অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জের ধরে বেনাপোল বন্দরের ২ নম্বর গেটের সামনে বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছে। এরপর থেকেই বন্দরের একটি অংশের শ্রমিকরা গোডাউন থেকে মালামাল লোড-আনলোড বন্ধ রেখেছে। এর আগে শ্রমিকরা আলাউদ্দিন নামের একজনকে মারধর করে মারাত্মক জখম করে। বিক্ষুব্ধ শ্রমিকদের দাবি, বন্দরের দখল নিতে শ্রমিক নামধারী আলাউদ্দিন বোমা হামলা করেছে। আলাউদ্দিন বর্তমানে যশোর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শ্রমিকদের পিটুনিতে তার পা ভেঙে গেছে বলে স্বজনরা জানিয়েছেন।
এদিকে বিকাল থেকে আলাউদ্দিনের আটক এবং বিচারের দাবিতে বন্দরের ৯২৫ রেজিস্ট্রেশনভুক্ত বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা বন্দরের সামনের প্রধান সড়ক দখল করে বিক্ষোভ মিছিল করে। এ সময় তারা সড়কে ট্রাক আড় করে বেনাপোল চেকপোস্ট থেকে ঢাকাগামী সব যাত্রীবাহী পরিবহন এবং পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল বন্ধ করে দেয়। বন্দরের নিরাপত্তা রক্ষায় আনসার সদস্যরা বন্দরের প্রবেশ মুখে তালা ঝুলিয়ে দেয়।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত শ্রমিকরা বন্দরের সামনের সড়ক দখল করে ছিল। তবে বন্দরের শ্রমিক সংগঠন ৮৯১ স্বাভাবিক কাজকর্ম চালিয়ে যাচ্ছিল। ৮৯১ সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক লিটন হোসেন জানিয়েছেন, বন্দরে বিরাজমান গন্ডগোলের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তাদের শ্রমিকরা লোড আনলোডের কাজ করছে। সিঅ্যান্ডএফ কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান বলেন, দুই পক্ষের দ্বন্দ্বে বন্দরের কাজকর্ম বন্ধ রাখা ঠিক নয়। তবে অপরাধীর বিচার হওয়া উচিত।