কোচ চূড়ান্ত করতে এবার হকিতে ব্যতিক্রমী ঘটনা ঘটল। কাকে বানানো যায় এ নিয়ে গণসাক্ষাৎকারের ব্যবস্থা করে হকি ফেডারেশন। ডাক পাওয়া ১১ জনের মধ্যে সাক্ষাৎকার দেন আটজন। প্রথমবার বাংলাদেশকে যুব বিশ্বকাপে জায়গা করে দেওয়া মওদুদুর রহমান শুভ সাক্ষাৎকার দেননি। শেষ পর্যন্ত জাতীয় দলের কোচ হয়েছেন সাবেক তারকা খেলোয়াড় মামুন-উর-রশিদ। গতকাল হকি ফেডারেশন আনুষ্ঠানিকভাবে তার নাম ঘোষণা করেছে। সহকারী কোচ মশিউর রহমান বিপ্লব ও ট্রেনারের দায়িত্ব পেয়েছেন আলমগীর ইসলাম। মামুনের প্রশিক্ষণে বাংলাদেশ খেলবে এশিয়ান হকি ফেডারেশন কাপে। এশিয়ার দ্বিতীয় সারির দলগুলো অংশ নেয় এ আসরে। এর আগে চারবার খেলে প্রতিবারই চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ।
২০১৫ সালে সিঙ্গাপুরে ওয়ার্ল্ড লিগ রাউন্ড ট্যুরে মামুন জাতীয় দলের কোচ ছিলেন। প্রায় ১০ বছর পর দায়িত্ব ফিরে পাওয়ায় খুশি তিনি। তিনি বলেন, ‘জাতীয় দলে দায়িত্ব পালন করাটা গর্বের। চেষ্টা করব আসরে শিরোপা ধরে রাখার। মামুন বয়সভিত্তিক দলেরও কোচ ছিলেন। দেশি কোচদের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত নাম মাহবুব হারুন ও মামুন। যোগ্য কোচ বেছে নেওয়া হয়েছে বলে হকি সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।