শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০২:২৮, শুক্রবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২৫

সিমিনের ট্রান্সকম গ্রুপ মাফিয়া

বললেন সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট ভার্সন
সিমিনের ট্রান্সকম গ্রুপ মাফিয়া

সিমিন রহমানের ট্রান্সকম গ্রুপকে মাফিয়া গ্রুপ হিসেবে অভিহিত করলেন কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের। গত বুধবার তাঁর এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি ট্রান্সকম গ্রুপের নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সিমিন রহমানের ভাই আরশাদ ওয়ালিউর রহমানের মৃত্যুর বিচার দাবি করেছেন। আরশাদ ওয়ালিউর রহমানের মৃত্যুর ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি সিমিন রহমানের ভূমিকাকে রহস্যজনক বলে উল্লেখ করেছেন। জুলকারনাইন সায়েরের ফেসবুক স্ট্যাটাসটি পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো। কল্পনা করুন, একদিন সকালে আপনি একটি ফোনকল পেলেন যে, আপনার সুস্থ-সবল ভাই যে কি না একা বসবাস করত-তার কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। আপনি কী করবেন? আপনি তারাতারি একটি এ্যাম্বুলেন্স কল করবেন। অ্যাম্বুলেন্স হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই যদি আপনার ভাইকে মৃত ঘোষণা করা হয়, আপনি পুলিশ রিপোর্ট করবেন। মৃত্যুর কারণ জানতে চাইবেন। আপনি অবশ্যই লাশের ময়নাতদন্ত করে মৃত্যুটি স্বাভাবিক না হত্যাকান্ড, সেটি তদন্তের মাধ্যমে জানতে চাইবেন। দুঃখজনক হলেও সত্যি, এর কোনকিছুই করা হয়নি ট্রান্সকম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত লতিফুর রহমানের বড় সন্তান আরশাদ ওয়ালিউর রহমানের মৃত্যুর ঘটনায়।

২০২৩ সালের ১৬ জুন সকালে গুলশানের ৩৬ নম্বর সড়কের একটি ভাড়া করা ফ্ল্যাটে আরশাদকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। আরশাদ সেখানে একা বাস করতেন। তাঁর মৃত্যুর পরিস্থিতি সন্দেহজনক হতো না। মৃত্যুর মাত্র ১০ দিন আগে আরশাদ আইনি পরামর্শ নিয়েছিলেন তাঁর মা ও বোন সিমিনের বিরুদ্ধে আদালতে প্রতারণার মামলা করার জন্য। উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া সম্পত্তি থেকে আরশাদ ও তাঁর মেঝ বোন শাযরেহ হককে বঞ্চিত করার কারণে তিনি এ আইনি পরামর্শ নেন। লতিফুর রহমানের একমাত্র ছেলে সন্তান হিসেবে আরশাদ ওয়ালিউর রহমান তাঁর বাবার কষ্টার্জিত সম্পত্তির একটি বড় অংশ পাওয়ার কথা। কিন্তু ২০০০ সালে বাবার মৃত্যুর পর তাঁর মা ও সিমিনের তৈরি করা একটি ভুয়া সমঝোতা চুক্তিতে আরশাদকে সম্পত্তির সামান্য একটি অংশ দেওয়া হয়েছিল।

উল্লেখ্য, আরশাদের সঙ্গে তাঁর মা ও তিন বোনের মধ্যে সবার বড় সিমিনের সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই ভালো যাচ্ছিল না। সম্পত্তির জন্য ছেলে আইনি লড়াইয়ে যাচ্ছে শুনে, তাঁর মা ২০২৩ সালের ১১ জুন আরশাদ ও শাযরেহ হকের বিরুদ্ধে একটি পাল্টা মামলা করেন। এর মাত্র পাঁচ দিন পরেই আরশাদকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। ঘটনাস্থলে প্রথম কে গিয়েছিল? তাঁর মা ও বোন সিমিন। মেজো বোন শাযরেহ হক সবার আগে যেতে পারেননি। যদিও তাঁর সঙ্গেই আরশাদের সমস্ত জরুরি যোগাযোগ ছিল। মূলত তাঁর বাবার বাড়িতে দীর্ঘ ৫২ বছর ধরে কাজ করা গৃহকর্মীদের মাধ্যমে তিনি ভাইয়ের মৃত্যুর সংবাদ পান অনেক পরে। স্বামীসহ শাযরেহ হক আরশাদের ফ্ল্যাটে গিয়ে দেখতে পান ট্রান্সকম ও এসকেএফের স্টাফে পুরো বাসা পরিপূর্ণ। তাঁর মা, বোন ও ভাতিজা করণীয় সম্পর্কে নির্দেশনা দিচ্ছেন। শাযরেহ আরশাদকে তাঁর বিছানায় শোয়া অবস্থায় পেলেন। এ সময় আরশাদের দুই হাত প্রশারিত ছিল। তাঁর শরীর খুব ঠান্ডা হয়ে গিয়েছিল, যেটি কিছুক্ষণ আগে মৃত্যু হয়েছে বোঝায়। তাঁর আঙুল ও পায়ের নখে কালো দাগ দেখা যাচ্ছিল। এরপর থেকে ঘটনা আরও রহস্যজনক হতে শুরু করল। সিমিন তাঁদের সবচেয়ে ছোট বোন শাজনীন তাসনিম রহমানের কবর আরশাদের জন্যে খুঁড়ে ফেলতে বলছিলেন। যাঁকে ১৯৯৮ সালে হত্যা করা হয়েছিল। কারণ আরশাদকে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দাফন করতে হবে। শাজনীনের মৃত্যুর পর লতিফুর রহমান তাঁর পরিবারের জন্য বনানী গোরস্থানে আটটি কবর কিনেছিলেন। তাই শাজনীনের কবর খোঁড়ার কোনো প্রয়োজনই ছিল না।

দাফনের জন্য একটি মৃত্যুসনদ প্রয়োজন হয়। তাই আরশাদের দেহ হাসপাতালে নেওয়া হয়। আশ্চর্যের বিষয় এই যে এসকেএফের কর্মীরা এই প্রক্রিয়াটি নিজেরাই পরিচালনা করার ব্যাপারে জোর দেন এবং পরিবারের সদস্যদের বাড়ি ফিরে যেতে বলেন। হাসপাতালে এসকেএফের কর্মীরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে চাপ দিচ্ছিলেন দ্রুত প্রক্রিয়া শেষ করার জন্য। কারণ মৃতদেহটি জুমার নামাজের পরই দাফন করতে হবে।

সিমিনের ট্রান্সকম গ্রুপ মাফিয়া

 

হাসপাতালে ডিউটি ডাক্তার বলেছিলেন, যেহেতু আরশাদকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে তাই একটি পুলিশ রিপোর্ট প্রয়োজন। কিন্তু এসকেএফের কর্মীরা তাঁকে এই গুরুত্বপূর্ণ ধাপটি এড়িয়ে যেতে চাপ দিচ্ছিল। তাঁরা শুধু হাসপাতালের একটি কাগজ পাওয়ার জন্য উদ্বিগ্ন ছিল, যেখানে বলা থাকবে যে আরশাদ মারা গেছেন। আর সেটাই যেন পুরো বিষয়টির সমাপ্তি। মৃত্যুসনদে লেখা ছিল আরশাদের মৃত্যুর কারণ অজানা (মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে) এবং সেখানে মৃত্যুর সময়ের কোনো উল্লেখ ছিল না। মৃত্যুর কারণ নির্ধারণের জন্য ময়নাতদন্তের কোনো নমুনা সংগ্রহের চেষ্টাও করা হয়নি।

তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের একটি দায়িত্ব পালন করেছিল। তারা জোর দিয়েছিল যে দেহটি অবশ্যই পরিবারের একজন সদস্যের কাছে হস্তান্তর করতে হবে, এসকেএফের কর্মীদের কাছে নয়। শাযরেহর স্বামী মরদেহের সঙ্গে হাসপাতালে যেতে আগ্রহী ছিলেন। তাই তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন এবং দেহের হেফাজত গ্রহণ করেন। কিন্তু মৃত্যুসনদ তাঁর কাছে দেওয়া হয়নি। কারণ সিমিন এটি তাঁর সংরক্ষণের জন্য রাখতে চেয়েছিলেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আবারও এসকেএফের কর্মীদের দাবির সঙ্গে সম্মতি জানাতে বাধ্য হয়।

সেদিনের পুরো ঘটনাপ্রবাহ কি আপনার কাছে স্বাভাবিক মনে হয়? সুতরাং এটা পুরোপুরি বোঝা যায়, কেন শাযরেহ তাঁর ভাইয়ের মৃত্যুকে সন্দেহজনক মনে করে গুলশান থানায় একটি মামলা দায়ের করেছিলেন। মামলাটি পরবর্তী সময়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনে (পিবিআই) হস্তান্তর করা হয় এবং তদন্তকারী দল বিষয়টি গভীরভাবে অনুসন্ধান করার সিদ্ধান্ত নেয়।

 

সিমিনের ট্রান্সকম গ্রুপ মাফিয়া

তবে ট্রান্সকমের অর্থ ও প্রভাব, যা প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টারের মাধ্যমে বিস্তৃত, নিশ্চিত করেছে যে তদন্ত যেন স্বাভাবিক গতিপথে চলতে না পারে। আরশাদের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা উচিত ছিল। কিন্তু পিবিআই রিপোর্টে বলা হয়েছে যে শাযরেহ নাকি তাদের বহুবার মৌখিকভাবে অনুরোধ করেছেন এটি না করার জন্য। এটা কি আপনাদের কাছে যুক্তিসংগত মনে হয়?

পিবিআইয়ের উচিত ছিল আরশাদের গাড়িচালক ও বাসায় থাকা রাঁধুনিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা। কিন্তু তারা তা করেনি। এর পরিবর্তে তারা শুধু সেই গৃহপরিচারিকার বক্তব্য নিয়েছে, যিনি দিনে মাত্র কয়েক ঘণ্টার জন্য আসেন এবং তাঁর মা ও সিমিনের গৃহকর্মীদের বক্তব্য নিয়েছে, যাঁদের এই ঘটনার সঙ্গে সরাসরি কোনো সংযোগ নেই। এমনকি তাঁদের বক্তব্যেও স্পষ্ট অসংগতি রয়েছে। অবাক করার বিষয় হলো, পিবিআই কোনোভাবেই এফআইআরে উল্লেখিত ১১ জন অভিযুক্তের কাউকেই জিজ্ঞাসাবাদ না করেই মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে।

শাযরেহ তাঁর ভাইয়ের মৃত্যুতে পিবিআইয়ের ত্রুটিপূর্ণ প্রতিবেদনের যুক্তিসংগত বিরোধিতা করেছেন। তিনি চান যে তদন্ত যেন নতুন করে এবং যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সম্পন্ন করা হয়। এটি একটি ন্যায্য এবং যুক্তিসংগত দাবি নয় কি? কিন্তু আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি, শাযরেহ বাধার দেয়ালে আঘাত খেতে থাকবেন এমনকি বাংলাদেশ ২.০ আমলেও। আপনারা জানেন কেন? কারণ সরকারে এমন একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি রয়েছেন, যিনি প্রথম আলো এবং সমাজে প্রভাবশালী মতিউর রহমান ও মাহ্ফুজ আনামের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। এই পৃথিবী সিমিনের হাতের মুঠোয়। এটি একদম ডেভিড বনাম গোলিয়াথের পরিস্থিতি। যে বাংলাদেশের স্বপ্ন আমরা দেখি, সেখানে আমরা চাই ডেভিড অর্থাৎ মিসেস শাযরেহ হক, ন্যায়বিচার পাক। এক ইঞ্চিও বেশি বা কম নয়।

সিমিনের ট্রান্সকম গ্রুপ মাফিয়া

আমি আপনাদের জন্য তিনটি অতিরিক্ত তথ্য দিচ্ছি

আরশাদের মৃত্যুর মাত্র চার দিন পর তাঁর মা এবং সিমিন বোর্ড মিটিং শুরু করেন। তাঁর মা নিজের ১০০টি শেয়ার ট্রান্সকম গ্রুপের সিএফও ও কোম্পানির সচিব কামরুল হাসানকে দেন, যাতে কামরুল আরশাদের বোর্ড আসনটি দখল করতে পারেন। অথচ কামরুল এফআইআরে উল্লেখিত মূল অভিযুক্তদের একজন।

আরশাদের ভাড়া করা ফ্ল্যাটটি এখনো সংরক্ষণ করা হচ্ছে। তাঁর রাঁধুনি ও গাড়িচালক এখন পুরোপুরি ট্রান্সকমের স্থায়ী কর্মী হয়ে গেছেন এবং তাঁরা ওই ফ্ল্যাট ব্যবহার করছেন। আরশাদের মৃত্যুর ৪০ দিনেরও কম সময়ের মধ্যে সিমিন তাঁর ছেলে যারাইফ আয়াত হোসেনের জন্য এক বিশাল জমকালো বিয়ের আয়োজন করেন। এমনকি লোক দেখানোর জন্য হলেও তিনি নিজের ভাইয়ের জন্য ৪০ দিনের শোকের সময়টুকু পর্যন্ত অপেক্ষা করেননি। এটি প্রমাণ করে যে আরশাদের মৃত্যু তাঁকে কতটা নাড়া দিয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর
বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে
বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে
ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত
ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত
ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ
ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ
মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন
মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে
গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে
শহীদদের কবর জিয়ারতে নাহিদ
শহীদদের কবর জিয়ারতে নাহিদ
ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়
ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়
নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন
নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন
৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের
৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের
স্বস্তির ঈদ উদ্‌যাপন
স্বস্তির ঈদ উদ্‌যাপন
ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সহায়তার হাত বাংলাদেশের
ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সহায়তার হাত বাংলাদেশের
সর্বশেষ খবর
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

ছেলের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে মায়ের মৃত্যু
ছেলের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে মায়ের মৃত্যু

১৫ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

বাড়তি ভাড়া আদায়, পরিবহনকে অর্ধলাখ টাকা জরিমানা
বাড়তি ভাড়া আদায়, পরিবহনকে অর্ধলাখ টাকা জরিমানা

১৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতে আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ২১
ভারতে আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ২১

৪৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

৫৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে আজ ব্যাংকক যাবেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে আজ ব্যাংকক যাবেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি কমলো ৪.৪১ শতাংশ
৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি কমলো ৪.৪১ শতাংশ

৫ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

৬ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিখোঁজ প্রতিবন্ধীর লাশ মিললো ডোবায়
নিখোঁজ প্রতিবন্ধীর লাশ মিললো ডোবায়

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টুঙ্গিপাড়ায় মাহেন্দ্র-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২
টুঙ্গিপাড়ায় মাহেন্দ্র-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জমি নিয়ে বিরোধে বোনের হাতে প্রাণ হারালো ভাই
জমি নিয়ে বিরোধে বোনের হাতে প্রাণ হারালো ভাই

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চাঁদপুরে দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার
চাঁদপুরে দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের তৃতীয় দিনে দেড় লাখ দর্শনার্থীতে মুখর চিড়িয়াখানা
ঈদের তৃতীয় দিনে দেড় লাখ দর্শনার্থীতে মুখর চিড়িয়াখানা

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে তরুণ নিখোঁজ
মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে তরুণ নিখোঁজ

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের দিন ঘুরতে বেরিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেফতার
ঈদের দিন ঘুরতে বেরিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেফতার

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!
১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কোস্টারিকার নোবেলজয়ী সাবেক প্রেসিডেন্টের মার্কিন ভিসা বাতিল
কোস্টারিকার নোবেলজয়ী সাবেক প্রেসিডেন্টের মার্কিন ভিসা বাতিল

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাউবি উপাচার্যের নাম ও ছবি ব্যবহার করে প্রতারণা, থানায় জিডি
বাউবি উপাচার্যের নাম ও ছবি ব্যবহার করে প্রতারণা, থানায় জিডি

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের আনন্দকে বাড়াতে যমুনার চরে ঘুড়ি উৎসব অনুষ্ঠিত
ঈদের আনন্দকে বাড়াতে যমুনার চরে ঘুড়ি উৎসব অনুষ্ঠিত

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজধানীতে দুই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ২
রাজধানীতে দুই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ২

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কুয়াকাটায় পর্যটকদের ভিড়
কুয়াকাটায় পর্যটকদের ভিড়

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস
শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাসমান স্কুলের উদ্ভাবক রেজোয়ান পেলেন ‘ইয়েল বিশ্ব ফেলোশিপ’
ভাসমান স্কুলের উদ্ভাবক রেজোয়ান পেলেন ‘ইয়েল বিশ্ব ফেলোশিপ’

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আশাশুনিতে নদীর ভাঙনরোধ ও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন
আশাশুনিতে নদীর ভাঙনরোধ ও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যে কারণে পরমব্রত’র সঙ্গে কৌশানীর অভিনয়ে আপত্তি ছিল বনির
যে কারণে পরমব্রত’র সঙ্গে কৌশানীর অভিনয়ে আপত্তি ছিল বনির

১২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

কালুরঘাটে রেল ও সড়ক সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ১৪ মে
কালুরঘাটে রেল ও সড়ক সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ১৪ মে

১২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে
নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
কফিতে মশগুল ব্রিটেনে পলাতক সাবেক মন্ত্রীরা!
কফিতে মশগুল ব্রিটেনে পলাতক সাবেক মন্ত্রীরা!

২৩ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে
নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা
গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন
ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ
সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা
লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা
গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার
আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে ন্যূনতম যে সংস্কার প্রয়োজন তা করতে হবে’
‘নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে ন্যূনতম যে সংস্কার প্রয়োজন তা করতে হবে’

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু
মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

৬ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

মধ্যপ্রাচ্যে আরও রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, বাড়ছে উত্তেজনা
মধ্যপ্রাচ্যে আরও রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, বাড়ছে উত্তেজনা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব
২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন
সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!
১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মার্কিন প্রস্তাব মানতে নারাজ রাশিয়া
ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মার্কিন প্রস্তাব মানতে নারাজ রাশিয়া

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা
ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস
শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র
হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের
কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা
বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চট্টগ্রামে ৬ মাসে বন্ধ ৫২ কারখানা, কাজের আদেশ কমেছে ২৫ শতাংশ
চট্টগ্রামে ৬ মাসে বন্ধ ৫২ কারখানা, কাজের আদেশ কমেছে ২৫ শতাংশ

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হাসপাতালে, আছেন নিবিড় পর্যবেক্ষণে
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হাসপাতালে, আছেন নিবিড় পর্যবেক্ষণে

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিলেটে মধ্যরাতে বিএনপি-যুবদল সংঘর্ষ, আহত ১৫
সিলেটে মধ্যরাতে বিএনপি-যুবদল সংঘর্ষ, আহত ১৫

২২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্তে বিমসটেক সদস্যদের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ
বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্তে বিমসটেক সদস্যদের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের
ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রিন্ট সর্বাধিক
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে

সম্পাদকীয়

চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই
চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা

সর্বত্র ভোটের আলোচনা
সর্বত্র ভোটের আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া
সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত
ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত

প্রথম পৃষ্ঠা

উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়
উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়

পেছনের পৃষ্ঠা

শাকিবের প্রশংসায় বুবলী
শাকিবের প্রশংসায় বুবলী

শোবিজ

ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড
ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড

মাঠে ময়দানে

৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের
৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের

প্রথম পৃষ্ঠা

রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা
রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা

নগর জীবন

ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল
ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল

প্রথম পৃষ্ঠা

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই

সম্পাদকীয়

ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়
ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়

প্রথম পৃষ্ঠা

গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে
গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে

প্রথম পৃষ্ঠা

কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন
কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে
বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা
চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব
মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব

দেশগ্রাম

মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন
মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন

প্রথম পৃষ্ঠা

বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ
বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ

দেশগ্রাম

আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা
আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা

রকমারি নগর পরিক্রমা

দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪
দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪

পেছনের পৃষ্ঠা

ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ
ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট
ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট

পেছনের পৃষ্ঠা

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন
নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন
নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন

পূর্ব-পশ্চিম

দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার
দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার

দেশগ্রাম

ঈদে প্রাণ ফিরেছে পর্যটনে
ঈদে প্রাণ ফিরেছে পর্যটনে

নগর জীবন