চৈত্রের সকাল থেকেই আছে সূর্যের চোখ রাঙানি। তাপদাহ জনজীবনে কিছুটা অস্বস্তিও এনেছে। কিন্তু তাতে কী, বছর ঘুরে আসা ঈদুল ফিতরের আনন্দ তাতে বাধা হতে পারে না একটুও! তাই ঈদের দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার সকাল থেকেই নীলফামারীর নীলসাগরে উপচেপড়া ভিড়। আনন্দে উদ্বেল সকলে, বিশেষ করে শিশু-কিশোরদের উচ্ছাস চোখে পড়ার মতো।
প্রতিবছর ঈদের সময় নীলফামারী ছাড়াও বিভিন্ন এলাকা কিংবা দূর-দূরান্ত থেকেও মানুষ ছুটে আসেন এখানে। এবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি।এখানে বিশাল জলরাশির দীঘি এবং দীঘির পাশে নানা জাতের গাছ রয়েছে। একান্ত নিরিবিলি সময় কাঁটানোর নিরাপদ ও কোলাহলমুক্ত স্থান নীলসাগর। এখানে শিশুদের বিনোদনের জন্য রয়েছে ঘোড়ার গাড়ি,মাটির তৈরী বিভিন্ন পশু-পাখির ভাস্কর্য, দোলনা, স্পীপার, বসার জন্য বেঞ্চসহ অলকানন্দা নামে রেস্ট হাউজ রয়েছে। দর্শনার্থীদের জন্য মসজিদ,মন্দির, এবং গোসলের জন্য নিরাপদ ঘাট রয়েছে।
নীলসাগরে ঘুরতে আসা দর্শনার্থী আব্দুর রহিম বলেন,গত দুই বছর আগে আমি নীলসাগরে ঘুরতে এসেছিলাম। যা দেখেছি তাই রয়েছে। তেমন কোন পরিবর্তন হয়নি। আশা করি এবার হবে।
দর্শনার্থী আফসানা আক্তার বলেন,আমি আমার ছোট ছেলে মেয়েকে নিয়ে এসেছি।তবে এখানে তাদের বিনোদনের জন্য তেমন কোন রাইডস নেই। আমি মনে করি এখানে আরও বিভিন্ন ধরনের রাইডস প্রয়োজন।
তত্ত্বাবধায়ক রুবেল আহমেদ বলেন, ঈদ বিনোদনে নীলসাগর দিনভর হাজার, হাজার মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে। এখানে দূর-দুরান্ত থেকে অনেক মানুষ আসে। ২০ টাকা টিকিটে এখানে প্রবেশ করতে পারবেন দর্শনার্থীরা।
বিডি প্রতিদিন/এএম