ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী নাদিয়া আহমেদ। নৃত্যশিল্পী ও মডেল হিসেবেও তার পরিচিতি রয়েছে। অসংখ্য টেলিভিশন নাটকে অভিনয় করে দর্শকপ্রিয় হয়েছেন। অভিনয় জীবনের ২৫ বছর পূর্ণ করলেন তিনি। এ বিষয়ে তাঁর বলা কথা তুলে ধরেছেন- আলাউদ্দীন মাজিদ
অভিনয় জীবনের ২৫ বছরে বড় প্রাপ্তি কী?
মানুষের ভালোবাসা ও সম্মান বড় অর্জন ২৫ বছরে। যেখানেই যাই মানুষের ভালোবাসা পাই। মানুষ সম্মান করেন। বিদেশের মাটিতে গেলেও প্রবাসীদের সম্মান ও ভালোবাসা পাই। এরচেয়ে বড় অর্জন আর কী হতে পারে। আমার শিল্পীজীবনকে সমৃদ্ধ করেছে এই ভালোবাসা।
অভিনয়ে সফলতার জন্য কার অবদান মুখ্য?
আমার এই সফলতার জন্য আমার মায়ের অবদানই মুখ্য। মা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করা একজন মানুষ। তার অসম্ভব সাপোর্ট ছিল, চেষ্টা ছিল। যেজন্য আমি শোবিজে কাজ করতে পেরেছি। মায়ের সাপোর্টের কথা বলে শেষ করতে পারব না। সত্যি মায়ের কাছে আমি অনেক ঋণী।
দীর্ঘ এ পথচলায় কোনো অপূর্ণতা আছে কি?
মোটেও না। দর্শকদের ভালোবাসা পেয়েছি। এখনো পাচ্ছি। অনেকরকম চরিত্রে অভিনয় করেছি। নাচ নিয়ে অসংখ্য পুরস্কার পেয়েছি। আগেই বলেছি মানুষের অবারিত ভালোবাসা পেয়েছি। এখনো অভিনয় করে যাচ্ছি এবং ভালোভাবেই করে যাচ্ছি। আমি নৃত্যশিল্পী ও অভিনয়শিল্পী। অভিনয়ে বিরতি নিইনি। টানা ২৫ বছর অভিনয় করে যাচ্ছি। সবমিলিয়ে অপূর্ণতা বলে আমার অভিনয় জীবনে কিছুই নেই।
শোবিজ অঙ্গনে কেমন সহযোগিতা পেয়েছেন?
এই সহযোগিতার কথা বলে শেষ করা যাবে না। শোবিজ অঙ্গনের সব মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি। সিনিয়রদের স্নেহ পেয়েছি। সমসাময়িকদের সবার সঙ্গেই সুন্দর সম্পর্ক। জুনিয়ররাও সম্মান করেন। সবাই মিলে আমরা একটা পরিবারের মতো। আমার এ পরিবার আমার কাছে অনেক প্রিয়।
আপনার সফলতার মূলমন্ত্র কী?
সফলতার মূল মন্ত্র হলো এ কথায় পরিশ্রম ও সততা। শুধু অভিনয় নয়, যে কোনো কাজেই পরিশ্রমের কোনো বিকল্প নেই। কখনো শুটিংয়ে দেরি করে যাইনি। সততার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি। এ জন্য আজও সবার ভালোবাসা পাচ্ছি। পরিশ্রম ও সততার কারণে ২৫ বছরের অভিনয় জার্নিতে আমার প্রতি কারও ভালোবাসা বিন্দুমাত্র কমেনি। এতে আমি নিজের প্রতি অনেক তৃপ্ত।
অভিনয় নিয়ে ভাবনা কী?
বলতে পারেন আমি একজন আভিনয় পাগল মানুষ। অভিনয় আমার কাছে ভীষণ প্রিয়। অভিনয় আমার ভালোবাসা। ২৫ বছরের জার্নিতে অভিনয়ের প্রতি ভালোবাসা কমেনি, বরং বেড়েছে। এই অর্জন আজীবন ধরে রাখতে চাই।