শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০১:৫৫, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

সরেজমিন

ক্ষোভ ঘৃণার সাক্ষী গণভবন

মাহবুব মমতাজী
প্রিন্ট ভার্সন
ক্ষোভ ঘৃণার সাক্ষী গণভবন

সেই গণভবন এখন একটি পরিত্যক্ত বাড়ি। ৫ আগস্টের আগে এ বাড়িতে কড়া পাহারায় সপরিবার থাকতেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জুলাই-আগস্ট বিপ্লবে সেখানে ঢুকে পড়ে লাখো মানুষ। ক্রোধে, ক্ষোভে ব্যাপক ভাঙচুর, লুটপাট চলে। পরিত্যক্ত সেই বাড়িটি এখন শেখ হাসিনার ওপর মানুষের ক্ষোভ আর ঘৃণার অন্যতম সাক্ষী হিসেবে আছে। বাড়িটির পাহারায় এখন আনসার সদস্যরা। নিয়ন্ত্রণে আছে জাতীয় জাদুঘর কর্তৃপক্ষ। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় জাদুঘরের অনুমতি নিয়ে গণভবনে প্রবেশ করে ঘুরে দেখার সুযোগ হয় এই প্রতিবেদকের।

জাতীয় সংসদ ভবনের উত্তর-পশ্চিমে ২ নম্বর গেট দিয়ে ঢুকে হাতের ডানেই লাল দোতলা বাড়িটিতেই ছিল শেখ হাসিনার আবাস। এ ভবনের দক্ষিণে বিশাল মাঠ, সেখানে শিশুদের দু-একটি খেলনা রাইড। মাঠের সবখানে লম্বা ঘাস।

পূর্বে পুকুর এবং উত্তরে ফাঁকা স্থান ছেড়ে কিছুটা দূরে জিআই তারের জালে ঘেরা টেনিস কোর্ট। সঙ্গে লাগানো পানির পাম্প ও গরুর খামার। এ ছাড়া কর্মচারীদের থাকার কয়েকটি ঘর। আর পশ্চিমে মিরপুর সড়ক পর্যন্ত প্রায় বিস্তীর্ণ চাষের জমি। যেখানে ধান, গম, ভুট্টা ও সবজিসহ নানা দেশি ফলের চাষ। মিরপুর সড়কসংলগ্ন সার্বক্ষণিক বন্ধ থাকা ১ নম্বর গেটের পাশে এবং ২ নম্বর গেটের পাশেও দেখা গেছে কৃষি চাষাবাদের কিছু উপকরণ। কয়েকটি ঘাস-কাটার মেশিন। চারদিকে নানা গাছ-গাছালিতে ভরা। ১ নম্বর গেটের পাশে বিদ্যুতের সাবস্টেশন ও জেনারেটর মেশিন। ভিতরের দিকে যেতে রাস্তার পাশে অন্তত ৭টি বিধ্বস্ত গাড়ি। বিভিন্ন জায়গায় ভাঙা সীমানাপ্রাচীর।

এখানে কথা হয় আনসার সদস্য মশিউর রহমানের সঙ্গে। তিনি বলেন, আমরা আসছি অল্প কয়েক দিন হলো। কোথায় কী আছে কিছু বলতে পারি না।

মূল ভবনের পূর্বের দরজার পাশে রাখা আছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নিহত গোলাম নাফিজের দেহ বহনকারী রিকশাটি। সেই রিকশাটি হৃদয় স্পর্শ করেছে সবারই। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই ছবি দেখে চোখের কোণে জল আসেনি এমন মানুষ হয়তো কমই আছে। রিকশাটিকে স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে গণভবনের জুলাই-গণ অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে রাখার কথা জানানো হয়েছে।

শেখ হাসিনার সরকারি এ আবাসে দুই ডজনের বেশি কক্ষ আছে। নিচতলায় ছয়টি বেডরুম। দুটি বিশাল হলরুম। সেখানে সংবাদ সম্মেলন ও বৈঠক করতেন। তিনটি ড্রয়িং ও লিভিং রুম। এর সিলিংয়ে এখনো ঝুলছে ভাঙা ঝাড়বাতির অংশবিশেষ। দোতলায় সাতটি বেডরুম। ভবনের মূল নকশার বাইরে গিয়ে কাচে ঘেরা লিফট স্থাপন করা হয়েছে। দোতলার বেডরুমগুলোকে কলাপসিবল গেট দিয়ে সুরক্ষিত রাখা ছিল। মাঝে রাজকীয় সিঁড়ি। পশ্চিম এবং পূর্বেও সিঁড়ি। অন্ধকারাচ্ছন্ন বিশাল ঘরগুলোর কাচভাঙা জানালার ফাঁক দিয়ে দিনে সূর্যের আলো ঢোকে।

দোতলার পূর্বে বড় একটি ড্রয়িং রুম। এ ড্রয়িং রুমে দাঁড়িয়ে বিশাল পুকুরটি দেখা যায়। এ পুকুরে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী মাছ ধরতেন।

তবে তার বিরুদ্ধে সীমাহীন দুর্নীতি আর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় কয়েক সহস্রাধিক মানুষকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনা হয়েছে। সেসব অভিযোগ বিচারাধীন।

পূর্বদিকের দরজা দিয়ে মূল ভবনের ভিতরে ঢুকতেই ধুলায় ঢেকে থাকা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে অসংখ্য কাগজ, কাচ, সিরামিক, কাঠের টুকরা এবং ভাঙা আসবাবপত্র পড়ে থাকতে দেখা যায়। মেঝের কোথাও কোথাও কুকুরছানার মল। আবার ঘরের কোথাও কোথাও মাকড়সার জাল। প্রতিটি দেয়ালে স্বৈরাচার ও আওয়ামী লীগবিরোধী নানা স্লোগান লেখা। শেখ হাসিনার বেডরুমের বাইরে বারান্দায় বেশ কিছু কাগজের মধ্যে একটি চোখে পড়ল। পড়ে থাকা কাগজগুলোর কয়েকটি পাতায় বিডিআর বিদ্রোহের নেপথ্য, কারা কারা সংশ্লিষ্ট এবং ঘটনা তদন্তে কী কী পাওয়া যায়নি তা উল্লেখ করা। করিডর পেরিয়ে দক্ষিণ দিকে একটি কক্ষে পাওয়া গেল আরেকটি কাগজ। সেখানে পত্রিকার কাটিং থেকে বিভিন্ন হামলায় আহত-নিহত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের তালিকা করা। এ ছাড়া ২০১১ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর ধানমন্ডিতে সাবেক সচিবদের নিয়ে করা বৈঠকের সারসংক্ষেপও পাওয়া গেছে। সেখানে অবসরপ্রাপ্ত সচিবরা তৎকালীন সরকারকে নানা পরামর্শ দিয়েছিলেন তাও লিপিবদ্ধ করা। সরকারি নানা সংস্থায় নিয়োগ দিতে কয়েকজনের জীবনবৃত্তান্তও দেখা গেল।

ধ্বংসস্তূপের নিচে পাওয়া আরেকটি কাগজে ছয়জনের একটি তালিকা রয়েছে, যাদের অর্থদাতা ও উসকানিদাতা হিসেবে শেখ হাসিনার কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে।

দক্ষিণ লাইনে মাঝে একটি কক্ষের ভিতরে গিয়ে মনে হলো এটিতে হয়তো থাকতেন শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়। মেঝেতে এক কোণে মা, খালা এবং বোনের সঙ্গে থাকা জয়ের একটি ছবি পাওয়া গেল। পাশে বিটিসিএলের নানা প্রকল্পের একটি তালিকা এবং কাজের অগ্রগতির পরিমাণ লেখা একটি কাগজ ছিল। সেখানে বাংলাদেশ ক্যাবল শিল্প স্থাপনের একটি পরিকল্পনা প্রতিবেদনও ছিল। পাশের আরেকটি কক্ষের বারান্দায় পাওয়া গেল রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিকের ভিজিটিং কার্ড এবং পোষা প্রাণীর ভাঙা খাঁচা। এ ছাড়া বিভিন্ন ইংরেজি পত্রিকা, ২০২৪ নির্বাচনে মনোনয়নপ্রাপ্তদের নামের তালিকা, বিভিন্ন অনুষ্ঠানের লিখিত বক্তৃতা এবং বাজেটের কাগজপত্রও দেখা গেছে। 

এ গণভবনে গত বছরের ৫ আগস্ট ব্যাপক লুটপাট হয়। নগদ অর্থ, আসবাব, ফ্রিজ থেকে শুরু করে শাড়ি, গয়না, দামি খাবার সবকিছু লুটপাট করা হয়। যদিও পরবর্তী সময়ে অনেকে লুটের জিনিস ফেরত দিয়ে গেছেন। তবে এখনো অনেক কিছু ধ্বংসস্তূপ আর ধুলার মধ্যে পড়ে আছে। প্রতিটি কক্ষ ঘুরে চোখে পড়ে অসংখ্য গ্রাফিতি। এর মধ্যে একটা আমার বাপের দেশ, জয় গণতন্ত্র-২০২৪, আমার তন্ত্র তোমার তন্ত্র গণতন্ত্র, ফেনীতে ছাত্র হত্যার বিচার করব ইত্যাদি।

ভবনের নিচতলায় বলরুম থেকে বেরিয়ে পশ্চিমে বিভিন্ন আসবাবপত্র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রাখার চিত্র দেখা গেল। তখন সেখানে এগুলোর তালিকা ও ছবি তুলে রাখছিলেন জাতীয় জাদুঘরের কর্মচারীরা। সেখানে দামি দামি ফ্রিজ, এসি, সোফা, স্ক্যানার মেশিন, আর্চওয়ে এবং পাওয়ার টিলার রাখা।

ভবনের মূল প্রবেশপথ দিয়ে বের হওয়ার সময় চোখে পড়ে একটি গ্রাফিতি। সাদা দেয়ালে লাল কালিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শেখ হাসিনাকে ইঙ্গিত করে একটি বার্তা লেখা। আরেক পাশে লেখা হাসু আপা পালাইছে। পশ্চিমের প্রবেশপথে ছাত্রলীগকে ইঙ্গিত করে একটি বার্তা লেখা। বাইরে দেয়ালে লেখা- যেই আসবি চুরি করবি না। বিপরীতে পড়ে রয়েছে একটি ডেন্টাল চেয়ার, একটি ম্যাসাজ চেয়ার আরেকটি ট্রেডমিল।

তবে শেখ হাসিনার দেশ ছাড়ার পর গণভবনকে জাদুঘরে রূপান্তরের কাজ চলছে বলে জানিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার। জানা গেছে, বাংলাদেশে যত সরকার কিংবা রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন তাঁদের মধ্যে শুধু শেখ হাসিনাই গণভবনে বসবাস করেছেন। এ ছাড়া অন্য কোনো সরকার কিংবা রাষ্ট্রপ্রধান সেখানে বসবাস করেননি। যদিও নানাবিধ রাষ্ট্রীয় কাজে গণভবন ব্যবহৃত হয়েছে। শেখ হাসিনা যখন ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন তখন তিনি ১ টাকার বিনিময়ে গণভবন বরাদ্দ নিয়ে সেখানে বসবাস করতে শুরু করেন। প্রধানমন্ত্রিত্ব ছাড়ার পরও তিনি সেখানে বাস করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তীব্র রাজনৈতিক বিতর্কের মুখে শেখ হাসিনা ২০০১ সালে গণভবন ছাড়তে বাধ্য হন।

এই বিভাগের আরও খবর
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
সর্বশেষ খবর
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী

১ সেকেন্ড আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

১৯ মিনিট আগে | শোবিজ

বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের
বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

২৯ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক
মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক

৩১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঈদের ছুটিতেও
ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান
ঈদের ছুটিতেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

৩৩ মিনিট আগে | রাজনীতি

ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা
ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা

৩৬ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি
খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি

৪২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

৫৮ মিনিট আগে | শোবিজ

নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ
নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ

৫৯ মিনিট আগে | পরবাস

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি
বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত
গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত
তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'
'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তুরস্ক–গ্রিস উপকূলে পৃথক নৌকাডুবিতে ১৬ জনের প্রাণহানি
তুরস্ক–গ্রিস উপকূলে পৃথক নৌকাডুবিতে ১৬ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুর্নীতি দমনে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড চুক্তি স্বাক্ষর
দুর্নীতি দমনে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড চুক্তি স্বাক্ষর

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রড ও কাঠ দিয়ে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর, স্বামী গ্রেফতার
রড ও কাঠ দিয়ে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর, স্বামী গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার
গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাগেরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩
বাগেরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু
দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান
যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

১১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে থাই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে থাই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

৫ ঘণ্টা আগে | পরবাস

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা
পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা

নগর জীবন

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত
ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত

পেছনের পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা

শোবিজ

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য

সম্পাদকীয়

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা