দিনাজপুরের রানীরবন্দর-চিরিরবন্দর আঞ্চলিক সড়কে ট্রাক্টর ও এক্সেভেটরের (ভেকু) নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই এক্সেভেটর চালক নিহত হয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছে ট্রাক্টর চালক।
দুর্ঘটনার অন্তত ৫ ঘণ্টা পর নিহত এক্সেভেটর চালকের মরদেহ ও গুরুতর আহত অবস্থায় ট্রাক্টর চালককে জীবিত উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসকর্মীরা। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে রানীরবন্দর-চিরিরবন্দর সড়কে চিরিরবন্দরের আব্দুলপুর ইউনিয়নের আন্ধারমুহা গ্রামের হাইছো রাইস মিলের কাছে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত এক্সেভেটর (ভেকু) চালক জুয়েল রানা টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার মুরসিংদা গ্রামের ইসমাঈল হোসেনের ছেলে। আহত ট্রাক্টর চালক সাজেদুর রহমান (২২) চিরিরবন্দর উপজেলার সাঁইতাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ পলাশবাড়ী গ্রামের হাজীপাড়ার সাদেকুল হকের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে ট্রাক্টর লোবেটে করে একটি এক্সেভেটর (ভেকু) মেশিন নিয়ে চিরিরবন্দরের উদ্দেশে যাওয়ার পথে আন্ধারমুহা গ্রামের হাইছো রাইস মিলের কাছে ট্রাক্টরের সামনের চাকা ভেঙে যায়। এতে ট্রাক্টরটি এক্সেভেটরসহ সড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়। এসময় জুয়েল রানা ও সাজেদুর রহমান ট্রাক্টর ও এক্সেভেটরের নিচে চাপা পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই এক্সেভেটর চালক জুয়েল রানা নিহত হন এবং ট্রাক্টর চালক সাজেদুর রহমান গুরুতর আহত হন।
এসময় তাদের ট্রাক্টর-এক্সেভেটরের ভেতরে আটকে পড়া অবস্থা থেকে বের করা না গেলে দিনাজপুর পুলিশ লাইন থেকে রেকার ও পাশের ইটভাটা থেকে একটি এক্সেভেটর নিয়ে এসে পুলিশ এবং সৈয়দপুর ও চিরিরবন্দর ফায়ার সার্ভিসকর্মীরা প্রায় ৫ ঘণ্টাব্যাপী উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে মরদেহ ও জীবিত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে।
চিরিরবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যার আগে ট্রাক্টর লোবেটে করে একটি এক্সেভেটর (ভেকু) মেশিন নিয়ে চিরিরবন্দরের উদ্দেশে যাওয়ার পথে আন্ধারমুহা গ্রামের হাইছো রাইস মিলের সন্নিকটে দুর্ঘটনার শিকার হয়। এ দুর্ঘটনার অন্তত ৫ ঘণ্টা পর মরদেহ ও জীবিত ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়।
বিডি প্রতিদিন/এসআই