সপ্তাহের শেষ দিনে সূচকের সামান্য উত্থান হয়েছে। তবে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার দরপতন হয়েছে। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে। তবে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) দাম কমেছে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট। ফলে এ বাজারটিতেও মূল্যসূচক কমেছে। তবে লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে।
বাজারের এ পরিস্থিতিতে দাম বাড়ার ধারা ধরে রাখে বেশিরভাগ বহুজাতিক ও ভালো কোম্পানি। ফলে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের দরপতনের মধ্যে মূল্যসূচক সামান্য বেড়েছে। ডিএসইতে বাছাই করা ভালো ৩০টি কোম্পানির মধ্যে ১৫টির শেয়ার দাম বেড়েছে। বিপরীতে ১৩টির দাম কমেছে। লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ডিএসইতে ১২০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে এবং ২১৯টির শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে। এ ছাড়া ৫৬টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় দশমিক ৩৮ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ১১২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। প্রধান মূল্যসূচক বাড়ার পাশাপাশি ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণও বেড়েছে। দিনভর ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩৮৯ কোটি ৯৪ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ৩১৪ কোটি ১৬ টাকা। সে হিসাবে আগের কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেন বেড়েছে ৭৫ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। লেনদেনের শীর্ষে ছিল অগ্নি সিস্টেমের শেয়ার। টাকার অঙ্কে কোম্পানিটির ২০ কোটি ২৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ব্র্যাক ব্যাংকের ১২ কোটি ৬৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ১০ কোটি ৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে এমজেএল বাংলাদেশ। সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই কমেছে ৩৮ পয়েন্ট।
বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ২১১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৬০টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১২১টির এবং ৩০টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেন হয়েছে ১২ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ৪ কোটি ১ লাখ টাকা।