অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, আমরা একটা ফুটপ্রিন্ট (পদচিহ্ন) রেখে যেতে চাই। যারা ক্ষমতায় আসবেন তারা যেন এটা কন্টিনিউ করে ভালো কিছু করতে পারেন। গতকাল সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত ‘বাংলাদেশের অর্থনীতিতে রেমিট্যান্সের ভূমিকা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। বিএসআরএফের সাধারণ সম্পাদক মাসউদুল হকের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ফসিহ উদ্দীন মাহতাব।
সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আমরা চেষ্টা করছি, ব্যর্থতা আছে। আমরা কন্টিনিউ করতে পারব না, সব সংস্কার করতে পারব না। আমরা একটা ফুটপ্রিন্ট রেখে যেতে চাই। ফুটপ্রিন্ট মানে আমরা যেটা করছি, লোকজন কনভিন্স, যারা ক্ষমতায় আসবেন তারা যেন এটা কন্টিনিউ করেন। যারা আসবেন তাদের রেস্পনসিভ হতে হবে।
তিনি বলেন, ভ্যাটের ব্যাপারে চাপ আছে। ভ্যাট কমাতে বলা হয়। সব ভ্যাট যদি কমিয়ে দেন সরকারের আয় কোথায়? আমরা ধার করছি। আবার বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ বলছে- কোনোক্রমেই স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সামাজিক নিরাপত্তায় বরাদ্দ কমাবেন না। মানুষের মধ্যে এখন আস্থা আসছে। বিদেশ থেকে অর্থ হুন্ডির মাধ্যমে না পাঠিয়ে ব্যাংকিং চ্যানেলে পাঠায়। সবই ব্যাংকিং চ্যানেলে আসে বলব না। হুন্ডির মাধ্যমে এলে সব টাকা দেশে আসে না। কারণ ওটা বাইরেই থেকে যায়। বহু মানুষ আছে ডলার রেখে দেয়, আপনার টাকা পাঠায়। একটা মেসেজ দিল, হুন্ডা নিয়ে চট করে টাকা দিয়ে চলে যায়। কিন্তু আসার কথা ডলার। না আসার কারণে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে প্রভাব পড়ে।
উপদেষ্টা বলেন, কিছুদিন আগে আমাদের কারেন্ট অ্যাকাউন্ট নেগেটিভ ছিল। ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্ট নেগেটিভ ছিল। আমাদের রপ্তানি গ্রোথও নেগেটিভ ছিল। এখন কারেন্ট অ্যাকাউন্ট, ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্ট পজিটিভ। মোটামুটি ম্যাক্রো ইকোনমিক স্টেবিলিটি আছে। একেবারে পুরোপুরি চলে আসছে সেটা বলব না।
এ ছাড়াও মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন বিদেশ থেকে টাকা পাঠানোর জনপ্রিয় অ্যাপ ট্যাপট্যাপ সেন্ড বাংলাদেশের অ্যাম্বাসাডর এবং মিডিয়া কো-অর্ডিনেটর মাহমুদ মনি।