্কা নগরীতে। সেখানে মাদরাসায় পড়াশোনা করেছেন। সৌদি আরবে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের নিয়ে ফেইথ মুভমেন্ট নামে একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন আতাউল্লাহ। ২০১২ সালের শুরুতে আতাউল্লাহ সৌদি আরব থেকে হঠাৎ নিরুদ্দেশ হয়ে যান। এরপর সৌদি পাসপোর্ট নিয়েই আতাউল্লাহ চলে আসেন আরাকানে।

২০১২ সালের ২৮ মে এক বৌদ্ধ নারীর বাড়িতে প্রথমে ডাকাতি ও হত্যার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গুজব ছড়িয়ে একটি বাসে হামলার ঘটনা ঘটানো হয়, প্রাণ হারায় ১০ মুসলিম। বাসে হামলাকারীরা ছিল রাখাইন জাতিগোষ্ঠীর লোকজন। পরে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে আরাকানে। প্রাণ হারায় ৮০ জন। উদ্বাস্তু হয়ে পড়ে ১ লাখ মানুষ।

উদ্বাস্তু হয়ে পড়া রোহিঙ্গাদের নিয়ে হারাকাহ আল ইয়াকিন নামে একটি সংগঠন করে পাকিস্তানি নাগরিক আবদুল কুদ্দুস বর্মি। যার প্রধান সামরিক কমান্ডার ছিলেন আতাউল্লাহ ওরফে আবু আম্মার ওরফে আবু ওমর। ২০১৩ সালে যাত্রা শুরু করে হরকাতুল ইয়াকিন। আতাউল্লাহ ছাড়াও সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে ছিলেন মুফতি আবুজার আজ্জাম, মাওলানা মুফতি জিয়াউর রহমান, মাওলানা আবুল কালাম, মুহাম্মদ হামজা ও মাওলানা আবদুল হামিদ। পরে এ সংগঠনটি পরিচিতি পায় আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি বা আরসা নামে।

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট আরাকানের পুলিশ চেকপোস্টে হামলা চালিয়ে আলোচনায় আসে আরসা। মিয়ানমার সরকার দাবি করে, আতাউল্লাহর নির্দেশেই হামলা চালানো হয়। এরপর সেনাবাহিনীর হত্যাযজ্ঞ থেকে বাঁচতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে লাখ লাখ রোহিঙ্গা।

আতাউল্লাহ একসময় ছিলেন আরএসও সদস্য। যুদ্ধ করেছেন আফগান-কাশ্মীরে। ছিলেন হরকাতুল জিহাদ উজবেকিস্তানের সামরিক কমান্ডার। ইয়াকিনের হয়ে আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করেন। তার সঙ্গে পাকিস্তান, উজবেকিস্তান, আফগানিস্তান, কাশ্মীর, সিরিয়াসহ আরব দেশের অর্থদাতাদের ভালো যোগাযোগ রয়েছে।

গোয়েন্দা কর্মকর্তা হত্যা মামলার আসামি : সীমান্তের শূন্যরেখার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ঘাঁটি গড়ে তোলে আরসা। সেখানে সুড়ঙ্গ তৈরি করে অস্ত্রের কারখানা ও গোপন আস্তানা করেছিল সংগঠনটির সদস্যরা। শূন্যরেখার ওই আস্তানায় বসে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং মাদক কারবার পরিচালনা করতেন আরসা প্রধান আতাউল্লাহ। সেখানে গড়ে তোলা হয়েছিল গোল্ডেন আরাকান নামে অত্যাধুনিক একটি রেস্টুরেন্টও। আস্তানায় মাদক মজুতের খবর পেয়ে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু কোনারপাড়া এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনাকালে ২০২২ সালের ১৪ নভেম্বর প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই) ও র?্যাব যৌথ অভিযান চালায়। অভিযানকালে আরসার সদস্যদের গুলিতে নিহত হন গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কোয়াড্রন লিডার রিজওয়ান রুশদী। দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ১৫ নভেম্বর আদালতে ৪৯ জনকে আসামি করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ। আরসা প্রধান আতাউল্লাহ আবু আম্মার জুনুনিসহ সংগঠনটির ৪৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। ২০২৩ সালের ৪ ডিসেম্বর বান্দরবানের মুখ্য বিচারিক হাকিমের আদালত এই আদেশ জারি করেন। এরপর থেকেই তাদের গ্রেপ্তারে সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত রাখে বিভিন্ন সংস্থা।

এই বিভাগের আরও খবর
বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে
বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে
ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত
ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত
ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ
ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ
মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন
মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে
গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে
শহীদদের কবর জিয়ারতে নাহিদ
শহীদদের কবর জিয়ারতে নাহিদ
ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়
ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়
নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন
নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন
৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের
৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের
স্বস্তির ঈদ উদ্‌যাপন
স্বস্তির ঈদ উদ্‌যাপন
ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সহায়তার হাত বাংলাদেশের
ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সহায়তার হাত বাংলাদেশের
সর্বশেষ খবর
তরুণ প্রজন্মকে উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ ড. ইউনূসের
তরুণ প্রজন্মকে উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ ড. ইউনূসের

১ মিনিট আগে | জাতীয়

রাজবাড়ীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ, যুবক গ্রেফতার
রাজবাড়ীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ, যুবক গ্রেফতার

২৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

টেকনাফে এক লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার
টেকনাফে এক লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুড়িগ্রামে মহাসড়ক ও বাস কাউন্টারে জরিমানা আদায়
কুড়িগ্রামে মহাসড়ক ও বাস কাউন্টারে জরিমানা আদায়

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রেনে আগুন : আড়াই ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক
ট্রেনে আগুন : আড়াই ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক

৩৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

পাহাড়ে চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
পাহাড়ে চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

৪০ মিনিট আগে | জাতীয়

বরিশালে নছিমন উল্টে তরুণ নিহত
বরিশালে নছিমন উল্টে তরুণ নিহত

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

৪৬ মিনিট আগে | বাণিজ্য

খোকসায় আট বছরের শিশু ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার
খোকসায় আট বছরের শিশু ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কাহারোল নূরানী তা’লীমুল কুরআন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের 
পুনর্মিলনী
কাহারোল নূরানী তা’লীমুল কুরআন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের  পুনর্মিলনী

৫৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

৫৯ মিনিট আগে | জাতীয়

‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গচ্ছিত টাকাও আ.লীগ লুটপাট করে খেয়েছে’
‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গচ্ছিত টাকাও আ.লীগ লুটপাট করে খেয়েছে’

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্ক-আঘাতে ধরাশায়ী এশিয়ার শেয়ারবাজার
ট্রাম্পের শুল্ক-আঘাতে ধরাশায়ী এশিয়ার শেয়ারবাজার

১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রমজানের অর্জন ধরে রাখা আবশ্যক
রমজানের অর্জন ধরে রাখা আবশ্যক

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ঈদে সেনা-পুলিশের যৌথ টহলে নীলফামারীতে স্বস্তি
ঈদে সেনা-পুলিশের যৌথ টহলে নীলফামারীতে স্বস্তি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই মেশিনে স্বাবলম্বী আনোয়ারা
বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই মেশিনে স্বাবলম্বী আনোয়ারা

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

সরকারি দেবেন্দ্র কলেজ ছাত্রদলের ঈদ পুনর্মিলনী
সরকারি দেবেন্দ্র কলেজ ছাত্রদলের ঈদ পুনর্মিলনী

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক
শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চসিকের সাবেক কাউন্সিলর গ্রেফতার
চসিকের সাবেক কাউন্সিলর গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

১৮ হাজার টাকার জন্য চাপ, বিষপানে দিনমজুরের আত্মহত্যা
১৮ হাজার টাকার জন্য চাপ, বিষপানে দিনমজুরের আত্মহত্যা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

চট্টগ্রামে গুলিবিদ্ধ যুবদল নেতার মৃত্যু
চট্টগ্রামে গুলিবিদ্ধ যুবদল নেতার মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ধলেশ্বরীতে সেনা অভিযানে অস্ত্রসহ ডেঞ্জার গ্যাংয়ের ১৬ সদস্য আটক
ধলেশ্বরীতে সেনা অভিযানে অস্ত্রসহ ডেঞ্জার গ্যাংয়ের ১৬ সদস্য আটক

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইন্দোনেশিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্প
ইন্দোনেশিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু রবিবার
টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু রবিবার

১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

নতুন শুল্ক আরোপ ট্রাম্পের, দেশে দেশে পাল্টা পদক্ষেপের ঘোষণা
নতুন শুল্ক আরোপ ট্রাম্পের, দেশে দেশে পাল্টা পদক্ষেপের ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অস্কারে যাওয়া ‘লাপাতা লেডিজ’ এর বিরুদ্ধে নকলের অভিযোগ
অস্কারে যাওয়া ‘লাপাতা লেডিজ’ এর বিরুদ্ধে নকলের অভিযোগ

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় চোরাকারবারি নিহত
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় চোরাকারবারি নিহত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বয়কটের ডাক, আয় কম, শো বাতিল: বিপাকে ‘সিকান্দার’
বয়কটের ডাক, আয় কম, শো বাতিল: বিপাকে ‘সিকান্দার’

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সর্বাধিক পঠিত
নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে
নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন
ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

১৪ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ
সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার
আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু
মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব
২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!
১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন
সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস
শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র
হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কালুরঘাটে রেল ও সড়ক সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ১৪ মে
কালুরঘাটে রেল ও সড়ক সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ১৪ মে

২০ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের
ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যা মামলার খসড়া তদন্ত রিপোর্ট পেয়েছে প্রসিকিউশন
হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যা মামলার খসড়া তদন্ত রিপোর্ট পেয়েছে প্রসিকিউশন

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদের দিন ঘুরতে বেরিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেফতার
ঈদের দিন ঘুরতে বেরিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেফতার

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে

সম্পাদকীয়

চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই
চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সর্বত্র ভোটের আলোচনা
সর্বত্র ভোটের আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া
সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়
উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়

পেছনের পৃষ্ঠা

ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত
ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত

প্রথম পৃষ্ঠা

ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড
ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড

মাঠে ময়দানে

কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন
কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন

পেছনের পৃষ্ঠা

শাকিবের প্রশংসায় বুবলী
শাকিবের প্রশংসায় বুবলী

শোবিজ

ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল
ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদের ৬ ছবির হালচাল
ঈদের ৬ ছবির হালচাল

শোবিজ

৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের
৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের

প্রথম পৃষ্ঠা

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই

সম্পাদকীয়

রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা
রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা

নগর জীবন

ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়
ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়

প্রথম পৃষ্ঠা

গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে
গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে
বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা
চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব
মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব

দেশগ্রাম

বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ
বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ

দেশগ্রাম

মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন
মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন

প্রথম পৃষ্ঠা

দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার
দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার

দেশগ্রাম

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

প্রথম পৃষ্ঠা

কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ

সম্পাদকীয়

দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪
দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪

পেছনের পৃষ্ঠা

আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা
আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা

রকমারি নগর পরিক্রমা

ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ
ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট
ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট

পেছনের পৃষ্ঠা

নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন
নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন

পূর্ব-পশ্চিম