চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, আসন্ন বর্ষায় জলাবদ্ধতা সহনীয় পর্যায়ে রাখতে আগেই জলাবদ্ধতা নিরসনের কাজ দৃশ্যমান পর্যায়ে নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হবে। গতকাল চসিক কার্যালয়ে প্রকৌশল, পরিচ্ছন্নতা বিভাগ এবং আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে
জলাবদ্ধতাবিষয়ক সমন্বয় সভায় তিনি এ ঘোষণা দেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবুল কাশেমসহ আঞ্চলিক নির্বাহী এবং প্রকৌশল ও পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মকর্তারা। চসিক মেয়র বলেন, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তারা প্রকৌশল ও পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মকর্তাদের নিয়ে স্ব স্ব অঞ্চলে জলাবদ্ধতার কারণগুলো চিহ্নিত করবেন। প্রত্যেক আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে ২০ জন করে শ্রমিক দিয়ে ১২০ জনের ছয়টি বিশেষ টিম করে দেওয়া হয়েছে। আপনারা এ টিমগুলো কাজে লাগিয়ে এলাকার সার্ভিস ড্রেনগুলো থেকে ময়লা পরিষ্কার করে ফেলবেন। প্রতিদিন এ টিমটি কাজ করছে কি না, করলে কোথায় করছে, কী করছে তার ভিডিও এবং ছবি সংগ্রহ করবেন। মেয়র বলেন, চট্টগ্রামের অনেক সমস্যা, অন্যতম প্রধান সমস্যা হচ্ছে জলাবদ্ধতা।
জলাবদ্ধতার কারণে বৃষ্টি বেশি হলে মানুষ খুব অসহায় অবস্থায় থাকে। জলমগ্ন থাকে শহর। চট্টগ্রাম নগরীতে জলাবদ্ধতার প্রধান কারণ খালগুলো ভরাট হয়ে যাওয়া। খালের সীমানার ভিতরে অবৈধ ভবন নির্মাণ করায় এটির প্রশস্ততা কমে বৃষ্টি ও বন্যার পানি অপসারণের ক্ষমতা হ্রাস পায়। পরিকল্পিতভাবে ময়লা ফেলার জন্য নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ এবং খাল সংস্কারের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে।