রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চলে যুদ্ধরত উত্তর কোরিয়ার দুই সেনাকে আটকের দাবি করেছে ইউক্রেন। আটক সেনাদের রাজধানী কিয়েভে নেওয়া হয়েছে। সেখানে তদন্তকারীরা তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করবেন বলে জানিয়েছে দেশটি।
এ বিষয়ে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, এ দুই যুদ্ধবন্দি ইউক্রেনের অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা সিকিউরিটি সার্ভিস অব ইউক্রেনের (এসবিইউ) সঙ্গে ‘যোগাযোগ’ করেছিল। এখন ওই দুজনকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তারা কিয়েভে ইউক্রেনের সুরক্ষা পরিষেবা (এসবিইউ) গোয়েন্দা সংস্থার হেফাজতে রয়েছেন। জেলেনস্কি বলেন, উত্তর কোরিয়ানদের আটক করার জন্য তিনি ইউক্রেনীয় প্যারাট্রুপার এবং স্পেশাল অপারেশন ফোর্সের সৈন্যদের প্রতি ‘কৃতজ্ঞ’। এ কাজ সহজ ছিল না মন্তব্য করে তিনি বলেন, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে উত্তর কোরিয়ার সংশ্লিষ্টতার কোনো প্রমাণ না রাখতে রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার সেনারা সাধারণত আহত উত্তর কোরিয়ানদের মেরে ফেলে। এএফপি
ইউক্রেনের গোয়েন্দা সংস্থা এক বিবৃতিতে বলেছে, ৯ জানুয়ারি ওই বন্দিদের আটক করা হয়। এর পরপরই ‘জেনেভা কনভেনশন’ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয় এবং কিয়েভে নিয়ে যাওয়া হয়। আন্তর্জাতিক আইনের বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী তাদের যথাযথ অবস্থায় রাখা হয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থাটি বলছে, ওই বন্দিরা ইউক্রেনীয়, ইংরেজি বা রুশ ভাষায় কথা বলতে পারে না। তাই দক্ষিণ কোরিয়ার এনআইএসের (ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস) সহযোগিতায় কোরীয় দোভাষীর মাধ্যমে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে। টেলিগ্রাম ও এক্সে পোস্ট করা বিবৃতিতে জেলেনস্কি বলেছেন, ওই সেনাদের সঙ্গে এসবিইউ তদন্তকারীদের কথা হয়েছে।
আটক কোরিয়ানদের সঙ্গে সাংবাদিকদের কথা বলার সুযোগ দিতে এসবিইউকে নির্দেশ দেওয়ার কথাও বলেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, যা ঘটছে, সে বিষয়ে সত্য জানা দরকার বিশ্বের। জেলেনস্কি তার বিবৃতির পোস্টে চারটি ছবি জুড়ে দিয়েছেন। দুটিতে আহত ব্যক্তিদের দেখা যাচ্ছে। একটি ছবিতে রয়েছে রুশ সামরিক বাহিনীর লাল রঙের আইডি কার্ড।