শীতের শেষ সময়ে ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে বগুড়া। রাত থেকে শুরু করে দুপুর পর্যন্ত কুয়াশায় কিছু চোখে পড়ে না। মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কগুলোতে বিভিন্ন ধরনের যানবাহন হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চলাচল করছে। অনেক সময় ঘটছে দুর্ঘটনাও। তবে বিকালে অল্প কিছু সময় দেখা মিলছে সূর্যের।
জানা যায়, মাঘ মাসের শেষে হঠাৎ সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে কুয়াশা পড়তে শুরু করেছে এই জনপদে। রাত বাড়ার সাথে সাথে কুয়াশার ঘনত্ব আরও বেড়ে যায়। এই ঘন কুয়াশা থাকছে দুপুর পর্যন্ত। এতে সড়কে বাড়ছে দুর্ঘটনা। গত ২৮ জানুয়ারি সড়ক দুর্ঘটনায় কুন্দারহাট বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একজন ও ৩১ জানুয়ারি রণবাঘা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া প্রতিনিয়ত জেলার বিভিন্ন স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় খবর পাওয়া গেছে। ঘন কুয়াশাই সড়ক দুর্ঘটনার মূলকারণ বলে দাবি সাধারণ মানুষের।
ট্রাক চালক সোহেল হোসেন বলেন, এই কুয়াশার কারণে খুব ধীরগতিতে গাড়ি চালাতে হচ্ছে। সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছি না। ২০ হাত সামনে কি আছে তা ঠিকমতো দেখা যাচ্ছেনা। একারণেই বিভিন্ন জায়গায় দুর্ঘটনা ঘটছে।
বগুড়া আবহাওয়া অফিসের উচ্চ পর্যবেক্ষক আব্দুর রশিদ বলেন, মঙ্গলবার (৪ ফেরুয়ারি) বগুড়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৪ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সকাল ৯টায় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯০ শতাংশ। ঘন কুয়াশা আরও কয়েক দিন চলতে পারে।
বিডি প্রতিদিন/জামশেদ