উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ১৫ বার ট্রফি জিতেছে রিয়াল মাদ্রিদ। কিন্তু চলতি মৌসুমে শুরুতে ধুঁকলেও চেনাছন্দে ফিরছে দলটি। গত ম্যাচে সালজবুর্গকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে সেটাই প্রমাণ করল রিয়াল। অন্যদিকে ম্যানচেস্টার সিটি ও পিএসজিও রয়েছে ঝুঁকিতে। ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের আসরে প্রথমবারের মতো অংশ নিয়েছে ৩৬ দল। প্রথমপর্ব শেষে শুরু হবে নকআউটের লড়াই। পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ ২৪টি দল খেলবে নকআউটে। যার মধ্যে প্রথম ৮টি সরাসরি খেলবে শেষ ষোলোতে। নবম থেকে ২৪তম- এই ১৬ দলের ৮টি প্লে-অফ শেষে যোগ দেবে শেষ ষোলোতে। ইতোমধ্যে ৭ ম্যাচে ৭ জয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে লিভারপুল। জায়গা করে নিয়েছে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা বার্সেলোনাও। একই সঙ্গে অন্তত প্লে-অফ নিশ্চিত করে রেখেছে আর্সেনাল, অ্যাস্টন ভিলা, আটালান্টা, অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ, বায়ার্ন মিউনিখ, ব্রিস্ট, সেল্টিক, বরুসিয়া ডর্টমুন্ড, ফেইনুর্ড, ইন্টার মিলান, জুভেন্টাস, লেভারকুসেন, লিল, এসি মিলান, মোনাকো ও রিয়াল মাদ্রিদ। গতকালের জয়ের ফলে ৭ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে ১৬ নম্বরে উঠে নকআউট পর্বের যোগ্যতা অর্জন করল রিয়াল। নকআউটে জিততে পারলে শেষ ষোলোতে যেতে পারবে দলটি। প্রথমপর্বের শেষ রাউন্ডের ম্যাচের ফলাফলই বলে দেবে শেষ ষোলোতে লিভারপুল ও বার্সেলোনার সঙ্গী হচ্ছে কারা। তবে প্রিমিয়ার লিগের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগেও বেশ বিপদে ম্যানচেস্টার সিটি। গত রাতে পিএসজির কাছে ৪-২ গোলে হেরেছে পেপ গার্দিওলার দল।
এতে সেরা ২৪ থেকে একরকম ছিটকে গেছে তারা। অন্যদিকে সিটিকে হারালেও প্লে-অফ নিশ্চিত করতে পারেনি পিএসজি। প্লে-অফের লড়াইয়ে আছে আরও ৬টি দল। আগামী ৩০ জানুয়ারির ম্যাচের মধ্য দিয়ে নিশ্চিত হবে তাদের ভাগ্য। প্লে-অফে খেলার সুযোগ রয়েছে ম্যানসিটি, পিএসজি, বেনফিকা, ক্লাব বুর্গ, স্পোর্টিং সিপি, স্টুটগার্ট, পিএসভি, শাখতার ও ডায়নামোর।