বিগত কয়েক বছর বাজারে আলুর দাম ছিল চড়া। এ কারণে এবার আলু চাষে বেশি ঝুঁকেছেন রাজশাহীর চাষিরা। গত বছর ৩৪ হাজার ২৩৫ হেক্টর জমিতে আলুর আবাদ হয়েছিল। ফলন হয়েছিল ৮ লাখ টন। এবার আলুর আবাদ বেড়ে হয়েছে ৩৮ হাজার ৫৬৮ হেক্টর জমিতে। এবার উৎপাদনও হয়েছে ভালো। ইতোমধ্যে আলু উঠতে শুরু করেছে। চাষিরা বলছেন, বাজারে এখন নতুন আলুর দাম কম। এ কারণে আলু আবাদের খরচ তুলতে পারছেন না তারা। আগাম জাতের আলু হিমাগারে সংরক্ষণযোগ্য নয় বলে বর্তমান দামেই তারা বিক্রি করে দিচ্ছেন। চলতি মৌসুমে রাজশাহীতে ১০ লাখ টন আলু ফলনের আশা করছে কৃষি বিভাগ।
এ মাসের শেষ থেকে আলু সংগ্রহ চলবে মার্চ পর্যন্ত। গোদাগাড়ীর আলু চাষি তসলিম উদ্দিন জানান, গত বছর প্রতি বিঘায় ৮০-৯০ মণ করে হয়েছে। এবার আলুর ফলন আরও বেশি হবে। এবার বিঘাতে ১০০-১২০ মণ আলু পাওয়ার আশা করছেন। সেই হিসাবে এবার রাজশাহীতে ১০ লাখ টন আলু উৎপাদিত হবে। পবা উপজেলার আলু চাষি নাজমুল ইসলাম জানান, বর্তমানে আগাম জাতের আলু খুচরা বিক্রি হচ্ছে ২০-২৫ টাকা কেজি দরে। আলু উঠতে আরও সময় লাগবে। ফলে আলুর দাম পড়ে যাওয়ার শঙ্কায় তারা। এ বিষয়ে রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক উম্মে ছালমা জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় জমিতে আলুর চারা ভালোভাবে বেড়ে উঠছে। এবারও আলুর ফলন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে।