গলা থেকে শরীরের নিচের অংশ মাটিচাপা দিয়ে রাখা সামাজিক যোগাযোগামাধ্যমে ভাইরাল হওয়া সেই শিশুটি অবশেষে মুক্তিপণের বিনিময়ে মুক্ত হয়েছে।
বুধবার সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওটিতে শিশুটিকে রোহিঙ্গা ভাষায় বলতে শোনা যায়, ‘আব্বা তরাতরি চেষ্টা গর। মরে গাতত গলায় পিল্লে। টিয়া দে। (বাবা তাড়াতাড়ি চেষ্টা কর, আমাকে গর্তে পুঁতে ফেলেছে, টাকা পাঠাও)।’ ভাইরাল হওয়া এ ভিডিওটি নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। উদ্ধার হওয়া ওই শিশুটি গত ৮ জানুয়ারি ক্যাম্পের এপিবিএন অফিসসংলগ্ন খেলার মাঠ থেকে নিখোঁজ হয়। মোহাম্মদ আরকান নামে সাত বছরের শিশুটি থাইংখালী-১৯ নম্বর রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরের সি-১৫ ব্লকের বাসিন্দা আবদুর রহমান ও আনোয়ারা বেগমের ছেলে। নিখোঁজের পর উখিয়া থানায় জিডি করেন আবদুর রহমান। এরই মধ্যে ১০ জানুয়ারি এই ভিডিওবার্তার পর জানতে পারেন ছেলে অপহরণ হয়েছে। দাবি করা হয় ৭ লাখ টাকা মুক্তিপণ। পরে কয়েক দফায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার পর ১৪ জানুয়ারি রাত ১১ টার দিকে কুতুপালং এলাকার এমএসএফ হাসপাতালের সামনে শিশুটিকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ফেলে দিয়ে চলে যায় অপহরণকারীরা।
অপহরণের পর থানায় জিডি করা হয়েছে জানিয়ে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আরিফ হোসেন বলেন, জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।