বিজ্ঞানীদের হাতে এবার এল অবাক করা এক তথ্য। ব্রাজিল থেকে বিজ্ঞানীরা একটি জীবাশ্ম পেয়েছেন আর সেটিকে বিশ্লেষণ করে তারা মনে করছেন এটি ২৩৭ মিলিয়ন বছর আগের।
তবে এই ফসিলের অংশ নিয়ে মনে করা হচ্ছে এটি সেই যুগের একটি বিরাট আকারের কুমিরের। যেভাবে এটির আকার রয়েছে সেখান থেকে প্রাচীন কালের এই বিরাট প্রাণী সম্পর্কে ধারণা করা যেতে পারে। মনে করা হচ্ছে ডাইনোসর যুগের আগেই সৃষ্টি হয়েছিল এই বিরাট কুমির।
গবেষকরা মনে করছেন- ডাইনো যুগের আগে এই বিরাট কুমিররের মতো জীবরা পৃথিবীতে রাজত্ব করে গেছে। এরা পানি এবং স্থল সবদিকেই চরে বেড়াতে পারত। ফলে সেখান থেকে এরা বহু বছর ধরে নিজেদেরকে বাঁচিয়ে রেখেছে। এই ফসিলটি হাতে আসার পর থেকেই গবেষকদের সামনে নতুন একটি দিক খুলে গেছে।
গবেষকরা ধারণা করছেন- ২৩৭ মিলিয়ন বছর আগের সেই সময়ে এই ধরণের প্রাণীরা পৃথিবীতে নিজেদের ইচ্ছামতো কাজ করে বেড়াত। সমুদ্রের তীর এদের পছন্দের প্রধান জায়গা ছিল। সেদিক থেকে দেখতে হলে এদেরকে নিয়ে আরও গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। এদের যে আকার সামনে এসেছে তাতে এরা যেকোনও বড় ডাইনোসোরকে অতি সহজেই গিলে নিতে পারত। আর এই কারণেই এদের শক্তি নিয়ে বিরাট তথ্য সামনে চলে এসেছে।
তবে কালের নিয়মে এরা সেখান থেকে ধীরে ধীরে হারিয়ে যায়। যে পরিমান খাবার এদের দরকার ছিল সেই পরিমান খাবার এরা পায়নি। ফলে ধীরে ধীরে এরা বিলুপ্ত হতে শুরু করে। সেখানে এদের পরবর্তী প্রজাতি কম খাবার পেয়ে ধীরে ধীরে আকারে ছোটো হতে শুরু করে। বর্তমানে যে কুমির আমরা দেখে থাকি সেটা এদের বংশধর বলেই মনে করা হচ্ছে।
তবে ডাইনোরা এদের সঙ্গে কেমন ব্যবহার করেছিল সেটা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন প্রশ্ন। যদি ডাইনোরা এদেরকে দল বেধে ধ্বংস করে থাকে তাহলে সেখান থেকে ডাইনো যুগের সঠিক উত্থানের সময়টি গবেষকদের কাছে অনেক বেশি স্পষ্ট হয়ে যাবে।
তথ্য সূত্র - এমএসএন।
বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ