চীনের প্রত্যন্ত তিব্বত অঞ্চলে গতকাল সকালে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ১২০ হয়েছে। অনেক ঘরবাড়ি-ভবন ধসে পড়েছে। খবর সিএনএন।
চীনের ভূমিকম্প নেটওয়ার্ক সেন্টার (সিইএনসি) বলেছে, স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ৫ মিনিটে এই ভূমিকম্প হয়। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল প্রতিবেশী দেশ নেপালের সীমান্তবর্তী তিব্বতের ডিংরি কাউন্টি।
তিব্বতের এ ভূমিকম্পে কেঁপেছে বাংলাদেশও। অনুভূত হয়েছে ঢাকাসহ দেশের অনেক এলাকা থেকে। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) বলছে, বাংলাদেশ সময় গতকাল সকাল ৭টা ৫ মিনিটে এ ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৭ দশমিক ১।
ভূমিকম্পের উপকেন্দ্র ছিল নেপালের লবুশে থেকে ৯৩ দশমিক ৯ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে, তিব্বতের রিকাজে থেকে ১৬৩ কিলোমিটার পশ্চিম দক্ষিণ-পশ্চিমে, ভারতের সিকিম থেকে ১৯০ দশমিক ৯ কিলোমিটার উত্তর পশ্চিম দিকে। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে।
বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের সহকারী আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা বলেন, ঢাকা থেকে ৬১৮ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে চীনের শিজাং অঞ্চলে (তিব্বত) এই ভূমিকম্প হয়। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ঢাকায় টানা কয়েক সেকেন্ড ধরে কয়েক দফা দুলুনিতে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। বাংলাদেশে এ ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য পাওয়া না গেলেও তিব্বতে অন্তত ৩৬ জনের প্রাণহানির খবর এসেছে চীনের সংবাদমাধ্যমে। এর আগে ৩ জানুয়ারি উত্তর-পূর্ব মিয়ানমারে ৫ মাত্রার ভূমিকম্প হয়; যা বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে অনুভূত হয়েছিল।