মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রেসিডেন্সি ক্ষমতার মেয়াদ আর মাত্র ১৪ দিন বাকি। এর শেষ দিকে স্থানীয় সময় শনিবার দেশটির সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার ‘প্রেসিডেনশিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম’ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদান করেছেন তিনি। সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন, শেফ জোসে আন্দ্রেস, অভিনেতা মাইকেল জে. ফক্স এবং সংরক্ষণবাদী জেন গুডালকে এবার পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। বাইডেন আরও যাঁদের এই সর্বোচ্চ মার্কিন বেসামরিক সম্মাননা প্রদান করেছেন তাঁরা হলেন মানবতাবাদী ও ইউ২ গায়ক বোনো, ফ্যাশন ডিজাইনার রালফ লরেন, ‘সায়েন্স গাই’ বিল নাই, অভিনেতা ডেনজেল ওয়াশিংটন, বাস্কেটবল তারকা আর্ভিন ‘ম্যাজিক’ জনসন ও ভোগ ম্যাগাজিনের সম্পাদক আনা উইনটুর। আন্তর্জাতিক ফুটবল তারকা লিওনেল মেসি, যিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না, তিনিও এই পুরস্কার পেয়েছেন। হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা জানান, আর্জেন্টিনীয় খেলোয়াড়ের সময়সূচি জটিলতার কারণে তিনি উপস্থিত থাকতে পারেননি। এ ছাড়া বিনিয়োগকারী ও দাতা জর্জ সোরোসও পুরস্কার পান, যা তাঁর ছেলে অ্যালেক্স তাঁর হয়ে গ্রহণ করেন। বাইডেন মরণোত্তর এই মেডেল প্রদান করেন সিভিল রাইটস কর্মী ফ্যানি লু হ্যামার, সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী অ্যাশ কার্টার, সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ও মার্কিন সিনেটর রবার্ট এফ কেনেডি এবং মিশিগানের সাবেক গভর্নর ও হাউজিং অ্যান্ড আরবান ডেভেলপমেন্ট সেক্রেটারি জর্জ রোমনিকে। মিট রোমনি তাঁর বাবার পক্ষে এই সম্মাননা গ্রহণ করেন। সিএনএন
অনুষ্ঠানে বাইডেন বলেন, এই প্রাপকদের মধ্যে প্রতিটি ব্যক্তিই অসাধারণ এবং আমেরিকার সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ গঠনে তাঁরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
হিলারি ক্লিনটন যিনি ২০১৬ সালের নির্বাচনে প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ছিলেন এবং বাইডেনের পুনর্র্নির্বাচন প্রচারণার সমর্থক ছিলেন, তিনি অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে অভ্যর্থনা পান। মাইকেল জে. ফক্স, যিনি ‘ব্যাক টু দ্য ফিউচার’ সিনেমা এবং ‘ফ্যামিলি টাইস’ ও ‘স্পিন সিটি’ টেলিভিশন শোতে তাঁর ভূমিকার জন্য পরিচিত, তিনি পারকিনসন্স রোগে আক্রান্ত। তিনি হুইলচেয়ারে অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করেন, তবে সহায়তার মাধ্যমে দাঁড়িয়ে মেডেল গ্রহণ করেন।
জোসে আন্দ্রেস, যিনি ওয়ার্ল্ড সেন্ট্রাল কিচেন নামক দাতব্য সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা, বিভিন্ন সংকটপূর্ণ অঞ্চলে মানুষদের খাবার সরবরাহ করেছেন। তিনি পুরস্কার গ্রহণের সময় আবেগে আপ্লুত হন।