পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমদ বলেছেন, পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করতে পরিবেশের ক্ষতি কমিয়ে উৎপাদন ব্যবস্থা পরিচালনা করা জরুরি। তিনি টেকসই খাদ্য উৎপাদনের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, এ জন্য নদী, খাল, উপত্যকা ও বায়ুমণ্ডলসহ প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করতে হবে।
মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অনুষ্ঠিত "খাদ্যব্যবস্থা ও পুষ্টির দৃষ্টিকোণ থেকে জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন" শীর্ষক কর্মশালায় এসব কথা বলেন তিনি। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ইমপ্রুভড নিউট্রিশন (গেইন) যৌথভাবে এই কর্মশালার আয়োজন করে।
ড. ফারহিনা আহমেদ গেইনের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারককে (MoU) স্বাগত জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই সহযোগিতা খাদ্য ব্যবস্থার চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করতে এবং জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনার (NAP) আওতায় কার্যকর সমাধান খুঁজে পেতে সহায়ক হবে।
কর্মশালার উদ্বোধন করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম। কর্মশালায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. কামরুজ্জামান, খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিদর্শন ইউনিটের মহাপরিচালক মাহবুবুর রহমান, গেইনের কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. রুদাবা খন্দকার এবং গেইনের উপদেষ্টা ও সাবেক অতিরিক্ত সচিব সঞ্জয় কুমার ভৌমিক।
কর্মশালায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, নাগরিক সমাজ, এনজিও, বিজ্ঞানী ও গবেষকরা অংশ নেন। তরুণ ও নারী প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। খাদ্য ব্যবস্থার পরিবর্তনে জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনার সুযোগ নিয়ে কর্মশালায় আলোচনা হয়।
বিডি প্রতিদিন/আরাফাত