জয়পুরহাটে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে চোখসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ৬৫টি ছররা গুলি লাগে রাকিবুল হাসান রকির। এরপর তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও বর্তমানে ডান চোখে দেখতে পান না তিনি। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বাম চোখও। এখন কর্ম হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন রকি ও তার পরিবার। উন্নত চিকিৎসার জন্য সরকারের সহযোগিতা চান তার পরিবার ও এলাকাবাসী।
সরেজমিনে জানা গেছে, জয়পুরহাট শহরের জানিয়ার বাগান এলাকায় দরিদ্র হোটেল শ্রমিক মোকলেছুর ও গৃহিণী রহিমা দম্পতির ছেলে রাকিবুল হাসান রকিসহ দুই সন্তানকে নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করেন। আন্দোলন চলাকালে নারায়ণগঞ্জের একটি পোশাক কারখানা থেকে রকি ছুটিতে বাড়িতে এসেছিলেন। এরপর গত ৪ আগস্ট ছাত্র-জনতার মিছিলে যোগ দেন রকি। এ সময় শহরের রেলগেট এলাকায় পুলিশ ও ছাত্র-জনতার সংঘর্ষের মধ্যেই চোখসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ৬৫টি ছররা গুলিতে আহত হন। এতে এক চোখের দৃষ্টি হারিয়ে ফেলেন রকি। হতদরিদ্র হোটেল শ্রমিক বাবা ছেলের উন্নত চিকিৎসা করাতে না পেরে পড়েছেন চরম বিপাকে। সরকারের কাছে ছেলের উন্নত চিকিৎসা ও আর্থিক সহযোগিতা চান তারা।
এ বিষয়ে জয়পুরহাট জেলা প্রশাসক আফরোজা আকতার চৌধুরী বলেন, রকির চিকিৎসার জন্য কিছু অর্থ সহায়তাও করা হয়েছে। সরকার থেকে বরাদ্দ এলে তাকে আরও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।