বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, যারা নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে তারা বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করছে। বাংলাদেশের নিরাপত্তা বিঘিœত করছে। বর্তমানের পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে অতি দ্রুত দেশে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা দরকার। অতি দ্রুত একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণের সত্যিকারের প্রতিনিধিত্বমূলক একটি সরকার গঠন করা প্রয়োজন। যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে ‘ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্ট’ সমাবেশে অংশগ্রহণের পরদিন শুক্রবার অপরাহ্নে বিএনপির এক মতবিনিময় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ভারতে পালিয়ে গিয়ে এখন প্রতি মুহূর্তে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছেন শেখ হাসিনা। তাঁর উদ্দেশ্য, কীভাবে বাংলাদেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি ও অস্থিতিশীলতা তৈরি করে এ বিজয়কে নস্যাৎ করা যায়।
মির্জা ফখরুল বলেন, কয়েক দিন আগে তিনি (শেখ হাসিনা) দিল্লি থেকে টেলিফোনে বক্তব্য দিয়ে জুলাই-আগস্টের বিপ্লব ও অংশগ্রহণকারীদের সম্পর্কে অপমানজনক কথাবার্তা বলেছেন। এই আন্দোলনকে অপমান করেছেন। স্বাভাবিকভাবেই যাঁরা আন্দোলন করেছে তাঁরা ক্ষুব্ধ হয়েছেন। কিছু কিছু জায়গায় তাঁরা আক্রমণ করেছে। ৩২ নম্বরেও আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে। আমরা এসব অরাজক পরিস্থিতিকে সমর্থন করি না। আমরা স্টেটমেন্টে তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছি।
তিনি আরও বলেন, এখন যাঁরা নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে তাঁরা বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করছে। বাংলাদেশের নিরাপত্তা বিঘিœত করছে বলে আমরা মনে করছি। বর্তমানের পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে অতি দ্রুত স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা দরকার। অতি দ্রুত একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণের সত্যিকারের প্রতিনিধিত্বমূলক একটি সরকার গঠন করা প্রয়োজন।
ওয়াশিংটন ডিসি বিএনপির উদ্যোগে আলেক্সান্দ্রিয়ায় স্থানীয় একটি পার্টি হলে এ মতবিনিময় সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন হাফিজ খান সোহায়েল। সঞ্চালনা করেন ডিসি বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, ভার্জিনিয়া স্টেট বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তোফায়েল আহমেদ এবং ম্যারিল্যান্ড স্টেট বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. কাজল।