টাইম ম্যাগাজিনের সাম্প্রতিক প্রচ্ছদ ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়েছে। প্রচ্ছদে ইলন মাস্ককে হোয়াইট হাউসের রেজলুট ডেস্কের পেছনে বসানো হয়েছে, যা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ক্ষুব্ধ করতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের ‘ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট ইফিসিয়েন্সি’ (ডিওজিই)–এর প্রধান হিসেবে মাস্ক নজিরবিহীন ক্ষমতা পেয়েছেন। তবে আদালতে মামলা চলায় তা কিছুটা ব্যাহত হয়েছে। তাঁর নীতির কারণে লাখ লাখ সরকারি কর্মী চাকরির অনিশ্চয়তায় পড়েছেন।
টাইম ম্যাগাজিনের প্রতিবেদনে সাংবাদিক সাইমন শুস্টার ও ব্রায়ান বেনেট লিখেছেন, এখন পর্যন্ত মাস্ক শুধু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে জবাবদিহি করেন। তিনি ট্রাম্পের শীর্ষ তহবিলদাতা এবং প্রশাসনিক সংস্কারে পূর্ণ স্বাধীনতা পেয়েছেন।
তবে হোয়াইট হাউস এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।
তবে অনেকেই বলছেন টাইম-এর প্রচ্ছদ ট্রাম্পের জন্য অস্বস্তিকর হতে পারে। ২০২৪ সালে ‘পারসন অব দ্য ইয়ার’ নির্বাচিত ট্রাম্প এর আগে নিজের নামে জাল টাইম ম্যাগাজিন প্রচ্ছদ বানিয়ে সমালোচিত হন।
টাইম অতীতেও ট্রাম্প প্রশাসনের সদস্যদের আলাদাভাবে উপস্থাপন করেছে। ২০১৭ সালে প্রধান কৌশলবিদ স্টিভ ব্যাননকে ‘দ্য গ্রেট ম্যানিপুলেটর’ হিসেবে দেখানো হয়েছিল। পরে ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের অবনতি ঘটে এবং তিনি প্রশাসন থেকে বাদ পড়েন।
এদিকে, মাস্ক এখনো তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘এক্স’–এ এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যদি ট্রাম্প মনে করেন মাস্ক প্রশাসনে তাঁর প্রভাব ক্ষুণ্ন করছেন, তাহলে তাঁর ভবিষ্যৎও ব্যাননের মতো হতে পারে।
সোর্স: টাইম ম্যাগাজিন, সিএনএন
বিডি প্রতিদিন/আশিক