সিসা মানব স্বাস্থ্যের জন্য খুবই বিপজ্জনক।
এই ভারী ধাতুটি একদিকে যেমন ক্যান্সার তৈরির অন্যতম উপাদান, অন্যদিকে শ্বাসতন্ত্র, পরিপাকতন্ত্র, স্নায়ুতন্ত্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। শিশু, গর্ভবতী নারী ও গর্ভস্থ শিশুর জন্য এটা আরও বেশি ক্ষতিকর। এর ফলে গর্ভপাতও ঘটতে পারে। শিশুর জন্মগত ত্রুটিও হতে পারে। এটা নিয়ন্ত্রণ করা দরকার।
সিসা প্রথমত আমাদের মুখে, গলনালি ও খাদ্যনালিতে ক্ষত তৈরি করতে পারে। চর্মরোগ তৈরি করতে পারে। হজমের ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। লিভারকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। দীর্ঘমেয়াদে ক্যান্সার তৈরি করতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা তৈরি করে। স্নায়ুতন্ত্রকে প্রভাবিত করে। ফলে মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়। মনোযোগ কমে যায়। গর্ভস্থ শিশুর স্নায়ুতন্ত্রের বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করে। ¯œায়ুতন্ত্রের অন্যতম অঙ্গ মস্তিষ্ক। মস্তিষ্কের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হলে বুদ্ধিবৃত্তি কমে যায়। মনোযোগ দেওয়ার সক্ষমতা কমে যায়। অটিজমের মতো অবস্থা তৈরি হয়। অনেক শিশুর জন্মগত ত্রুটিও দেখা দেয়। মেরুমজ্জার গঠন ঠিকমতো হয় না। যে শিশু পৃথিবীতে চলে এসেছে তারও বুদ্ধির বিকাশ বাধাগ্রস্ত হবে। এ ছাড়া ২৫ শতাংশ হৃদরোগের জন্য বায়ুদূষণকে দায়ী করা হয়।
বায়ুদূষণের অন্যতম একটি উপাদান সিসা। ফলে হৃদরোগের ঝুঁকির সঙ্গে সিসার সংযুক্তি রয়েছে।
-জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ