ছুটির দিন হওয়ায় গতকাল মেলায় ছিল উপচে পড়া ভিড়। এদিন দেড় লক্ষাধিক দর্শনার্থী প্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছে মেলা কর্তৃপক্ষ। মেলায় বেচাকেনা বাড়লেও ক্রেতার চেয়ে দর্শনার্থীই বেশি বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। কোনো কোনো ব্যবসায়ী বেচাকেনায় সন্তোষ প্রকাশ করলেও কেউ কেউ হতাশা প্রকাশ করেছেন। বাণিজ্য মেলায় গৃহস্থালিপণ্য, কসমেটিকস, কাপড়চোপড়, আসবাব, ইলেকট্রনিকসসহ বিভিন্ন পণ্যের বাহারি সমাহার থাকে। ক্রেতারা পছন্দমতো কেনেন এসব পণ্য। বেশি ভিড় দেখা গেছে গৃহস্থালিপণ্যের দোকানে। দিল্লি অ্যালুমিনিয়ামের বিক্রয় প্রতিনিধি মো. রায়হান জানান, বেচাকেনা ভালো হচ্ছে। তবে কেউ আবার দ্বিমতও পোষণ করেছেন। ডিজনি ইতালির বিক্রয় প্রতিনিধি মো. রাজ আহমেদ জানান, বেচাকেনা মোটামুটি। ১০ দিনের বেচাকেনা তেমন সন্তোষজনক নয়। স্যুট, ব্লেজারের দোকান তালহা ফ্যাশনের বিক্রয় প্রতিনিধি সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘আমাদের বেচাকেনা ভালো হচ্ছে।’ দ্বিমত পোষণ করেন রিলেক্স ফ্যাশনের বিক্রয় প্রতিনিধি মো. ইব্রাহিম। তিনি বলেন, মেলায় দর্শনার্থী বেশি হলেও ক্রেতা কম। অনেকে পণ্য দেখে দেখে দাম জিজ্ঞাসা করে শুধু, কেনে না। থ্রিপিসের দোকান প্রিয়া টেক্সটাইলের বিক্রয় প্রতিনিধি মো. প্রিন্স জানান, মেলায় তাদের বেচাকেনা ভালো হলেও ক্রেতার চেয়ে দর্শনার্থী বেশি। মেলায় গৃহস্থালির টুকটাক পণ্যের কিছু দোকান রয়েছে। তাদের বিক্রয়কর্মীরা রাস্তায় দাঁড়িয়ে ‘দেইখ্খা লন, বাইচ্ছা লন’ ক্যানভাস করে পণ্য বিক্রি করছেন।
রিলেক্স ফ্যাশনের বিক্রয় প্রতিনিধি মো. ইব্রাহিম অভিযোগ করে বলেন, বাণিজ্য মেলার মতো জায়গায় গুলিস্তানের মতো ক্যানভাস করে পণ্য বিক্রি করা খুবই বেমানান এবং মেলার পরিবেশ নষ্ট করে।
তিনি এসব ক্যানভাস করে পণ্য বিক্রি করা বন্ধের দাবি জানান।
মেলায় চাহিদামতো পণ্য নেই ও দাম বেশি বলে কেউ কেউ অভিযোগ করেন। রাজধানীর কলাবাগান থেকে আসা দ্বীপ চন্দ্র বলেন, ‘মেলায় চাহিদামতো পণ্য পাইনি। নন-ব্র্যান্ডের পণ্যের দাম বেশি।’