জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেছেন, বিদ্যমান রাষ্ট্রযন্ত্রের দমনমূলক কাঠামোটিকে বদল করার জন্য অংশীদারিমূলক রাজনৈতিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। গতকাল উত্তরার আ স ম রবের বাসভবনে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির সভায় তিনি এসব কথা বলেন। রব বলেন, রাষ্ট্রক্ষমতায় বিকশিত সমাজ শক্তির রাজনৈতিক ভূমিকা পালনে সাংবিধানিক অধিকার প্রদান করলে জাতীয় রাজনীতিতে যে সৃজনশীল শক্তির উত্থান ঘটবে, তাতে ফ্যাসিবাদ আর ক্ষমতায় পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হতে পারবে না। ফ্যাসিবাদ করায়ত্ত রাষ্ট্রযন্ত্রটি গণমানুষের সংগ্রামকে প্রতিহত করতে দমনমূলক চরিত্র গ্রহণ করে এবং ক্রমাগতভাবে রাষ্ট্রব্যবস্থা ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রে রূপান্তর হয়।
তিনি বলেন, সুতরাং, গণতন্ত্রকে হত্যা করার বিপরীতে জনগণের ক্ষমতা ও কর্তৃত্বভিত্তিক এক নতুন ধরনের রাষ্ট্রশক্তি গড়ে তুলতে হবে। অংশীদারত্বের গণতন্ত্রে জনগণের সক্রিয় ও ব্যাপক, প্রত্যক্ষ ও বিপুল অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হবে। সুতরাং, রাষ্ট্রক্ষমতায় সমাজশক্তির অংশীদারত্ব ছাড়া কোনো সংস্কার ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে না।’
জেএসডি সভাপতি বলেন, বাংলাদেশের বিদ্যমান বাস্তবতায় নতুন রাষ্ট্রশক্তির উত্থান অর্থাৎ রাজনৈতিক দলের সঙ্গে শ্রমজীবী, কর্মজীবী ও পেশাজীবীদের ক্ষমতার অংশীদারত্ব দিলেই ঔপনিবেশিক শাসনব্যবস্থা অবলুপ্তির প্রক্রিয়া শুরু হবে। জেএসডির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশে বিকশিত সমাজ শক্তিগুলোকে ক্ষমতার অংশীদার করা। ভবিষ্যতে এই শক্তিই রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রের নিয়ন্ত্রণ কর্তা হবে। সভায় আরও বক্তব্য রাখেন দলের সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, সিনিয়র সহসভাপতি তানিয়া রব, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ সিরাজ মিয়া, কে এম জাবির, মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন ও কামাল উদ্দিন পাটোয়ারী।