দক্ষিণ কোরিয়ার দক্ষিণপূর্বাঞ্চলে ভয়াবহ দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। এতে এখন পর্যন্ত তিনজন দমকল কর্মী ও একজন সরকারি কর্মকর্তার মৃত্যু হয়েছে। এক ডজনেরও বেশি দাবানলের কারণে দেশটির দক্ষিণপূর্বাঞ্চলে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে সরকার।
শনিবার (২২ মার্চ ২০২৫) দক্ষিণ কোরিয়ার কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষের মতে, দাবানলের কারণে অন্তত ১৫টি গ্রামের ২০০-রও বেশি বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
দেশটির দমকল বিভাগের একজন কর্মকর্তা এএফপিকে জানিয়েছেন, দাবানলে চারজনের প্রাণহানির তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে তিনজন দমকল কর্মী ও একজন সরকারি কর্মকর্তা রয়েছেন।
দক্ষিণ কোরিয়ার বন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, কেবল শনিবারেই ১৬টি স্থানে দাবানলের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া দেশজুড়ে আরও কয়েকটি অঞ্চলে দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে।
ভয়াবহ পরিস্থিতি সামাল দিতে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় উলসান, উত্তর ও দক্ষিণ গেয়ংসাং প্রদেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে।
এছাড়া বন সংস্থা বুসান, দেজনসহ ১২টি স্থানে দাবানলের সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে। রাজধানী সিউল থেকে প্রায় ২৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত দক্ষিণ গেয়ংসাং প্রদেশের সানচেওং এলাকায় দাবানলের কারণে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট চোই স্যাং-মোক সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে ‘‘আগুন নেভানোর জন্য সব ধরনের সরঞ্জাম ও কর্মীদের দ্রুত মোতায়েন’’ করার নির্দেশ দিয়েছেন।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, দক্ষিণ কোরিয়ায় দাবানল বৃদ্ধির পেছনে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব রয়েছে। এর মধ্যে তীব্র দাবদাহ ও অতিবৃষ্টির মতো বৈরী আবহাওয়া অন্যতম কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।
সোর্স: এএফপি
বিডি প্রতিদিন/আশিক