শিল্পীরা হয় ‘স্বজনপোষণজাত’ বা ‘নেপো কিড’ কিংবা ‘বহিরাগত’। অর্থাৎ তারা পারিবারিক ঐতিহ্য নিয়ে অভিনয়ে আসেননি। ১৫ বছর অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকার পর বলিউডের এ মেরুকরণের জেরে কি অস্তিত্ব বিপন্ন তামান্না ভাটিয়ার। তাকে বলতে শোনা গেছে, না আমি ‘নেপো কিড’ না ‘বহিরাগত’! আমাকে তা হলে কোন দলে ফেলবেন? ২০২০ সালে লকডাউনের আগে অভিনেতা সুশান্তর মৃত্যু হয়। তাঁর অস্বাভাবিক মৃত্যুর একাধিক কারণ প্রকাশ্যে আসে। সে সময় শোনা গিয়েছিল, প্রতিভা থাকা সত্ত্বেও সুশান্ত বলিউডে ‘স্বজনপোষণ’-এর শিকার। বহিরাগত হওয়ায় কাজ পাচ্ছিলেন না। অবসাদে ভুগছিলেন। তখনো বলিউডের এক দল ব্যঙ্গ করেছিলেন সোনম কাপুর, সোনাক্ষী সিংহদের।
তাদের দাবি, স্রেফ পারিবারিক সুপারিশের জোরেই তারা অভিনেত্রী। এ দুই দিকই অস্বীকার করেছেন তামান্না। জানিয়েছেন, টিকে থাকতে গেলে নিজস্ব প্রতিভা থাকা দরকার। এ গুণ না থাকলে নিজেকে প্রমাণ করা যায় না।