রাঙামাটির সাজেক ভ্যালি পর্যটন কেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পুড়ে গেছে প্রায় হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট ও স্থানীয়দের বসতিসহ ৮৫টি স্থাপনা। আজ সোমবার দুপুর ১টার দিকে বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নের পর্যটন কেন্দ্র ভ্যালিতে এ ঘটনা ঘটে।
সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের প্রায় পাঁচ ঘণ্টা চেষ্টায় সন্ধ্যা ৬টার দিকে আগুনে নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে এঘটনায় কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। নিরাপদে আছেন পর্যটকরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সাজেক ভ্যালীর একটি রিসোর্ট থেকে প্রথমে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তে আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের হোটেল, মোটেল, রিসোর্টে ও স্থানীয়দের বাড়িঘরে। চোখের পলকে বেড়ে যায় আগুনের ভয়াবহতা। এসময় সাজেকে অবস্থানরত পর্যটকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে দ্রুত ছুটে যায় সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, বিজিবি ও স্থানীয়রা।
পানি না থাকার কারণে সময়ের সঙ্গে বাড়তে থাকে আগুনির ভয়াবহতা। পরে সেনাবাহিনীর সহায়তায় হেলিকপ্টারে করে পানি দেওয়া হয় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায়। ,, , ১২
রাঙামাটি সাজেক পর্যটন কেন্দ্রের সভাপতি সূপনা দেব বর্মন বলেন, ৩১টি হোটেল, মোটেল ও রিসোর্ট পুড়েছে। রেস্টুরেন্ট ও দোকান পুড়েছে ১৯টি। এছাড়া হেডম্যানের ঘরসহ প্রায় ৩৫টি স্থানীয়দের বাড়িঘর পুড়েছে।
এ ঘটনার পর রাঙামাটির জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন উপ সচিব মোবারক হোসেন। তিনি বলেন, অগ্নিকাণ্ডের কারণে হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে। এখনো ক্ষয়ক্ষতির তালিকা নির্ধারণ করা হয়নি। আগুনের সূত্রপাত সর্ম্পকে তদন্ত করা হচ্ছে।
রাঙামাটির বাঘাইহাট সেনা জোন কমান্ডার লে. কর্ণেল মো. খায়রুল আমীন বলেন, সঠিক সময় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা না গেলে ভয়াবহতা আরও বাড়তো। সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস যথেষ্ট চেষ্ট করেছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে। তবে পানির উৎস কম থাকায় এতো বড় ঘটনা ঘটেছে। পর্যাপ্ত পানি ব্যবস্থা থাকলে আগুন আরও আগে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হতো।
বিডি প্রতিদিন/মুসা