রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করতে মস্কো পৌঁছেছেন মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন জান্তা প্রধান মিন অং হ্লেইং।
মঙ্গলবার মিয়ানমারের এই জান্তা প্রধানকে বরণ করেছেন পুতিনের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা সের্গেই শোইগু।
ক্রেমলিনের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শুক্রবার ক্রেমলিনে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও মিয়ানমারের জান্তাপ্রধান মিন অং হ্লাইং বৈঠক করবেন এবং তারপর কিছু কাগজপত্রে স্বাক্ষর করবেন ও বিবৃতি দেবেন।
৬৮ বছর বয়সী হ্লাইং সাধারণত খুব একটা বিদেশ সফরে যান না। যে কারণে তার এবারের রাশিয়া সফরের দিকে মিয়ানমারে যুদ্ধরত বিভিন্ন বিদ্রোহী গোষ্ঠীর পাশাপাশি প্রতিবেশী ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দেশগুলোও কড়া নজর রাখছে।
মিয়ানমারের নেতা ও সামরিক জান্তা প্রধান মিন অং হ্লেইংকে রাশিয়া বলেছে, মিয়ানমারের সঙ্গে কৃষি ও পারমাণবিক বিদ্যুৎসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর ভালো সম্ভাবনা দেখছে মস্কো।
রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মিখাইল মিশুস্তিন বলেছেন, ‘রাশিয়া ও মিয়ানমারের বিরুদ্ধে অবৈধ নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও আমাদের বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা সফলভাবে বিকশিত হচ্ছে। এবং পারস্পরিক বাণিজ্য বাড়ছে।’
ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে মিয়ানমারের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নয়ন করে আসছি। তারা পূর্ব এশিয়ায় আমাদের খুবই গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার।’
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী অং সান সু চি সমর্থিত সরকারকে উৎখাত করে নিজেরা ক্ষমতায় বসার পর থেকে গত ৪ বছর ধরেই সাড়ে ৫ কোটি মানুষের দেশটি বেশ টালমাটাল সময় পার করছে।
চীনের পাশাপাশি রাশিয়াও মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর সমর্থক। দেশটিতে মানবাধিকার লংঘনের নিন্দা জানিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ওঠা এক প্রস্তাবে উভয় পরাশক্তিই ভেটো দিয়েছিল।
সূত্র : রয়টার্স
বিডি-প্রতিদিন/বাজিত