এবার যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া হুঁশিয়ারি দিলো চীন। বেইজিং জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো ধরণের যুদ্ধে ‘শেষ পর্যন্ত লড়াই’ করতে প্রস্তুত চীন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাল্টা শুল্ক আরোপের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে এ কথা বলেছে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত চীনা দূতাবাস। এর জবাবে, চীনের সঙ্গে প্রয়োজনে যুদ্ধে যেতে যুক্তরাষ্ট্রও প্রস্তুত বলে ঘোষণা দিয়েছে পেন্টাগন।
যুক্তরাষ্ট্র সম্ভাব্য হুমকির জন্য প্রস্তুত এবং তাদের সামরিক শক্তি আরও শক্তিশালী করছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথত। ফক্স নিউজে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আমরা প্রস্তুত। যারা শান্তির জন্য আকাঙ্ক্ষা করে, তাদের যুদ্ধের জন্যও প্রস্তুত থাকা উচিত।
পিট হেগসেথত আরও বলেন, আমরা এমন এক বিপজ্জনক পৃথিবীতে বাস করছি যেখানে শক্তিশালী, উত্থানশীল দেশগুলোর মতাদর্শ একেবারেই ভিন্ন। তারা দ্রুত তাদের প্রতিরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধি করছে, প্রযুক্তি আধুনিকীকরণ করছে- তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে হটিয়ে দিতে চায়।
তবে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর সঙ্গে ট্রাম্পের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের জেরে দুই দেশের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হতে পারে বলেও জানান তিনি। এর আগে, চীনের সব পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক আরোপের জবাবে বেইজিংও ওয়াশিংটনের কৃষিপণ্য আমদানির ওপর ১০-১৫ শতাংশ শুল্ক বসায়। এসব উত্তেজনার মধ্যেই দুই দেশ একে অপরের সঙ্গে যেকোনো ধরনের যুদ্ধে জড়াতে প্রস্তুত বলে হুঁশিয়ারি দেয়। এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রে চীনের দূতাবাস বলেছে, যদি ওয়াশিংটন যুদ্ধই চায়, তা বাণিজ্য যুদ্ধ হোক, শুল্ক যুদ্ধ হোক কিংবা অন্য যেকোনো যুদ্ধ; শেষ পর্যন্ত লড়তে প্রস্তুত রয়েছে বেইজিং।
সূত্র: আরটি ও রয়টার্স।
বিডি-প্রতিদিন/শআ