তৈরি পোশাক শিল্পে ব্যবহৃত সর্বাধুনিক যন্ত্রপাতি, এক্সেসরিজ ও প্যাকেজিং পণ্য নিয়ে রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) শুরু হলো গার্মেন্ট টেকনোলজি প্রদর্শনী বাংলাদেশ (জিটিবি ২৫)-এর ২২তম এবং গ্যাপ এক্সপো ২০২৪-এর ১৪তম সংস্করণ। আইসিসিবির আটটি হলজুড়ে এই প্রদর্শনীটিতে অংশ নিয়েছে ২৫টি দেশের ৫০০ প্রতিষ্ঠান। গতকাল রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) ৪ নম্বর হলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রদর্শনীটির উদ্বোধন করেন বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সেখ বশির উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত পার্ক ইয়ং সিক। অনুষ্ঠানে বিজিএপিএমইএ সভাপতি মো. শাহরিয়ার, সাবেক সভাপতি ও অ্যাডভাইজর মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন মতি, বাণিজ্য মেলা কমিটির চেয়ারম্যান হাসান উল করিম তমিজ, এএসকে ট্রেড অ্যান্ড এক্সিবিশন প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. টিপু সুলতান ভূঁইয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
প্রদর্শনীটির যৌথভাবে আয়োজন করে বাংলাদেশ গার্মেন্ট এক্সেসরিজ প্যাকেজিং ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএপিএমইএ) এবং এএসকে ট্রেড শো অ্যান্ড এক্সিবিশন প্রাইভেট লিমিটেড।
বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সেখ বশির উদ্দিন বলেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতকে এগিয়ে নিতে এ ধরনের প্রদর্শনী বিশেষ ভূমিকা রাখবে। এই খাতকে এগিয়ে নিতে আমাদের জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে হবে এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারে মনোযোগী হতে হবে। সরকার ও ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো একসঙ্গে কাজ করতে পারলে নীতিমালা পরিমার্জন, গ্যাস ও জ্বালানি সংকটসহ যে কোনো সমস্যা মোকাবিলায় সহজে কাজ করা যাবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশে নিযুক্ত কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত পার্ক ইয়ং সিক বলেন, উৎপাদন সমতা ও সমৃদ্ধ ইকোসিস্টেমের কারণে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক শিল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে বিশ্বব্যাপী পরিচিতি পেয়েছে। কোরিয়া ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও এই বিনিয়োগ অব্যাহত থাকবে। বাংলাদেশের পোশাক শিল্পে যে বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে, কোরিয়া সেই সম্ভাবনা বাস্তবায়নে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী।
আয়োজকদের প থেকে জানানো হয়, তৈরি পোশাক খাতের বৈশ্বিক প্রযুক্তিগুলোকে নিয়ে গত ২১ বছর ধরে প্রদর্শনীর আয়োজন করে আসছে জিটিবি। এই প্রদর্শনীগুলোতে আরএমজি সেক্টরের কাটিং, সেলাই ফিনিশিং, অ্যামব্রয়ডারি মেশিনারি খুচরা জিনিসপত্রসহ বিভিন্ন ধরনের আনুষঙ্গিক পণ্য একসঙ্গে দেখার সুযোগ পাওয়া যায়। অন্যদিকে প্রদর্শনীতে বিজিএপিএমইএর নেতৃস্থানীয় সদস্যরাও তাদের গার্মেন্ট এক্সেসরিজ ও প্যাকেজিংয়ে সর্বশেষ উদ্ভাবন প্রদর্শন করে থাকেন।