জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সংগ্রাম পরিষদের স্বঘোষিত সভাপতি গোলাম সারোয়ার সরকার, সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মাহমুদুল আলম মাহমুদ এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী প্রজন্ম দলের স্বঘোষিত মহাসচিব মো. সারোয়ার হোসেন রুবেলের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গতকাল ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হক এবং মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালতে দুই আইনজীবী বাদী হয়ে মামলা দুটি করেন। ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হকের আদালতে অ্যাডভোকেট ইলতুৎমিশ সওদাগর এ্যানি বাদী হয়ে মামলাটির আবেদন করেন। আদালত তার জবানবন্দি রেকর্ড করে শেরেবাংলা নগর থানাকে এজাহার হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন। মামলার এজাহারে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী প্রজন্ম দলের মহাসচিব সারোয়ার হোসেন রুবেলের নাম উল্লেখ করে আরও অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জনকে আসামি করা হয়েছে। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালতে মামলাটির আবেদন করেন নিহার হোসেন নামে আরেক আইনজীবী। তিনি জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম ঢাকা বার ইউনিটের সদস্যসচিব।
আদালত তারও জবানবন্দি রেকর্ড করে পল্টন থানাকে এজাহার হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন। মামলার এজাহারে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সংগ্রাম পরিষদের স্বঘোষিত সভাপতি গোলাম সারোয়ার সরকার ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মাহমুদুল আলম মাহমুদের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ১৫/২০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামি দলীয় অনুমোদন ব্যতীত ও অজ্ঞাত আসামিদের পূর্ণসমর্থনে নিজেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী প্রজন্ম দলের মহাসচিব হিসেবে ঘোষণা দিয়ে ‘জিয়া প্রজন্ম’ নামে একটি দল তৈরি করে দলীয় গঠনতন্ত্র পরিপন্থি কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন। আরেক মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সংগ্রাম পরিষদ’ নামে অনুমোদনহীন ভুয়া সংগঠনের আবির্ভাব ঘটিয়ে নিজে এ সংগঠনের ভুয়া সভাপতি এবং সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক পদে থেকে গঠনতন্ত্র পরিপন্থি কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন। আসামিরা এই ভুয়া সংগঠনের নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের কর্ণধারের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের চাঁদা আদায়ের মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের টাকা আয় করেছেন।